ইরান সফরের আগে গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছে, ফোনালাপে ট্রাম্প ও আসিম মুনির ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।
সোমবার ইরানের রাজধানী তেহরানে পৌঁছে দেশটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মেজর জেনারেল মোহসেন রেজায়ির সঙ্গেও বৈঠক করেন।
বৈঠকে মোহসেন রেজায়ি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের আচরণ পরিবর্তন করতে হবে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরানের ভূমিকার কথা তুলে ধরে ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকের শর্ত বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের সঙ্গেও বৈঠক করেন আসিম মুনির। এ সময় গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গত জুনে স্বাক্ষরিত ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকের প্রতিশ্রুতি বারবার লঙ্ঘনের অভিযোগ করেন।
সমঝোতা স্মারকটির মূল লক্ষ্য ছিল পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের অবসান এবং হরমুজ প্রণালি ও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন বিষয়ে কারিগরি আলোচনার সুযোগ তৈরি করা।
গালিবাফ বলেন, সমঝোতা স্মারকে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দায়িত্ব স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। তার অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার পথে বাধা সৃষ্টি করেছে এবং দেশটির প্রতি অবিশ্বাস আরও বাড়িয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইরান এখনও সমঝোতা স্মারকের শর্ত বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে এবং বাইরের কোনো চাপ দেশটির অবস্থান পরিবর্তন করতে পারছে না।
বৈঠকে আসিম মুনিরও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার কথা জানান।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?