শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বাংলাদেশ আর কারও অধীনে তার পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করবে না: বিরোধীদলীয় নেতা

বাংলাদেশ আর কোনো দেশের অধীনে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা কারও অধীনতা আর মেনে নেব না। এই দেশ […]

বাংলাদেশ আর কারও অধীনে তার পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করবে না: বিরোধীদলীয় নেতা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩:৫০

বাংলাদেশ আর কোনো দেশের অধীনে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা কারও অধীনতা আর মেনে নেব না। এই দেশ আর কারও অধীনে তার পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করবে না। ওই চ্যাপ্টার ক্লোজ। ওইটা আর রিওপেন হবে না।’

ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখন থেকেই শক্তিশালী নীতিমালা ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় মোকাবিলা করতে হবে। আলোচনা ও মতপার্থক্য থাকবে, তবে সম্পর্ক হতে হবে সমানে সমান।

তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক চাইলে বাংলাদেশও তা চায়। প্রতিবেশী হিসেবে দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকা প্রয়োজন। তবে সত্যিকারের ভালো প্রতিবেশী হতে হলে উভয় পক্ষকেই সদিচ্ছার পরিচয় দিতে হবে।

একাত্তর-পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আওয়ামী লীগের সমালোচনা করেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি অভিযোগ করেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র বিলুপ্ত করে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা এবং রক্ষীবাহিনী গঠনের মাধ্যমে মানুষের কণ্ঠস্বর দমন করা হয়েছিল। রক্ষীবাহিনীর হাতে বহু মানুষ নিহত হলেও সেসব ঘটনার বিচার হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠন ও দুর্ভিক্ষের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন।

পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়েও কথা বলেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব নেওয়ার বছরেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটে। ওই ঘটনার পেছনে কারা ছিল, তা এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি বলে দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় গঠিত দুটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনও প্রকাশ্যে আসেনি বলে অভিযোগ করেন বিরোধীদলীয় নেতা।

দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, অপরাধী, চোর ও লুটেরারাই পালায়; সৎ মানুষ পালায় না। কেউ দেশ ও জাতিকে ভালোবাসলে দেশে থেকে পরিস্থিতির মুখোমুখি হতেন। অপরাধ করলে শাস্তি নিতেন, আর নির্দোষ হলে তা প্রমাণ করতেন।

২০২৪ সালের গণহত্যার বিচার নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন শফিকুর রহমান। তার দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিচার কার্যক্রম যেভাবে এগিয়েছিল, নির্বাচিত সরকারের সময়ে সেই গতি আর দেখা যাচ্ছে না।

দেশের চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের প্রসঙ্গ তুলে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, এর প্রভাবে তৈরি পোশাক খাতের উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে। পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। তাই শিল্প খাত রক্ষায় সরকারকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সংসদে পাস হওয়া কয়েকটি বিল নিয়েও আপত্তির কথা জানান শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, তিনটি বিলের বিরোধিতা করে বিরোধী দল সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে। তার অভিযোগ, এসব আইন জনগণের পরিবর্তে সরকারকে বেশি সুবিধা দেবে।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন নিয়েও আপত্তি জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা দাবি করেন, আইনটি সরাসরি কোরআন ও সুন্নাহর বিরোধী। রাষ্ট্রপতি এই বিলে স্বাক্ষর করবেন না বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।বাংলাদেশ আর কোনো দেশের অধীনে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা কারও অধীনতা আর মেনে নেব না। এই দেশ আর কারও অধীনে তার পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করবে না। ওই চ্যাপ্টার ক্লোজ। ওইটা আর রিওপেন হবে না।’

ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখন থেকেই শক্তিশালী নীতিমালা ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় মোকাবিলা করতে হবে। আলোচনা ও মতপার্থক্য থাকবে, তবে সম্পর্ক হতে হবে সমানে সমান।

তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক চাইলে বাংলাদেশও তা চায়। প্রতিবেশী হিসেবে দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকা প্রয়োজন। তবে সত্যিকারের ভালো প্রতিবেশী হতে হলে উভয় পক্ষকেই সদিচ্ছার পরিচয় দিতে হবে।

একাত্তর-পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আওয়ামী লীগের সমালোচনা করেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি অভিযোগ করেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র বিলুপ্ত করে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা এবং রক্ষীবাহিনী গঠনের মাধ্যমে মানুষের কণ্ঠস্বর দমন করা হয়েছিল। রক্ষীবাহিনীর হাতে বহু মানুষ নিহত হলেও সেসব ঘটনার বিচার হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠন ও দুর্ভিক্ষের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন।

পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়েও কথা বলেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব নেওয়ার বছরেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটে। ওই ঘটনার পেছনে কারা ছিল, তা এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি বলে দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় গঠিত দুটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনও প্রকাশ্যে আসেনি বলে অভিযোগ করেন বিরোধীদলীয় নেতা।

দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, অপরাধী, চোর ও লুটেরারাই পালায়; সৎ মানুষ পালায় না। কেউ দেশ ও জাতিকে ভালোবাসলে দেশে থেকে পরিস্থিতির মুখোমুখি হতেন। অপরাধ করলে শাস্তি নিতেন, আর নির্দোষ হলে তা প্রমাণ করতেন।

২০২৪ সালের গণহত্যার বিচার নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন শফিকুর রহমান। তার দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিচার কার্যক্রম যেভাবে এগিয়েছিল, নির্বাচিত সরকারের সময়ে সেই গতি আর দেখা যাচ্ছে না।

দেশের চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের প্রসঙ্গ তুলে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, এর প্রভাবে তৈরি পোশাক খাতের উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে। পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। তাই শিল্প খাত রক্ষায় সরকারকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সংসদে পাস হওয়া কয়েকটি বিল নিয়েও আপত্তির কথা জানান শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, তিনটি বিলের বিরোধিতা করে বিরোধী দল সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে। তার অভিযোগ, এসব আইন জনগণের পরিবর্তে সরকারকে বেশি সুবিধা দেবে।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন নিয়েও আপত্তি জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা দাবি করেন, আইনটি সরাসরি কোরআন ও সুন্নাহর বিরোধী। রাষ্ট্রপতি এই বিলে স্বাক্ষর করবেন না বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৯৪

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৯৪

রাজনীতি

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য […]

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৮

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে জানিয়ে সারজিস বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইভাবে হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও ফিরিয়ে দিতে হবে।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং প্রধানের আকস্মিক সফর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এখনই ভারতে যেতে হবে পরে গেলে ক্ষতি হবে-এ ধরনের বক্তব্য কোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রকাশ নয়।

এটা ভারতের ‘আধিপত্যবাদের স্টেটমেন্ট’ বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি যে দুটি শক্ত অবস্থানসম্পন্ন বিবৃতি দিয়েছে, তা সাধুবাদ জানাই। তবে, এসব অবস্থান শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

এসময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সুজা উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা রিফাত রশিদ, আবু বাকের মজুমদারসহ এনসিপির কক্সবাজারের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৯৪

রাজনীতি

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান। দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও […]

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৫৫

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান।

দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত নেপালের প্রেসিডেন্ট মাওলানা শফীকুর রহমান কাসেমী।

মামুনুল হকের সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি মাওলানা শায়খ সালেহ আহমাদ হামিদী এবং জাতীয় উলামা কাউন্সিল বাংলাদেশের সহসভাপতি মুফতি মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।

দুই দিনের সফর শেষে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আল্লামা মামুনুল হকের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

দলের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৩০