শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

রাজনীতির মূলমন্ত্র আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করতো না: পার্থ

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেছেন, আওয়ামী লীগের মতো দল মাস শেষ হয়ে গেল, একটা নেতাকর্মী অফিস তো দূরের কথা, একটা মুরগিরও ক্ষোভ পেল না। আওয়ামী লীগের রাজনীতিটাই শত্রু আর ষরযন্ত্র। আমরা যখনই যা কিছু করতা তা ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা হতো। রাজনতির যে মূলমন্ত্র সেগুলো আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করতো না। একটি বেসরকারি […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৪:১৪

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেছেন, আওয়ামী লীগের মতো দল মাস শেষ হয়ে গেল, একটা নেতাকর্মী অফিস তো দূরের কথা, একটা মুরগিরও ক্ষোভ পেল না। আওয়ামী লীগের রাজনীতিটাই শত্রু আর ষরযন্ত্র। আমরা যখনই যা কিছু করতা তা ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা হতো। রাজনতির যে মূলমন্ত্র সেগুলো আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করতো না।

একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেন আন্দালিভ রহমান পার্থ।

তিনি বলেন, ‘রাজনীতিতে ফেরা খুবই ডিফিকাল্ট ফর আওয়ামী লীগ, পলিটিকালি ভাবনায়। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কোনও কমিটমেন্ট নেই, কমিটমেন্ট ছিল পাওয়ারের উপরের, কমিটমেন্ট ছিল শুধুমাত্র অর্থের উপরই। আওয়ামী লীগের যে সাম দাম দণ্ড রাজনীতি বন্ধ করে সেগুলো বিশ্বাস করত না।

সলিমুল্লাহ স্যার বলেছেন যে আওয়ামী লীগ কোনও দিন ফিরে না আসলে, উনার লেখা পড়াই বৃথা। নানক সাহেব রহমান, দীপু মনি যারা আছেন তাদের কারোই গ্রহণযোগ্যতা জনগণের কাছে নাই।

অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতির ভবিষ্যৎ কি, তাদের ফিরে আসার সম্ভাবনা কতটুকু আর ফিরে আসলেও নেতৃত্বে কারা থাকতে পারেন? এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি আওয়ামী পরিবারের সদস্য না। আওয়ামী লীগ আমার আত্মীয়, আমার পরিবার, আমার, আমার ফ্যামিলি আমার বাবার সাইট আলাদা। কারণ, ভবিষ্যদ্বাণী তো আমরা করতে পারি না।

আমরা পলিটিশিয়ান আমরা এনালাইসিস করতে পারি। আমাদের এক্সপেরিয়েন্স থেকে আমরা ক্যালকুলেশন করতে পারি। ভবিষ্যৎ তো আল্লাহর হাতে, এটা আমরা জানি না। আমি মনে করি এই প্রশ্নটা আজকে আওয়ামী লীগের যতো লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী বা তাদের যারা ভোটার আছেন প্রতিদিনই তারাই চিন্তা করেন এবং নিজেদের মধ্যে তারা আলাপ করেন।

আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, ‘কিছু কম্পারেটিভ স্টাডিতে দেখুন, আপনার বাড়ির পাশে মাঠ থাকলে কিন্তু আপনি ম্যারাডোনা হবে না। আপনার এখানে অনুশীলনের ব্যাপার আছে। রাজনীতি মাত্র প্র্যাক্টিস। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী যখন ৭৫ এর পরে ৮১ সালে দেশে ফিরে আসে, তখন কিন্তু একটা সিকান্দরের অ্যাকসেপটেবল পলিটিশিয়ান ছিল। রাজ্জাক সাহেব ছিলেন, আমির হোসেন আমু সাহেব ছিলেন, তোফায়েল আহমেদ ছিলেন, আব্দুস ছামাদ আজাদ ছিলেন, জিল্লুর রহমান ছিলেন, তাজউদ্দীন সহ আরও অনেকে ছিলেন। একটা বড় টিম ছিল, যে যার কারণে উনি ফিরে আসার পর উনাকে পলিটিকাল গাইডলাইন পলিটিকাল গাইড্যান্স এই জিনিসগুলি দেওয়া সম্ভব ছিল এবং যার কারণে একটা বড়ভাবে এত বড় একটা ক্রাইসিস ৭৫ এর ১৫ অগস্টের পরে উনারা কিন্তু কামব্যাক করেছেন রাজনীতিতে এবং ভালোভাবে কামব্যাক করেছেন।

এই ট্রেনিংটা জায়গাটা আজকে জিরো। গত ছয় সাত বছরে আওয়ামী লীগের দ্বি পলিটিসাইজড হওয়ার কারণে আওয়ামী লীগ পলিটিক্স বন্ধ করে দেওয়ার কারণে আওয়ামী লীগের ওই নেতা এক সেকেন্ডে কেউ আর জনগণের কাছে অ্যাকসেপ্টেড কেউ আসেনি। এখানে সব নেতাদের সভানেত্রী নিজে পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বলেছেন যে আমি ছাড়া সবাইকে কেনা যায়। তার মানে বেসিকালি সবাই চোর।

আর এখানে আওয়ামী লিগের একটা স্টাইল ছিল যে একজন ব্যক্তিকে আলোকিত করা হত। হঠাৎ রাজনীতিতে এ রকম হয়ে গেছে যে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ছিলেন একটি সিটে। আর বাকি সব ঝাড় বাতি, ইলেকট্রিসিটি নেই কেউই নেই। এভাবে কোনওদিন একটা রাজনৈতিক দল কিন্তু চলতে পারে না।

তিনি আরো বলেন, ‘আপনি যদি সেকেন্ডের পলিটিশিয়ান হন। যেমন আজকে কি হচ্ছে, এরশাদ সাহেবের পতনের পরে তার কিছুদিনের মধ্যেই কিন্তু মিজান চৌধুরী অফিস খুলে বসেছিল। ওয়ান ইলেভেনের সময় খোন্দকার দেলোয়ার সেই ন্যাম ভবনে অফিস খুলে বসে এবং জিল্লুর রহমান সাহেব অফিস খুলে বসে। তো আজকে আওয়ামী লীগের মতো একটা দল সাড়ে চার মাস শেষ হয়ে গেল।

একটা নেতাকর্মী অফিস তো দূরের কথা, একটা মুরগির খোপ পেল না। যেখান থেকে দাঁড়িয়ে বলবে আসেন নেতাকর্মীরা ভালো থাকেন, এটা থাকেন ওটা থাকেন নাই। ওবায়দুল কাদেরের মতো মানুষ যারা আছেন এখন তো অনলাইন আছে অনেক কিছু করা যেতে পারে। মাঠ পর্যায়ে যারা নেতা আছেন উনারাও চিন্তা করে আমরা কার জন্য করব।’

পার্থ বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের একটা ছেলে মনে করে আমরা করব, বেনিফিট পাবে শামীম ওসমান। কসবার কেউ চিন্তা করে আমরা করব বেনিফিট পাবেন নন পলিটিক্যাল আনিসুল হক। নওয়াবগঞ্জের কেউ চিন্তা করে আমরা করব বেনিফিট পাবে দরবেশ। তো আমর করে লাভ হবে কি?

আলটিমেটলি কেউ না কেউ উপর থেকে চলে আসবে হাইব্রিড এবং তারাই করবে। নিচের যারা কর্মীরা আছে তারা চিন্তা করে যে এই যে আজিজ খানের দায়দায়িত্ব, দরবেশের দায়দায়িত্ব, নজরুলের দায়দায়িত্ব লক্ষ কোটি টাকা করাপশন এই হত্যার দায়িত্ব আমরা নেব কেন? কার জন্য, কীসের জন্য নেব? সুতরাং বিশ্বাসের জায়গাটা নষ্ট হয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘ভালো মানুষ যারা রাজনীতি করে বা করতো তারা চিন্তা করছে আমরা কার জন্য রাজনীতি করব। আওয়ামী লিগের সেকেন্ড বয় এবং সেকেন্ড ৩০ আর যারা আছে নানক সাহেব, রহমান সাহেব, দীপু মনি যারা আছেন তাদের কারোই গ্রহণযোগ্যতা জনগণের কাছে নাই। আপনি সূর্য হন, চাঁদ হন কিন্তু আপনার রাজনীতিতে ধারা রাখতে হবে আশেপাশে। না হলে কিন্তু আপনি টিকবেন না পলিটিক্সে।

আমার মনে হয় এই কারণে সলিমুল্লাহ স্যার যেভাবে বলেছেন যে আওয়ামী লীগ কোনওদিন ফিরে আসলে ওনার লেখাপড়ায় বৃথা, আমি অত কড়াভাবে বলব না। কিন্তু আমি আমার জায়গা থেকে দেখি এটা খুবই ডিফিকাল্ট ফর আওয়ামী লীগ। রাজনৈতিক সময় লাগবে এবং যখন আওয়ামী লীগ অনুশোচনা করে আবার শুরু করবে অথবা নেতৃত্ব পরিবর্তনের চিন্তা করবে, না ঠিক আছে যা হয়েছে হয়েছে, আমরা এভাবে করি, আমরা করি।

আমার কথা হল আওয়ামী লীগ যদি এখনই সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে, গণ অভ্যুত্থানকে চ্যালেঞ্জ করে, প্রতিটা মানুষের আত্মত্যাগকে চ্যালেঞ্জ করে এবং বলে এগুলো ষরযন্ত্র, এগুলো শত্রু। আওয়ামী লীগের রাজনীতিটাই শত্রু আর ষরযন্ত্র। আমরা যখনই যা কিছু করতা তা ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা হতো। রাজনতির যে মূলমন্ত্র সেগুলো আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করতো না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৯৪

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৩১

রাজনীতি

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য […]

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৮

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে জানিয়ে সারজিস বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইভাবে হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও ফিরিয়ে দিতে হবে।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং প্রধানের আকস্মিক সফর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এখনই ভারতে যেতে হবে পরে গেলে ক্ষতি হবে-এ ধরনের বক্তব্য কোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রকাশ নয়।

এটা ভারতের ‘আধিপত্যবাদের স্টেটমেন্ট’ বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি যে দুটি শক্ত অবস্থানসম্পন্ন বিবৃতি দিয়েছে, তা সাধুবাদ জানাই। তবে, এসব অবস্থান শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

এসময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সুজা উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা রিফাত রশিদ, আবু বাকের মজুমদারসহ এনসিপির কক্সবাজারের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৩১

রাজনীতি

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান। দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও […]

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৫৫

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান।

দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত নেপালের প্রেসিডেন্ট মাওলানা শফীকুর রহমান কাসেমী।

মামুনুল হকের সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি মাওলানা শায়খ সালেহ আহমাদ হামিদী এবং জাতীয় উলামা কাউন্সিল বাংলাদেশের সহসভাপতি মুফতি মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।

দুই দিনের সফর শেষে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আল্লামা মামুনুল হকের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

দলের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৩১