সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ইটভাটায় যাচ্ছে কৃষি জমির উর্বর মাটি কমছে খাদ্য উৎপাদন,বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুর মেহেরপুরে দিন দিন আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে ইটভাটা। আর সেই সাথে বাড়ছে ইটভাটায় ফসলি জমির মাটি বিক্রি। এর ফলে পরিবেশের উপর বিরুপ প্রভাব বিস্তার ছাড়াও একদিকে কমছে আবাদি জমির পরিমাণ, অন্যদিকে বড় বড় ড্রাম ট্রাকে এসব মাটি পরিবহণে নষ্ট হচ্ছে সড়ক। সেই সঙ্গে পরিবহণের সময় মাটি উড়ে নষ্ট করছে পরিবেশ। এতে বাড়ছে স্বাস্থ্য […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ২২:৩৪

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুর

মেহেরপুরে দিন দিন আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে ইটভাটা। আর সেই সাথে বাড়ছে ইটভাটায় ফসলি জমির
মাটি বিক্রি। এর ফলে পরিবেশের উপর বিরুপ প্রভাব বিস্তার ছাড়াও একদিকে কমছে আবাদি জমির পরিমাণ,
অন্যদিকে বড় বড় ড্রাম ট্রাকে এসব মাটি পরিবহণে নষ্ট হচ্ছে সড়ক। সেই সঙ্গে পরিবহণের সময় মাটি
উড়ে নষ্ট করছে পরিবেশ। এতে বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি। শিগগিরই এসব বন্ধে পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে খাদ্য
উৎপাদন কমতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।

সরকারী নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এবং প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই এসব ইটভাটা মাটি কাটার
মহোৎসব চলছে বলে জানিয়েছেন সচেতন মহল। এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার ব্যবস্থা নেয়ার
আশ^াস দেয়া হলেও অদ্যাবদি কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। আর ইটভাটা মালিক সমিতি বলছে, বিশেষ
ব্যবস্থায় এসব ইটভাটা চালানো হচ্ছে। সবারই ইটের প্রয়োজন আছে। তবে প্রশাসন বলছে ব্যবস্থা নেয়া
হবে।

মেহেরপুরে ৯২ টি ইটভাটার মধ্যে একটি ইটভাটারও অনুমতি ও পরিবেশগত ছাড়পত্র নেই । সব গুলো
ইটভাটায় পোড়ানো হচ্ছে কাঠ। কোন কোন ভাটায় করাত কল দিয়ে কাঠ ফাড়ানো হচ্ছে। নিয়মনীতির
তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকাসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে ও ফসলি
জমিতে স্থাপন করা হয়েছে ইটভাটা। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকির পাশাপাশি মারাত্মক হুমকির মুখে রয়েছে
পরিবেশ ও প্রতিবেশ।

ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) ২০১৯ অনুযায়ী, বিশেষ কোনো স্থাপনা, রেলপথ, শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও ক্লিনিক, গবেষণা প্রতিষ্ঠান কিংবা অনুরূপ কোনো স্থান বা প্রতিষ্ঠান থেকে
কমপক্ষে এক কিলোমিটার দূরে ইটভাটা স্থাপন করতে হবে। আইন অমান্য করে দিনের পর দিন ইটভাটার সংখ্যা বাড়লেও প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বরং চাঁদাবাজ বা সন্ত্রাসী
হামলার স্বীকার যাতে না হয় সেজন্য ইটভাটার আশেপাশে বাড়ানো হয়েছে পুলিশি টহল।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে প্রশাসনের চোখের সামনে শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানের পাশে, ঘনবসতি এলাকায় ও ফসলের মাঠের কৃষি জমিতে গড়ে তোলা হয়েছে ইটভাটা।
অধিকাংশ ইটভাটায় পরিবেশ বান্ধব কয়লার বিপরীতে অবাধে কাঠ পুড়িয়ে ইট তৈরি করা হচ্ছে। অবৈধ
ট্রলির মাধ্যমে আশপাশের এলাকার ফসলি জমির মাটি এনে তৈরি করা হচ্ছে ইট। অবৈধ ইটভাটার কারণে
স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে মানুষ। শুধু তাই নয়, সরকারি জায়গায় প্রভাবশালী কয়েকজন গড়ে তুলেছেন
ইটভাটা।

বিশেষ করে মহাম্মদপুর বাওট, ছাতিয়ান বামন্দী ধানখোলা গাড়াডোব এলাকাতে ইটভাটা পরিবেশের উপর
বেশি প্রভাব ফেলছে। এসব ইটভাটা মালিকের কাছ থেকে কথিত ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি
ইনামুল হক প্রশাসনের নামে চাঁদা আদায় করেন। বড় ভাটা থেকে একলাখ ও ছোট ভাটা থেকে ৫০ হাজার
টাকা নেন প্রতি বছর। ভাটা মালিকগন চাঁদা পরিশোধ করে নির্বিঘেœ তাদের ব্যবসা চালিয়ে যান
বছরের পর বছর।

এছাড়া সরকারি জায়গার মাটি কেটে ইট ভাটায় নিয়ে যাওয়া হয়। দিনে ও রাতের আধারে ড্রাম ট্রাক ও
শ্যালো ইঞ্জিনচালিত ট্রলিতে করে বিভিন্ন স্থান থেকে মাটি এনে ইটভাটায় ব্যবহার করছেন। সড়কগুলোতে
এসব অবৈধ যানবাহনের বে-পরোয়া চলাচলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। প্রতিবছরের মতো এবারও ইট
তৈরির মৌসুমে প্রতিদিন ফসলি জমির মাটি ইটভাটায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এ কারণে আবাদি জমির
পরিমাণ কমে যাচ্ছে। ধোঁয়া ও ধুলাবালিতে ফসল ও পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।

এলাকার বেশ কয়েকজন কৃষক জানান, ইটভাটার ধোঁয়ার কারণে বিরুপ প্রভাব পড়ছে ফসলের উপর। ভাটার
আশে পাশের কোন জমিতে আর আগের মতো ফসল হচ্ছে না। অনেকেই বাধ্য হয়ে জমির টপ সোয়েল বিক্রি
করতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকেই আবার ওই জমিতে পুকুর খনন করছেন । সেই পুকুরের মাটিও চলে যাচ্ছে
ইটভাটায়। মাটি পরিবহনের কারণে রাস্তায় মাটি পড়ে ধুলা বালি ও বৃষ্টি কাদা সৃষ্টি হয়। এতে যেমন
দুর্ঘটনা ঘটে অন্যদিকে রাস্তা নষ্ট হচ্ছে তাড়াতাড়ি। অনেক রাস্তা একেবারই চলাচলের অযোগ্য হয়ে
পড়েছে।

 

গাংনী উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি ইনামুল হক জানান, বিভিন্ন ধরনের ঝামেলা মেটানোর
জন্য টাকা নেয়া হয় ইটভাটা মালিকের কাছ থেকে। কারো পরিবেশ অধিদপ্তরের সনদ ও প্রশাসনিক
অনুমোদন নেই। কিভাবে চলছে এ ইটভাটা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন ‘কীভাবে চলে আর চালাতে
হয় সেটা সকলেই জানে, বিষয়টি প্রশাসনও জানে। আপনারাও জানেন। এটা নতুন কিছু নয়’।

গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতম সাহা জানান, বিশেষ কারণে ইটভাটগুলো স্থাপিত হয়েছে।
এটা পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি সরুপ। তবে কীভাবে ভাটাগুলো চলতে তা দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মাসখানেক আগেও আপনি ব্যবস্থা নেয়ার আশ^াস দিয়েছিলেন কিন্তু কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি, এমন
কথার কোন জবাব মেলেনি।

 

বিষয়ঃ

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।