জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই শহীদ সাংবাদিক এটিএম তুরাবসহ শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, সেই আত্মত্যাগের পরও কিছু রাজনৈতিক দল ফ্যাসিবাদী ধারা লালন করতে চায়।
রোববার সকালে সিলেটের বিয়ানীবাজার পৌরশহরের ফতেহপুরে পারিবারিক কবরস্থানে সাংবাদিক এটিএম তুরাবের কবর জিয়ারতকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তুরাব হত্যা একটি পরিকল্পিত ও লক্ষ্যভিত্তিক হত্যাকাণ্ড। এ ঘটনার বিচার এখনো সম্পন্ন না হওয়ায় তা জাতির জন্য উদ্বেগের বিষয়। তিনি রাজনীতি ও দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে তুরাবসহ নিহতদের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা জানানোর আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, একজন পুলিশ কর্মকর্তার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়ে তুরাব নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই কর্মকর্তার উদ্দেশ্য কী ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন হওয়া প্রয়োজন। নিহতের শরীরে বিপুল সংখ্যক স্প্লিন্টার পাওয়া গেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
কবর জিয়ারত শেষে ডা. শফিকুর রহমান শহীদ তুরাবের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
এর আগে তিনি কসবা গ্রামে সাহিত্যিক আবদুল হেকীম তাপাদার, কালাইউরা গ্রামে তাঁর শ্বশুর ডা. আজিজুর রহমান এবং প্রবীণ জামায়াত নেতা আব্দুল খালিক মহুরীর কবর জিয়ারত করেন।
এ সময় সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির ফখরুল ইসলাম, জেলা আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন, সমাজসেবা সম্পাদক মাওলানা ফয়জুল ইসলাম, উপজেলা আমির মোস্তফা উদ্দিন, নায়েবে আমির আবুল খায়ের, পৌর আমির জমির হোসাইন, নায়েবে আমির সৈয়দ আবু কয়ছর কাজল, সেক্রেটারি ছাদ উদ্দিনসহ দলটির স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।