শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

নতুন বছরে পবিপ্রবি বরিশাল ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা

নতুন স্বপ্ন আর প্রত্যাশার প্রাঙ্গণে আগমন ঘটছে ইংরেজি নতুন বছরের। সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশের জনগণও বিভিন্ন উৎসব-আয়োজনের মধ্য দিয়ে ২০২৫ সালকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে ব্যস্ত। বিদায় নিচ্ছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থানসহ নানা ঘটনাবহুল ২০২৪ সাল। নতুন উদ্যম ও চেতনায় ভরপুর হয়ে দেশবাসী নতুন বছরের সম্ভাবনাময় আগামীর অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। দীর্ঘমেয়াদি প্রাপ্তির হিসাব নিয়ে আশা ও […]

নিউজ ডেস্ক

৩১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৮:০৪

নতুন স্বপ্ন আর প্রত্যাশার প্রাঙ্গণে আগমন ঘটছে ইংরেজি নতুন বছরের। সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশের জনগণও বিভিন্ন উৎসব-আয়োজনের মধ্য দিয়ে ২০২৫ সালকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে ব্যস্ত। বিদায় নিচ্ছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থানসহ নানা ঘটনাবহুল ২০২৪ সাল। নতুন উদ্যম ও চেতনায় ভরপুর হয়ে দেশবাসী নতুন বছরের সম্ভাবনাময় আগামীর অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। দীর্ঘমেয়াদি প্রাপ্তির হিসাব নিয়ে আশা ও নিরাশার মাঝে নতুন বছর আমাদের স্বপ্নকে কতটা বাস্তবায়িত করতে পারবে, তা সময়ই বলে দেবে।

নববর্ষ বরণের এই শুভক্ষণে, সামনে কী অপেক্ষা করছে তা কারও জানা নেই। তবে অজানা ভাগ্যের ওপর নির্ভর না করে, মঙ্গলময় ভবিষ্যতের প্রত্যাশায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞায় এগিয়ে চলা প্রয়োজন। শুভ প্রয়াস ও ভালো কিছুর আশা সর্বদাই মানুষের অন্তরে বিরাজমান। এই কল্যাণকর উন্নয়নের আশায় শুরু হোক নববর্ষের প্রথম প্রভাতের পথচলা। নতুন স্বপ্ন আর প্রত্যাশার আলোকে উদ্ভাসিত ২০২৫ সাল আলোকিত দিন ও নিরাপদ জীবনধারার সূচনা হোক।

এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) বরিশাল ক্যাম্পাসের কয়েকজন শিক্ষার্থী। নতুন বছরের প্রতিটি মুহূর্ত শিক্ষার্থীদের জন্য নবীন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে, যা তাদের একাডেমিক, সামাজিক ও ব্যক্তিগত জীবনকে আরও সমৃদ্ধ ও উন্নত করার সুযোগ এনে দেয়। তারা সেই সুযোগগুলোকে সদ্ব্যবহারের মাধ্যমে নিজেদের জীবনকে নতুন মাত্রায় পৌঁছানোর প্রত্যাশা করেন।

“মানবতার অঙ্গীকার: নতুন বছরের আহ্বান”

কালের স্রোতে বিলীন হলো আরও একটি বছর। উন্মোচিত হবে নতুন বছর ২০২৫-এর দ্বার। আশা-নিরাশার দোলাচলে, উত্থান-পতনের মিশ্রণে অতিবাহিত হলো গত বছরের দিনগুলি। প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাব মেলানো যেন এক দুরূহ সমীকরণ।

মানুষে মানুষে ভালোবাসা কমেছে, অভিমান জন্মেছে পর্বতের ন্যায়। মূল্যবোধে লেগেছে অবক্ষয়ের দংশন, যুদ্ধের সাথে লোভের বাড়বাড়ন্ত। সহিংসতা, নৃশংসতা ও নির্মম রক্তাক্ত ঘটনাবলি যেন গত হওয়া বছরটির সাক্ষী। দেশের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি ছিল বারবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটু ভালোভাবে বেঁচে থাকার।

আমরাও প্রতিবছরের ন্যায় হাজারো আশা-প্রত্যাশা, স্বপ্ন-সম্ভাবনা ও প্রকৃত মানুষ হওয়ার সংকল্প নিয়ে পথচলা শুরু করি। কিন্তু সেই আশা-প্রত্যাশা ও স্বপ্ন পূরণে নিজেদের কতটা সচেষ্ট রাখি?

নতুন বছরের প্রারম্ভে সকলের প্রতি আহ্বান, আসুন, প্রথমেই একজন ভালো মানুষ হই। পুরানো বছরের হিংসা, বিদ্বেষ, শত্রুতা, হানাহানি ভুলে গিয়ে নিজেকে নবরূপে গড়ে তুলি। এখানেই রয়েছে মানবজীবনের প্রকৃত স্বার্থকতা।

মেহেদী হাসান

সেশন ২০২০-২১

“নতুন বছরে ক্যাম্পাসে নবজাগরণ”

এক ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের পর দেশ যেভাবে স্বৈরাচারিতা মুক্ত হয়ে নতুন রূপ নিয়েছে ঠিক সেভাবেই নতুন বছরে আমাদের প্রত্যাশা ক্যাম্পাসটাকে নতুন রূপে সাজানো। হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ আসন না থাকার কারণে অনেকেই গণরুমে অবস্থান করে যা সুস্থ ভাবে থাকার অন্তরায়। হল প্রশাসনের প্রতি প্রত্যাশা থাকবে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে হলের আসন বরাদ্দ দেওয়া। ক্যাম্পাসের আঙিনায় এলোমেলোভাবে ময়লা আবর্জনা পড়ে থাকে, আমরা অনেকেই যেখানে সেখানে ময়লা ফেলি। নতুন বছরে আমার প্রত্যাশা থাকবে আমরা সবাই যেখানে সেখানে ময়লা না ফেলে সঠিক জায়গায় ময়লা ফেলবো এজন্য ক্যাম্পাস প্রশাসনের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে সঠিকভাবে রাস্তার প্রতিটি মোড়ে ডাস্টবিনের ব্যবস্থা করে দেওয়া। নতুন বছরে প্রশাসনের কাছে আমার প্রত্যাশা থাকবে সেশনজট কমিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা আরও যেন তারা দ্রুতগামী করে দেয়।

নতুন বছরে শিক্ষার্থী-শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে এক সুন্দর সেতুবন্ধন সৃষ্টি করে নতুন উদ্যমে নতুনভাবে গুছিয়ে এগিয়ে যাক আমাদের প্রাণের ক্যাম্পাস। সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

মোঃ ফারহান সাদিক

সেশন ২০২১-২২

“শিক্ষকদের থেকে সহানুভূতিশীল মনোভাবের প্রত্যাশা”

একটি আদর্শ ক্যাম্পাসে থাকতে হয় সুব্যবস্থিত শ্রেণিকক্ষ, আধুনিক পাঠাগার, এবং গবেষণা সুবিধা। যেখানে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বরিশাল ক্যাম্পাসের কোনো শ্রেণিকক্ষে নেই সাউন্ড সিস্টেম,অধিকাংশ শ্রেণীকক্ষের প্রজেক্টরের বেহাল দশা, প্রতিটি ল্যাবে পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতির সংকট,যা শিক্ষার্থীদের উন্নত পাঠদানের অন্তরায়। হল এবং ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক, যাতে শিক্ষার্থীরা নিশ্চিন্তে পড়াশোনা করতে পারে। খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চার জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা থাকা উচিত। শিক্ষকদের সহানুভূতিশীল মনোভাব শিক্ষার্থীদের মানসিক উন্নয়নে সহায়ক হবে। ক্যাম্পাসে সমতা ও অন্তর্ভুক্তির পরিবেশ বজায় রাখা জরুরি, যাতে সবাই একসাথে এগিয়ে যেতে পারে। পবিপ্রবির বরিশাল ক্যাম্পাসে ক্যান্টিনে ও হলের ডাইনিংয়ে উন্নত পুষ্টিকর খাবারের ব্যবস্থা এবং পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা উচিত। ক্যাম্পাসে সকল ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ। নতুন বছরে যেনো কোনো রাজনৈতিক দল ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে না পারে প্রশাসনকে এ ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে,যা সকল শিক্ষার্থীর প্রাণের দাবি হয়ে উঠেছে। পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় ক্যাম্পাসের প্রতিটি মোরে ডাস্টবিনের ব্যবস্থা করা। পরিবেশবান্ধব উদ্যোগগুলো ক্যাম্পাসকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে। সর্বোপরি, একটি ভালো ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের উন্নত ভবিষ্যতের জন্য প্রেরণা দেবে।

মোঃ ফাহিম

সেশন ২০২১-২২

জুলাইয়ের চেতনা: বৈষম্যহীন ভবিষ্যতের স্বপ্ন

জুলাই এর রক্তক্ষয়ী বিপ্লব পর যে নতুন বাংলাদেশ এর সূচনা হয়েছে তা অক্ষত রেখে নতুন বছরে জুলাইয়ের চেতনায় বৈষম্যমুক্ত সুন্দর ক্যাম্পাস বিনির্মাণ আমাদের লক্ষ্য। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বরিশাল ক্যাম্পাস নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত । লাইব্রেরিতে বই ও জার্নাল সংকট, ল্যাবরেটরি বিভিন্ন সরঞ্জাম ও শিক্ষা উপকরণের অভাব। প্রশাসনের কাছে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে নতুন বছরে লাইব্রেরিতে পর্যাপ্ত সংখ্যক বই, জার্নাল এর ব্যবস্থা করা ও ল্যাবরেটরিতে পর্যাপ্ত সরঞ্জাম সরবরাহ করা । তাছাড়া ক্যাম্পাসের এক মাত্র ছাত্র হলে দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় অনেকটা জরাজীর্ণ অবস্থা ও বহু কক্ষ ব্যবহারের অনুপযুক্ত। নতুন বছরে হল প্রসাশনের কাছে আমাদের প্রত্যাশা হলের ভবন গুলো পর্যাপ্ত সংস্কার করে অনুপযুক্ত রুম গুলো ব্যবহার যোগ্য করে হলের সিট সংকটের কিছুটা হলেও যেন অবসান করা হয়। একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ এর পরিবহণ ব্যবস্থা। দুঃখজনক হলেও সত্য বিপুল সংখ্যক ছাত্র থাকা সত্বেও ক্যাম্পাসের বাসের সংখ্যা মাত্র একটি। আশা করি নতুন বছরে প্রশাসন শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে পরিবহণ ব্যবস্থা সমৃদ্ধ করবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি সময়ের দাবি।

নতুন বছরে শিক্ষক , শিক্ষার্থী, প্রশাসন সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এগিয়ে যাক আমাদের প্রাণের ক্যাম্পাস এটাই প্রত্যাশা। সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা, নতুন বছর আপনাদের সবার জীবনে কল্যাণ বয়ে আনুক এই কামনা।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।