শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী

দেশে চলমান গ্যাস সংকট নিরসনে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে গ্যাস পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হতে পারে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানে ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও মন্দিরে আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির […]

পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৯

দেশে চলমান গ্যাস সংকট নিরসনে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে গ্যাস পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হতে পারে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানে ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও মন্দিরে আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দলের স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

গ্যাস সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদেশ থেকে আমদানি করা গ্যাস সংরক্ষণের জন্য সাগরে দুটি জাহাজ রয়েছে, যেগুলোর মালিকানা বিদেশি কোম্পানির। এর মধ্যে একটি জাহাজ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অন্যটির ওপর চাপ বেড়েছে এবং পাইপলাইনে সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে।

তিনি বলেন, গত সপ্তাহ থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে এবং ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। আরও পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

গ্যাসের অবৈধ ব্যবহার নিয়েও সতর্ক করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, তেলের মতো গ্যাসের ক্ষেত্রেও একটি অসাধু চক্র তৈরি হয়েছে। তারা বিশেষ মেশিন ব্যবহার করে পাইপলাইন থেকে অবৈধভাবে গ্যাস নিচ্ছে। এতে কেউ ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হলেও অন্যরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। অবৈধভাবে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও তেল নেওয়া বন্ধে সরকারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও ভূমিকা রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশের মানুষ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। দীর্ঘ সময়ের শাসনব্যবস্থার পর পাওয়া এই দায়িত্ব অত্যন্ত কঠিন। তার অভিযোগ, বিগত সময়ে মানুষের ভোট ও মতপ্রকাশের অধিকার কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রের সম্পদ ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার ও বিদেশে পাচার করা হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রকাশিত শ্বেতপত্রের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেখানে বছরে ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সরকার গঠনের পর থেকে এসব অনিয়ম নিয়ন্ত্রণ এবং দেশের সম্পদ জনগণের কল্যাণে ব্যবহারের চেষ্টা চলছে।

সরকারের দুটি প্রধান লক্ষ্যের কথাও তুলে ধরেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, একটি হলো মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং অন্যটি তৃণমূল ও সাধারণ মানুষকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা।

নারীদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নারীদের ডিগ্রি পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগ দিয়েছিলেন। বর্তমান সরকার নারীদের অনার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি জানান, ঢাকা-১৭ আসনে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী নভেম্বর বা ডিসেম্বর থেকে ৪১ লাখ নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ধর্মীয় সম্প্রীতির বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, ধর্মের কারণে সরকারের কাছে কোনো ভেদাভেদ নেই। বিভিন্ন ধর্মের ধর্মগুরুদের সহায়তার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সেই কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। নির্বাচনের আগে দেওয়া অন্যান্য প্রতিশ্রুতিও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।

চলমান বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ সমস্যা শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বের অনেক দেশেই রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি খাতে চাপ তৈরি হয়েছে এবং বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়েছে। সরকার গঠনের ১২ দিনের মাথায় মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরু হওয়ায় দেশের জ্বালানি ব্যবস্থায়ও চাপ পড়ে।

তিনি বলেন, সরকার প্রথমদিকে জ্বালানির দাম না বাড়িয়ে জনগণকে স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা করেছে। বিভিন্ন দেশে তেলের দাম বাড়লেও বাংলাদেশে শুরুতে দাম বাড়ানো হয়নি। তবে কিছু অসাধু ব্যক্তির অপব্যবহারের কারণে পরে সরকার তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে।

দেশে গ্যাস অনুসন্ধান প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মাটিতে গ্যাস থাকতে পারে, তবে এর প্রকৃত অবস্থা এখনও পুরোপুরি জানা যায়নি। তার অভিযোগ, বিগত ১৭ বছরে দেশীয় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানকারী প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে দুর্বল করে জ্বালানি খাতকে বিদেশের ওপর নির্ভরশীল করে তোলা হয়েছিল।

বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বাপেক্সকে সক্রিয় করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্যাস অনুসন্ধান অত্যন্ত ব্যয়বহুল। সরকার ১৩০টি গ্যাসকূপ অনুসন্ধানের উদ্যোগ নিয়েছে। এসব অনুসন্ধানে গ্যাস পাওয়া গেলে দেশের চলমান সংকটের উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।