সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ঢাকা-চট্টগ্রাম জ্বালানি তেল পাইপলাইন জানুয়ারিতে চালু হবে

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান আমিন উল আহসান বাসস’কে বলেন, ‘পাইপলাইনটি শুধু জ্বালানি তেলের নিরাপদ পরিবহন নিশ্চিত করবে না, বরং খরচ ও জ্বালানি তেলের অপব্যবহারও দূর করবে।’ তিনি বলেন, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পর্যন্ত ২৫০ কিলোমিটারের এই জ্বালানি তেল পরিবহন পাইপলাইন বসাতে ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ৬৯৮ কোটি টাক। দেশের প্রথম ঢাকা-চট্টগ্রাম জ্বালানি তেল পরিবহন পাইপলাইন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৩:১৭

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান আমিন উল আহসান বাসস’কে বলেন, ‘পাইপলাইনটি শুধু জ্বালানি তেলের নিরাপদ পরিবহন নিশ্চিত করবে না, বরং খরচ ও জ্বালানি তেলের অপব্যবহারও দূর করবে।’ তিনি বলেন, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পর্যন্ত ২৫০ কিলোমিটারের এই জ্বালানি তেল পরিবহন পাইপলাইন বসাতে ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ৬৯৮ কোটি টাক।

দেশের প্রথম ঢাকা-চট্টগ্রাম জ্বালানি তেল পরিবহন পাইপলাইন ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে চালু হতে যাচ্ছে। এটি বাণিজ্যিকভাবে চালু হবে এপ্রিল থেকে। এতে বার্ষিক পরিবহন খরচ সাশ্রয় হবে ২৩৬ কোটি টাকা।

বড় ধরনের জটিলতা দেখা না দিলে, এটি ২৫ বছর ধরে বার্ষিক ৫৪ লাখ টন ডিজেল পরিবহন করার সক্ষমতা রাখবে। রাজধানীতে বছরে মাত্র ২৭ লাখ টন জ্বালানি তেলের প্রয়োজন হয়।’ চেয়ারম্যান জানান, পরিবেশবান্ধব জ্বালানি তেল পরিবহন পাইপলাইনটি দেশের বার্ষিক চাহিদার ৬৫ শতাংশ ডিজেল পরিবহনে করতে হবে।

প্রকল্পের বিবরণ অনুযায়ী, বন্দর নগরীর পতেঙ্গা এলাকা থেকে গোদনাইল এবং পরবর্তিতে রাজধানীর উপকণ্ঠে ফতুল্লা পর্যন্ত প্রথম ভূগর্ভস্থ এই পাইপলাইনটি চালু করলে, প্রতি বছর জ্বালানি তেল পরিবহন খরচ প্রায় ২৩০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম থেকে নদী, রেল ও সড়কপথে দেশের অন্যান্য স্থানে বর্তমানে ডিজেল পরিবহন করা হয়। এই পরিবহন ব্যাবস্থায় প্রায়ই তেল চুরির ঘটনা ঘটছে।

প্রকল্পের বিবরণে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে শুরু হওয়া চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পর্যন্ত পাইপলাইনটি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পাইপলাইনটির মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহ করবে।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে একদিকে যেমন তেল পরিবহনের খরচ কমবে, অন্যদিকে সরবরাহ ব্যবস্থা সহজ হওয়ার পাশাপাশি, পরিবেশ দূষণ রোধ করাও সম্ভব হবে।

প্রকল্পের নথি অনুসারে, ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়। তবে পেট্রোল ও অকটেন আগের মতো পুরোনো পদ্ধতিতেই যেমন- রেলওয়ে ওয়াগন ও নদীপথে ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে পরিবহন অব্যাহত থাকবে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড দ্বারা বাস্তবায়িত প্রকল্পটি ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে ২৫০ কিলোমিটার, কুমিল্লা ও চাঁদপুরের মধ্যে ৫৯ কিলোমিটার এবং ফতুল্লা থেকে গোদনাইল ডিপো পর্যন্ত ৮.৫ কিলোমিটার জুড়ে রয়েছে।

পাইপলাইন প্রকল্পটির অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে- জ্বালানি তেল খালাশের সময় তেল চুরি ও আশেপাশের সিন্ডিকেটের কারসাজি প্রতিরোধ করা। বিশেষ করে গোদনাইল ডিপোতে খালাসের সময় এধরনের ঘটনা ঘটে। জাহাজ মালিক ও সিন্ডিকেটের বাধাবিপত্তি সত্ত্বেও, পাইপলাইনটির কাজ এখন সম্পন্ন হতে চলেছে।

সেচ মৌসুমের প্রস্তুতিতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে উত্তরের পরিবেশকদের নিযুক্ত করা হচ্ছে।

দেশের শস্যভাণ্ডার হিসেবে খ্যাত উত্তরাঞ্চলের জ্বালানি পরিবহন ইতোপূর্বে বাঘাবাড়ির পণ্যবাহী জাহাজ ও ট্যাঙ্ক লরি বা রেলপথের উপর নির্ভরশীল হওয়ায়, কার্যত তাদের কাছে জিম্মি ছিল। এসব ব্যবস্থায় এ অঞ্চলের জ্বালানি তেল পরিবহন অহরহ বিভিন্ন লজিস্টিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে।

বাংলাদেশ জ্বালানি তেল উৎপাদন করে না, তাই বেশিরভাগই আমদানি করতে হয়। প্রধান নদী বন্দরে নৌ-চলাচলের চ্যালেঞ্জের কারণে পণ্যবাহী জাহাজের উপর নির্ভর করে জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। পাইপলাইন এই নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি, দেশের জ্বালানি তেল সরবরাহের গতি সহজ ও ত্বরান্বিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মায়ের গলিত লাশ উদ্ধার, মুখ খুললেন বুয়েট অধ্যাপক ছেলে: আমার মা সিজোফ্রেনিয়ার রোগে আক্রান্ত

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৯

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই দাবি করেন।

৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ গত ৩১ মে রাতে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মেয়ে ফাতিমা নাসরীন সুলতানার সঙ্গে বসবাস করতেন। মরদেহ উদ্ধারের পর বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বৃদ্ধার এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের যুগ্ম সচিব। আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক। তারা মায়ের কাছে থাকতেন না।

নিহতের ছেলে বুয়েটের অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান বলেন, মায়ের মৃত্যুতে পরিবার এমনিতেই মানসিক আঘাতের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার তাদের আরও বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মায়ের অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় মা তার সঙ্গেই ছিলেন। করোনাকালেও তিনি মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ২০২৪ সাল থেকে মা তার মেয়ের সঙ্গে থাকছিলেন।

তিনি জানান, তাদের বাবা মো. আবুল কাশেম ২০০৮ সালে মারা যান। ২০১৭ সালে ফাতিমা নাসরীনের স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই মায়ের দেখাশোনা করছিলেন। ফাতিমা নাসরীনের কোনো সন্তান নেই। তার মায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহপ্রবণতা ছিল, যা সিজোফ্রেনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে।

একইভাবে স্বামী হারানোর পর তার বোনও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে তিনি মনে করেন। তবে তাদের কাউকেই কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া হয়নি।

বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সম্পর্কে আশিকুর রহমান বলেন, তার বোন বাইরের গৃহকর্মী রাখতে চাইতেন না। তিনি নিজে কয়েকবার সহায়তার চেষ্টা করলেও তা স্থায়ী হয়নি। এছাড়া মাও অন্যের হস্তক্ষেপ পছন্দ করতেন না। ঘটনার দিন, ৩১ মে বিকেলে ফাতিমা নাসরীন ফোন করে জানান, মায়ের কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর নার্স ডাকা, পুলিশকে অবহিত করা এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত থাকা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামছুর রহমান জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে গিয়ে তিনি বাসাটিকে বসবাসের অনুপযোগী অবস্থায় দেখতে পান। তার দাবি, মরদেহের ডান চোখ ও পিঠে পোকা ছিল। তবে আশিকুর রহমান এ দাবি অস্বীকার করেছেন।

এদিকে পচনধরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মায়ের প্রতি অবহেলার দায়ে ছেলে যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আনিসুর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির জানান, বৃদ্ধা তার মেয়ের বাড়িতে থাকতেন। একটি কক্ষে মা ও আরেকটি কক্ষে মেয়ে। রোববার বৃদ্ধার মেয়ে তাকে ডাকতে যান। সাড়া না পেয়ে তিনি একজন নার্সকে ডেকে আনেন।

তিনি ভেবেছিলেন, মা হয়তো অসুস্থ। পরে ওই নার্স রুমে ঢুকে দেখতে পান, বৃদ্ধা মারা গেছেন এবং শরীরে পচন ধরে মাংস খুলে বিছানায় পড়ে আছে। নার্স তাৎক্ষণিক বাইরে এসে লোকজনকে জানান। স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, বৃদ্ধার মেয়েকে দেখে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। মা ঘরে মরে পচে আছে, অথচ নাকে কোনো গন্ধ পাননি তিনি। বিষয়টি পুলিশকে ভাবিয়ে তুলছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।