বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর অন্যতম নৃশংস স্বৈরাচারী শাসনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের মানুষ পেয়েছে। আয়নাঘরে কাটানো সময়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, সেই পরিবেশ ছিল এতটাই অমানবিক যে সেখানে টিকে থাকাই ছিল কঠিন।
তিনি আরও বলেন, প্রয়াত মীর কাসেম আলীর ছেলে ব্যারিস্টার আরমান এখনো সেই সময়ের মানসিক আঘাত বহন করছেন। মীর কাসেম আলীর সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে ফিরে আসার পেছনে পরিবারের নিরাপত্তার বিষয়টি বড় কারণ ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি নিজের জীবন যেমন রক্ষা করতে পারেননি, তেমনি পরিবারের সদস্যরাও নিরাপদ থাকেননি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এটি কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর একক অর্জন নয়; বরং বাংলাদেশের মানুষের সম্মিলিত সংগ্রামের ফল। তাই এই আন্দোলনের ইতিহাসকে দলীয়করণ না করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা একটি জাতির গতিপথ বদলে দেয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানও তেমনই একটি অধ্যায়। এ অর্জনকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো চেতনাকে রাজনৈতিক পণ্যে পরিণত করা উচিত নয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, অতীতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের কারণে মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছিল। জুলাইয়ের চেতনাকে নিয়েও যেন একই পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি বলেন, জুলাই বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের। কেউ নেতৃত্ব দিয়েছেন, কেউ আন্দোলন সংগঠিত করেছেন, তবে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তারাই প্রকৃত জুলাই যোদ্ধা ও আন্দোলনের প্রকৃত নায়ক।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আয়নাঘরে তার ৬১ দিনের অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। তার ভাষায়, ‘যেখানে একটি জানোয়ারও ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না, সেখানে আমরা ৬১ দিন ছিলাম।’
বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর অন্যতম নৃশংস স্বৈরাচারী শাসনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের মানুষ পেয়েছে। আয়নাঘরে কাটানো সময়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, সেই পরিবেশ ছিল এতটাই অমানবিক যে সেখানে টিকে থাকাই ছিল কঠিন।
তিনি আরও বলেন, প্রয়াত মীর কাসেম আলীর ছেলে ব্যারিস্টার আরমান এখনো সেই সময়ের মানসিক আঘাত বহন করছেন। মীর কাসেম আলীর সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে ফিরে আসার পেছনে পরিবারের নিরাপত্তার বিষয়টি বড় কারণ ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি নিজের জীবন যেমন রক্ষা করতে পারেননি, তেমনি পরিবারের সদস্যরাও নিরাপদ থাকেননি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এটি কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর একক অর্জন নয়; বরং বাংলাদেশের মানুষের সম্মিলিত সংগ্রামের ফল। তাই এই আন্দোলনের ইতিহাসকে দলীয়করণ না করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা একটি জাতির গতিপথ বদলে দেয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানও তেমনই একটি অধ্যায়। এ অর্জনকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো চেতনাকে রাজনৈতিক পণ্যে পরিণত করা উচিত নয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, অতীতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের কারণে মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছিল। জুলাইয়ের চেতনাকে নিয়েও যেন একই পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি বলেন, জুলাই বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের। কেউ নেতৃত্ব দিয়েছেন, কেউ আন্দোলন সংগঠিত করেছেন, তবে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তারাই প্রকৃত জুলাই যোদ্ধা ও আন্দোলনের প্রকৃত নায়ক।