মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় মাত্র আধা কিলোমিটার ব্যবধানে দুটি স্থানে টোল আদায়কে কেন্দ্র করে অসন্তোষ বাড়ছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) পার্কিং ইয়ার্ডে প্রচলিত টোলের পাশাপাশি সংযোগ সড়কেও নতুন করে টোল চালু হওয়ায় দর্শনার্থী, স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, এ ব্যবস্থার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে শিমুলিয়া ঘাটকেন্দ্রিক পর্যটন ও স্থানীয় ব্যবসায়।
এ বিষয়ে ইজারাদার আলমগীর হোসেন বলেন, দুটি টোলই বৈধভাবে আদায় করা হচ্ছে। সরকারের কাছ থেকে নিয়ম মেনেই দুটি ইজারা নেওয়া হয়েছে।
শিমুলিয়া ঘাটের বন্দর কর্মকর্তা নেওয়াজ মোহাম্মদ জানান, নতুন ব্যবস্থায় আগের তুলনায় ১০ থেকে ২০ টাকা টোল বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এটিকে চাঁদাবাজি বা অবৈধ আদায় হিসেবে উপস্থাপনের সুযোগ নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।
লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ববি মিতু বলেন, চলতি বছর নতুন সংযোগ সড়ক ব্যবহারের জন্য বিআইডব্লিউটিএ পৃথকভাবে টোল ইজারা দিয়েছে। তবে কাছাকাছি দুটি টোল প্লাজা থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
বিষয়টি বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসক বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ-২ (লৌহজং-টঙ্গীবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য আবদুস সালাম আজাদ বলেন, “মাত্র ৫০০ মিটার ব্যবধানে দুটি টোল কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। এটি মহাসড়কও নয়, একটি ফিডার সড়ক। অতিরিক্ত এই টোল ব্যবস্থা প্রত্যাহারের জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করছি।”