সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অর্থনীতি

পাঁচ মাসে বিদেশি ঋণ শোধ ১৭১ কোটি, এসেছে ১৫৪ কোটি ডলার

চলতি ২০২৪–২৫ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) যত বিদেশি ঋণ এসেছে, তার চেয়ে অনেক বেশি ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে। এই চার মাসে সুদ ও আসল মিলিয়ে প্রায় ১৭১ দশমিক ১ কোটি মার্কিন ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন দাতা সংস্থা ও দেশ দিয়েছে ১৫৪ দশমিক ৩ কোটি ডলার। রোববার (২৯ ডিসেম্বর) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ ডিসেম্বর ২০২৪, ২০:৫০

চলতি ২০২৪–২৫ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) যত বিদেশি ঋণ এসেছে, তার চেয়ে অনেক বেশি ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে। এই চার মাসে সুদ ও আসল মিলিয়ে প্রায় ১৭১ দশমিক ১ কোটি মার্কিন ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন দাতা সংস্থা ও দেশ দিয়েছে ১৫৪ দশমিক ৩ কোটি ডলার।

রোববার (২৯ ডিসেম্বর) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রকাশিত মাসিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে ঋণ প্রতিশ্রুতি কমেছে ৯১ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় একই সময়ে ঋণ বিতরণ কমেছে ২৭ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। তবে এ সময়ে ঋণ পরিশোধ ২৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি দেশের আর্থিক সম্পদের ওপর চাপ বাড়ানোর প্রতিফলন। চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে বাংলাদেশ ঋণ পরিশোধ করেছে ১৭১ দশমিক ১ কোটি ডলার। এ সময়ে বৈদেশিক প্রতিশ্রুতি এসেছে ১৫৪ দশমিক ৩ কোটি ডলার।

আলোচ্য সময়ে উন্নয়ন অংশীদাররা মাত্র ৫২ দশমিক ২৬ কোটি ডলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। এ সময়ে ঋণ বিতরণও কমেছে, ২ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলার থেকে হয়েছে এক দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে বাংলাদেশ এক দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার মূলধন এবং সুদ পরিশোধ করেছে। গত বছর যা ছিল এক দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার।

ইআরডি সূত্রে জানা গেছে, উন্নয়ন প্রকল্পে কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ায় উন্নয়ন সহযোগীরাও অর্থছাড় করতে অনাগ্রহ দেখাচ্ছে। চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। উচ্চ সুদের কারণে বিদেশি ঋণ শোধে বাড়তি চাপ পড়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ঋণের প্রতিশ্রুতি কিংবা অর্থছাড় কমে আসার পেছনে জুলাই-অগাস্ট আন্দোলনেরও একটা প্রভাব রয়েছে।

ইআরডি কর্মকর্তারা বলছেন, জুলাই এবং আগস্ট মাসে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে প্রকল্প বাস্তবায়ন ব্যাহত হয়েছে, ফলে বিতরণ কমেছে। বৈদেশিক ঋণের তহবিলে নেওয়া অনেক প্রকল্প স্থগিত হয়ে গেছে। কারণ, বিদেশি পরামর্শক এবং কর্মীরা অনুপস্থিত ছিলেন। সরকার বর্তমানে ঋণ প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করছে, যা নতুন ঋণ চুক্তির জন্য সাময়িক স্থগিত হয়েছে।

পর্যালোচনা শেষ হলে সরকার ঋণ আবেদন প্রক্রিয়া শুরুর পরিকল্পনা করছে এবং তার লক্ষ্য পূরণের জন্য চেষ্টা করবে। বিশ্বব্যাংক এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) সহ উন্নয়ন অংশীদারেরা বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য অর্থায়ন করতে সহায়তা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

অন্তর্বর্তী সরকার বৈদেশিক অর্থায়নে নেওয়া প্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলো অগ্রাধিকার দিচ্ছে। একই সঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে বিদেশি ঋণনির্ভর অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলো। সংস্থাগুলোকে বৈদেশিক ঋণ বরাদ্দের জন্য অগ্রাধিকার প্রকল্পের তালিকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইআরডি।

চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে সর্বোচ্চ ঋণ বিতরণকারী অংশীদার এডিবি। সংস্থাটি ৩১৮ মিলিয়ন ডলার ঋণ বিতরণ করেছে। এর পরে রয়েছে জাপান, বিতরণ করেছে ৩০৮ মিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া রাশিয়া ২৪৫ মিলিয়ন ডলার, বিশ্বব্যাংক ২০৫ দশমিক ৪৪ মিলিয়ন ডলার এবং ভারত ৬৩ দশমিক ৪২ মিলিয়ন ডলার ঋণ বিতরণ করেছে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জহিদ হোসেন বলেন, চলতি অর্থবছর বহু দিক থেকেই ব্যতিক্রম। প্রথম দুই-তিন মাস অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থমকে ছিল। বিদেশি ঋণ মূলত আসে প্রকল্প বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে। বাস্তবায়ন অর্থবছরের শুরুতে এমনই ধীরগতি থাকে। জুলাই-অগাস্ট আন্দোলনের প্রভাবে চলতি অর্থবছরের গতি আরও কম।

অর্থনীতি

প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল চালু, রাত থেকেই বাড়বে গ্যাস সরবরাহ

প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) চালু হয়েছে। এতে করে মধ্যরাত নাগাদ এই কার্গো থেকে এলএনজি সরবরাহ শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এলএনজিবাহী একটি কার্গো আজ শনিবার দুপুরের দিকে মহেশখালী সাগর উপকূলে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে পৌঁছায়। পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে জানান হয়, বিকেল ৪টা নাগাদ এলএনজি থেকে সরবরাহ ঘণ্টায় ৬৮৬ […]

প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল চালু, রাত থেকেই বাড়বে গ্যাস সরবরাহ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৪ আগস্ট ২০২৬, ০১:২৩

প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) চালু হয়েছে। এতে করে মধ্যরাত নাগাদ এই কার্গো থেকে এলএনজি সরবরাহ শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

এলএনজিবাহী একটি কার্গো আজ শনিবার দুপুরের দিকে মহেশখালী সাগর উপকূলে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে পৌঁছায়।

পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে জানান হয়, বিকেল ৪টা নাগাদ এলএনজি থেকে সরবরাহ ঘণ্টায় ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছে; দুপুর ১২টার দিকে সরবরাহ ছিল ৫৮১ মিলিয়ন ঘনফুট। বিকেলে এলএনজিসহ গ্যাসের মোট সরবরাহ দাঁড়িয়েছে ২৩০৭ মিলিয়ন ঘনফুট।

দেশে দৈনিক ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও নিয়মিত ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়। তবে গত ২১ জুলাই সাগরে ভাসমান এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে আগুন লেগে গেলে সরবরাহ কমতে থাকে।

গত এক মাসে সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির দুইটি টার্মিনালে বারবার বিপত্তি দেখা দিলে দেশে একই সঙ্গে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট দেখা দেয়। এর মধ্যে বিদ্যুতের উৎপাদন কমে গিয়ে সারা দেশে সর্বোচ্চ ৩৭৬৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেখতে হয়েছিল।রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির একজন কর্মকর্তা জানান, দুপুর ২টার দিকে এক্সিলারেটের এফএসআরইউর কাছে একটি এলএনজি কার্গো এসে পোঁছায়। ৭ ঘণ্টা পর আনলোড শুরু হবে।

এ দিকে গ্যাসের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে আছে সারা দেশের শিল্প কারখানা। নতুন করে গ্যাস আসার খবরে ফের উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা করছেন শিল্প মালিকেরা। তবে যেসব এলাকায় গ্যাস নেই সেখানে গ্যাস পৌঁছাতে দুই থেকে তিন দিন সময় লেগে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বিতরণ সংস্থা তিতাস।

অর্থনীতি

ইসলামী ব্যাংককে ১৩ হাজার কোটি টাকা ধার দেওয়া হয়েছে: গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, তারল্য সংকট মোকাবিলায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে গভর্নর এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ […]

ইসলামী ব্যাংককে ১৩ হাজার কোটি টাকা ধার দেওয়া হয়েছে: গভর্নর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১৮:৪৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, তারল্য সংকট মোকাবিলায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে গভর্নর এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিভিন্ন ব্যাংককে মোট ১৭ হাজার কোটি টাকা তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এ সহায়তার পরিমাণ দাঁড়ায় ৫১ হাজার কোটি টাকা। তবে বর্তমান দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম চার মাস বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো ব্যাংককে আর্থিক সহায়তা দেয়নি।

গভর্নরের ভাষ্য, পরবর্তীতে ইসলামী ব্যাংকের তারল্য সংকট গভীর হওয়ায় পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৩ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দেওয়া হয়। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

মুদ্রানীতি ঘোষণার সময় গভর্নর আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং উৎপাদনমুখী খাতে ঋণপ্রবাহ নিশ্চিত করাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বর্তমান অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদারে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলেও জানান তিনি।

অর্থনীতি

বিশ্বব্যাংকের পরবর্তী নির্বাহী পরিচালক আবদুর রহমান খান

বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের পরবর্তী নির্বাহী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান। সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হলে বিশ্বব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি। বর্তমানে বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করছেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব শরীফা খান। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যে আবদুর রহমান খানের […]

বিশ্বব্যাংকের পরবর্তী নির্বাহী পরিচালক আবদুর রহমান খান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৮ জুলাই ২০২৬, ১৮:১১

বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের পরবর্তী নির্বাহী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান। সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হলে বিশ্বব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি।

বর্তমানে বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করছেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব শরীফা খান।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যে আবদুর রহমান খানের নিয়োগ সংক্রান্ত ফাইলের অনুমোদন দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদে সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব করেন। ঋণ, অনুদান, উন্নয়ন প্রকল্প, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং বিভিন্ন আর্থিক কার্যক্রম সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নেন তিনি। অন্যদিকে বিকল্প নির্বাহী পরিচালক নির্বাহী পরিচালকের অনুপস্থিতিতে তার দায়িত্ব পালন করেন এবং পরিচালনা পর্ষদের কার্যক্রমে সহায়তা করেন।