মানবাধিকার ইস্যুতে ফ্রান্সসহ পশ্চিমা দেশগুলোর কঠোর সমালোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। এসব দেশের অবস্থানকে তিনি ‘লজ্জাজনক দ্বিমুখী নীতি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
বুধবার (১২ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের যুদ্ধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নিয়ে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর সমালোচনার জবাবে আরাঘচি এই প্রতিক্রিয়া জানান।
আরাঘচি বলেন, ফ্রান্সের মতো দেশগুলোর উচিত বিশ্ববাসীকে মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কে নীতিকথা বলা বন্ধ করা। তাদের অবস্থানের দ্বিমুখী চরিত্র এখন স্পষ্ট এবং তা অত্যন্ত লজ্জাজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন এবং ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার মাধ্যমে পশ্চিমা দেশগুলো তাদের নৈতিক অবস্থান অনেকটাই নষ্ট করেছে।
এর আগে বুধবার ফ্রান্স জানায়, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ (ইইউ) আরও ২০টি দেশ ইরানে বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। যৌথ বিবৃতিতে ইরানের প্রতি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর বন্ধ, বেআইনিভাবে আটক ব্যক্তিদের মুক্তি এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
পশ্চিমা দেশগুলোর এই যৌথ বিবৃতির পরই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাদের অবস্থানের কঠোর সমালোচনা করেন। তাঁর বক্তব্যে মূলত ইরানের অভ্যন্তরীণ মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে পশ্চিমাদের উদ্বেগ এবং গাজা ও ইরান-সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের নীতির মধ্যে বৈপরীত্যের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?