বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মাদ্রাসায় ১৬ বছরের ছাত্রীর মৃত্যু, মৃত্যুর কারণ জানতে মরদেহ ফরেনসিকে

নাটোরের গুরুদাসপুরে আবাসিক একটি মহিলা হাফেজিয়া মাদ্রাসা থেকে ১৬ বছর বয়সী এক ছাত্রীর অচেতন মরদেহ উদ্ধারের পর তাঁর মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে নাজিরপুর ইউনিয়নের শ্যামপুর ওয়াপদা বাজার এলাকার হযরত রাবেয়া বসরী (রহ.) মহিলা হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক ওই ছাত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত […]

মাদ্রাসায় ১৬ বছরের ছাত্রীর মৃত্যু, মৃত্যুর কারণ জানতে মরদেহ ফরেনসিকে

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:৫৪

নাটোরের গুরুদাসপুরে আবাসিক একটি মহিলা হাফেজিয়া মাদ্রাসা থেকে ১৬ বছর বয়সী এক ছাত্রীর অচেতন মরদেহ উদ্ধারের পর তাঁর মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে নাজিরপুর ইউনিয়নের শ্যামপুর ওয়াপদা বাজার এলাকার হযরত রাবেয়া বসরী (রহ.) মহিলা হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক ওই ছাত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের পর মরদেহ রাজশাহীর ফরেনসিক বিভাগে পাঠিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরী মাদ্রাসাটির আবাসিক ছাত্রী ছিলেন। সেখানে থেকে তিনি পবিত্র কোরআন হিফজ করছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে মাদ্রাসা থেকে তাঁকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর মা ও খালু তাঁকে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ছাত্রীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মৃত্যুর কারণ নিয়েও ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, হাসপাতালে নেওয়ার সময় ছাত্রীর মা মাদ্রাসার গোসলখানায় পড়ে গিয়ে আহত হওয়ার কথা বলেছিলেন। আবার তাঁকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার কথাও বলা হয়েছে। তবে এসব তথ্যের কোনোটিই এখনো নিশ্চিত নয়।

ঘটনার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাদ্রাসার সুপার ও তাঁর স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নাটোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

নাটোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। নিহত ছাত্রীর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মাদ্রাসার সুপার ও তাঁর স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। মৃত্যুর বিষয়টি রহস্যজনক হওয়ায় ময়নাতদন্তের পর মরদেহ রাজশাহীর ফরেনসিক বিভাগে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের সময় নিহত ছাত্রীর মা ও স্বজনেরা আপত্তি জানিয়েছিলেন। তবে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করে।

নিহত ছাত্রীর মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার মেয়েকে খুন করা হয়েছে। সেই বিচার আমি আল্লাহর কাছে দিলাম।’তবে তাঁর এই অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ পাওয়ার কথা জানায়নি পুলিশ।

নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বলেন, ওই হাফেজিয়া মাদ্রাসায় বেশ কয়েকজন ছাত্রী আবাসিক থেকে কোরআন হিফজ করছেন। মাদ্রাসার ভেতরে এক ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি খবর পেয়েছেন। এটি হত্যা, আত্মহত্যা নাকি দুর্ঘটনা—তদন্তের আগে তা বলা সম্ভব নয়। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।

গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হান্নান বলেন, পরিবারের অসম্মতি থাকলেও সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ জানতে মরদেহ রাজশাহীর ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পরই ওই ছাত্রীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।