সোমবার, ১১ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ইসলাম ও জীবন

আন্তর্জাতিক আরবি ভাষা দিবস আজ

আজ ১৮ ডিসেম্বর, বিশ্ব আরবি ভাষা দিবস। প্রতি বছর এই দিনটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেসকোর) উদ্যোগে পালিত হয়। ২০১২ সাল থেকে আন্তর্জাতিকভাবে এই দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে, এবং এর প্রতিপাদ্য প্রতি বছর পরিবর্তিত হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হলো, আরবি ভাষা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে উদ্ভাবনের অগ্রগতি। এর মাধ্যমে আরবি ভাষার […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৯:০৮

আজ ১৮ ডিসেম্বর, বিশ্ব আরবি ভাষা দিবস। প্রতি বছর এই দিনটি জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেসকোর) উদ্যোগে পালিত হয়। ২০১২ সাল থেকে আন্তর্জাতিকভাবে এই দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে, এবং এর প্রতিপাদ্য প্রতি বছর পরিবর্তিত হয়।

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হলো, আরবি ভাষা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে উদ্ভাবনের অগ্রগতি। এর মাধ্যমে আরবি ভাষার গুরুত্ব এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা হচ্ছে।

আরবি ভাষা জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষাগুলোর মধ্যে ষষ্ঠ ভাষা হিসেবে ১৯৭৩ সালের এই দিনে মর্যাদা লাভ করে। অন্যান্য দাপ্তরিক ভাষাগুলোর (ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ, চাইনিজ, রুশ) মতো আরবি ভাষারও দিবস উদযাপনের জন্য এই দিনটি নির্ধারণ করা হয়।

বিশ্ব আরবি ভাষা দিবস উপলক্ষে প্রতি বছর ইউনেসকোর সদরদপ্তরে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এ বছর সৌদি দাতব্য সংস্থা সুলতান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ইউনেসকোর সদরদপ্তরে বিশেষ এক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে।

আরবি ভাষা বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম সর্বাধিক প্রচলিত ভাষা, যা আরববিশ্বের ২৫টি দেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ইসলাম ধর্মের পবিত্র কোরআন, হাদিস এবং মুসলিম মনীষী ও বিজ্ঞানীদের রচনাও এই ভাষায় লেখা হয়েছে। কয়েক হাজার বছর পরেও, আরবি ভাষা তার ঐতিহ্য ও মহিমা ধরে রেখেছে এবং বিশ্বব্যাপী গুরুত্ব বহন করছে।

বিশ্ব আরবি ভাষা দিবস আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, ভাষা শুধু যোগাযোগের একটি মাধ্যম নয়, এটা একটি জাতির সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের প্রতীক।

ইসলাম ও জীবন

সৌদিতে চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে রোজা শুরু

সৌদি আরবে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেশটির সরকার পবিত্র রমজান মাস শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। তারা বলেছে, চাঁদের দেখা মেলায় কাল বুধবার প্রথম রোজা হবে। ‘হারামাইন’ নামে ওয়েবসাইট থেকে বলা হয়েছে, “সৌদি আরবে আনুষ্ঠানিকভাবে অর্ধচন্দ্রের দেখা মিলেছে। ফলে আজ রাত থেকে ১৪৪৭ হিজরির পবিত্র রমজান মাস শুরু।” “তারা […]

সৌদিতে চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে রোজা শুরু

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৩৮

সৌদি আরবে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেশটির সরকার পবিত্র রমজান মাস শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। তারা বলেছে, চাঁদের দেখা মেলায় কাল বুধবার প্রথম রোজা হবে।

‘হারামাইন’ নামে ওয়েবসাইট থেকে বলা হয়েছে, “সৌদি আরবে আনুষ্ঠানিকভাবে অর্ধচন্দ্রের দেখা মিলেছে। ফলে আজ রাত থেকে ১৪৪৭ হিজরির পবিত্র রমজান মাস শুরু।”

“তারা আরও বলেছে, মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সিয়াম, কিয়াম এবং ইবাদত কবুল করুক। এবং তিনি যেন আমাদের এই বরকতময় মাসের মূল্যবান মুহূর্তগুলোকে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের কাজে ব্যয় করার তাওফিক দান করেন। আমীন।”

ইসলাম ও জীবন

ঐতিহাসিক বদর দিবস আজ, ইসলামের প্রথম বিজয়

রমজানের নীরব আকাশের নিচে ইতিহাসের কিছু দিন এমন আছে, যেগুলো কেবল ক্যালেন্ডারের একটি তারিখ নয়, বরং একটি জাতির আত্মপরিচয়ের দীপ্ত অধ্যায়। মুসলিম ইতিহাসে তেমনই এক দিন বদর দিবস। মরুপ্রান্তরের এক অনাড়ম্বর ভূমিতে সংঘটিত সেই ঘটনাটি কেবল একটি যুদ্ধের কাহিনি নয়, এটি ঈমানের দৃঢ়তা, নৈতিক সাহস এবং আল্লাহর উপর অবিচল আস্থার এক অনন্য দলিল। হিজরি দ্বিতীয় […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ মার্চ ২০২৬, ১৩:২২

রমজানের নীরব আকাশের নিচে ইতিহাসের কিছু দিন এমন আছে, যেগুলো কেবল ক্যালেন্ডারের একটি তারিখ নয়, বরং একটি জাতির আত্মপরিচয়ের দীপ্ত অধ্যায়।

মুসলিম ইতিহাসে তেমনই এক দিন বদর দিবস। মরুপ্রান্তরের এক অনাড়ম্বর ভূমিতে সংঘটিত সেই ঘটনাটি কেবল একটি যুদ্ধের কাহিনি নয়, এটি ঈমানের দৃঢ়তা, নৈতিক সাহস এবং আল্লাহর উপর অবিচল আস্থার এক অনন্য দলিল।

হিজরি দ্বিতীয় সনের ১৭ রমজান। আরবের উত্তপ্ত বালুকাময় ভূমিতে মদিনা থেকে অগ্রসর হচ্ছিলেন নবী করিম সা. এবং তার অল্পসংখ্যক সাহাবি। তাদের সংখ্যা মাত্র তিন শতাধিক ইতিহাসে যাদের পরিচয় বদরী সাহাবি নামে অমর হয়ে আছে।

অপরদিকে মক্কার কুরাইশরা এসেছিল প্রায় এক হাজার যোদ্ধার সুসজ্জিত বাহিনী নিয়ে। অস্ত্র, অশ্বারোহী শক্তি এবং সামরিক প্রস্তুতিতে তারা ছিল বহুগুণ শক্তিশালী। কিন্তু সেই অসম বাস্তবতার মাঝেও মুসলমানদের হৃদয়ে ছিল এক অদৃশ্য শক্তি ঈমানের দীপ্তি এবং আল্লাহর প্রতি পূর্ণ নির্ভরতা।

মদিনা থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ঐতিহাসিক প্রান্তর এ এসে মুখোমুখি দাঁড়ায় দুই শক্তি একদিকে অহংকার ও ক্ষমতার প্রাচুর্য, অন্যদিকে সত্য ও বিশ্বাসের অটল প্রত্যয়। ইসলামের ইতিহাসে এই দিনটিকে বলা হয়েছে ইয়াওমুল ফুরকান সত্য ও মিথ্যার পার্থক্যের দিন।

যুদ্ধের প্রাক্কালে নবী মুহাম্মদ সা. গভীর আকুতিতে আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছিলেন। ইতিহাসের বর্ণনায় আছে, তিনি দু’হাত উঁচু করে প্রার্থনা করেছিলেন যদি এই ক্ষুদ্র দলটি আজ পরাজিত হয়, তবে পৃথিবীতে আল্লাহর ইবাদতকারী আর কেউ অবশিষ্ট থাকবে না। সেই মুহূর্তে তার দোয়ার আবেগ, সাহাবিদের অটল আস্থা এবং মরুর নিস্তব্ধতার ভেতর এক আধ্যাত্মিক আবহ সৃষ্টি হয়েছিল, যা মুসলিম চেতনার ইতিহাসে এক অনন্য দৃশ্য হয়ে আছে।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা সেই দিনটির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “আল্লাহ তো বদরের যুদ্ধে তোমাদের সাহায্য করেছিলেন, অথচ তোমরা ছিলে দুর্বল।”

এই আয়াত শুধু একটি বিজয়ের স্মৃতি নয়, এটি মুসলিম সভ্যতার এক গভীর দার্শনিক সত্যকে তুলে ধরে মানবিক শক্তির সীমাবদ্ধতার ওপরে আছে ঈমানের শক্তি এবং আল্লাহর সাহায্য। ইসলামী ঐতিহ্যে বলা হয়, সেই যুদ্ধে ফেরেশতাদের সহায়তা নেমে এসেছিল, যা বদরের বিজয়কে কেবল সামরিক সাফল্য নয়, বরং আধ্যাত্মিক জয়ের প্রতীক করে তুলেছে।

বদরের বিজয় মুসলিম সমাজের জন্য ছিল এক ঐতিহাসিক মোড়। মক্কায় দীর্ঘ নির্যাতন ও বঞ্চনার ইতিহাস পেরিয়ে মদিনায় নবগঠিত মুসলিম সমাজ তখনো ছিল নাজুক অবস্থায়। কিন্তু এই বিজয় তাদের আত্মবিশ্বাসকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেয়। আরবের রাজনৈতিক বাস্তবতায় মুসলমানদের উপস্থিতি তখন আর উপেক্ষা করার মতো ছিল না। বদরের মরুপ্রান্তরেই যেন ইতিহাস প্রথমবারের মতো ঘোষণা করেছিল একটি নতুন সভ্যতার সূচনা হয়েছে।

তবে বদরের প্রকৃত মাহাত্ম্য কেবল বিজয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। যুদ্ধশেষে নবী করিম সা. বন্দিদের প্রতি যে মানবিক আচরণ প্রদর্শন করেছিলেন, তা ইতিহাসে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।

অনেক বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল শিক্ষাদানের বিনিময়ে যা প্রমাণ করে, ইসলামের নৈতিকতা যুদ্ধের উত্তেজনাকেও অতিক্রম করে মানবতার মর্যাদাকে অগ্রাধিকার দেয়।

আজও রমজানের দিনগুলো যখন ফিরে আসে, মুসলিম হৃদয়ে বদর দিবস নতুন করে জেগে ওঠে। এটি কেবল অতীতের একটি যুদ্ধকে স্মরণ করা নয়, বরং একটি আদর্শকে পুনরুজ্জীবিত করা যেখানে সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর সাহস, ন্যায়ের জন্য আত্মত্যাগ এবং আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থা একত্রে ইতিহাস রচনা করে।

বদরের মরুপ্রান্তরে যে আলোকরেখা উদিত হয়েছিল, তা পরবর্তীকালে সমগ্র আরব উপদ্বীপ পেরিয়ে বিশ্বসভ্যতার দিগন্তে ছড়িয়ে পড়ে। সেই আলো আজও মুসলিম উম্মাহকে স্মরণ করিয়ে দেয় সংখ্যা নয়, সম্পদ নয়, বরং ঈমান, আদর্শ এবং নৈতিক দৃঢ়তাই ইতিহাসের গতিপথ পরিবর্তনের প্রকৃত শক্তি।

বদর তাই কেবল অতীতের একটি ঘটনা নয়, এটি মুসলিম চেতনার এক চিরন্তন প্রতীক যেখানে মরুর নীরবতার মধ্যেই প্রথমবারের মতো উচ্চারিত হয়েছিল এক নতুন ইতিহাসের সূচনা।

লেখক: শিক্ষার্থী আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়,কায়রো, মিশর

ইসলাম ও জীবন

সন্ধ্যায় বৈঠকে বসছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি

বাংলাদেশে কবে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে, তা জানা যাবে আজ সন্ধ্যায়। শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা ও ঈদের তারিখ নির্ধারণের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যা ছয়টায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অবস্থিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সম্মেলনকক্ষে এই বৈঠক থেকে ঈদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। আজ দেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেলে […]

নিউজ ডেস্ক

১৯ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৯

বাংলাদেশে কবে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে, তা জানা যাবে আজ সন্ধ্যায়। শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা ও ঈদের তারিখ নির্ধারণের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যা ছয়টায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অবস্থিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সম্মেলনকক্ষে এই বৈঠক থেকে ঈদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

আজ দেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল শুক্রবার সারাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে। আর চাঁদ দেখা না গেলে ঈদ হবে শনিবার।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, দেশের কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ নম্বরে জানাতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও (ইউএনও) বিষয়টি জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ও মাস নির্ধারণ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। এ নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করে সঠিক তথ্য জানানোর জন্য জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বিনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগ কমিটির কার্যক্রম পরিচালনা করে। ১৭ সদস্যের এই কমিটির বৈঠক আরবি মাসের প্রতি ২৯ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়।

কমিটিতে কারা থাকেন

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন—ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব, তথ্যসচিব, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব, বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসনের প্রশাসক, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, বাংলাদেশ

টেলিভিশনের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ঢাকার জেলা প্রশাসক, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার অধ্যক্ষ, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব, লালবাগ শাহী জামে মসজিদের খতিব, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের খতিব এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক।

এছাড়া প্রতিটি জেলায় জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে সাত সদস্যের উপ-কমিটিও রয়েছে।

কীভাবে কাজ করে কমিটি

চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে ধর্মমন্ত্রী উপস্থিত থাকলে তিনিই সভা শুরু করেন। তিনি না থাকলে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব দায়িত্ব পালন করেন।

বৈঠকের শুরুতে মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে চাঁদের সম্ভাব্য অবস্থান ও বয়স সম্পর্কে তথ্য নেওয়া হয়। এরপর আবহাওয়া অধিদপ্তরের কাছ থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়ার অবস্থা—কোথায় আকাশ পরিষ্কার, কোথায় মেঘ রয়েছে—এসব জানা হয়।

এরপর মূলত দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে চাঁদ দেখার তথ্য আসার জন্য অপেক্ষা করে কমিটি। জেলা প্রশাসন বা স্থানীয় চাঁদ দেখা কমিটি থেকে তথ্য পাওয়ার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কমিটির সদস্যরা বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য ভাতা হিসেবে নির্ধারিত অর্থ পান।