মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মেহেরপুর শিশু পরিবারের ভবন সংস্কার কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

মজনুর রহমান আকাশ , মেহেরপুর মেহেরপুর সরকারি শিশু পরিবার (বালক) ডরমেটরি ভবনের সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রীর প্রভাব খাটিয়ে অন্যের লাইসেন্সে কাজ করেছেন বড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম খোকন। জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক ও বর্তমানে সহকারী পরিচালক কাজী কাদের মোহাম্মদ ফজলে রাব্বীর সাথে […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ২০:১২

মজনুর রহমান আকাশ , মেহেরপুর
মেহেরপুর সরকারি শিশু পরিবার (বালক) ডরমেটরি ভবনের সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রীর প্রভাব খাটিয়ে অন্যের লাইসেন্সে কাজ করেছেন বড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম খোকন।
জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক ও বর্তমানে সহকারী পরিচালক কাজী কাদের মোহাম্মদ ফজলে রাব্বীর সাথে আতাত করে সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতি করেছেন তিনি। এছাড়াও গণপূর্তের উপসহকারি প্রকৌশলী ইমরান হোসেনের যোগসাজসে সংস্কার কাজের এস্টিমেটে অতিরিক্ত বরাদ্দ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে। তবে উপসহকারি প্রকৌশলী ও সমাজসেবা একে অপরের উপর দায় চাপিয়েছেন।
জানা গেছে, সমাজসেবা অধিদপ্তরের ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে সরকারি মেহেরপুর সরকারি শিশু পরিবার (বালক) ডরমেটরি ভবন সংস্কার কাজের মুল ঠিকাদার অঞ্চল ভট্টাচার্যের লাইসেন্সে হচ্ছে। তবে সাবেক মন্ত্রীর প্রভাবে কাজী কাদের মোহাম্মদ ফজলে রাব্বীর মাধ্য খোকন কাজটি করেন। সংস্কার কজের মধ্যে ছিলো
জানালায় থাই গ্লাস স্থাপনসহ টয়লেট মেরামত বাবদ ৪ লক্ষ ৯৯ হাজার ১৯ টাকা, ডরমিটরি ভবনের ডাইনিং ও প্রার্থনা কক্ষ মেরামত বাবদ ৪ লক্ষ ৯৬ হাজার ২৭৪ টাকা, স্টোর রুম ও রান্নাঘরের মেরামত বাবদ ৪ লক্ষ ৯৯ হাজার ২১৩ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। চুক্তি অনুযায়ী সরকারি মেহেরপুর সরকারি শিশু পরিবার (বালক) ডরমেটরি ভবনের জানালায় থাই গ্লাস স্থাপনসহ টয়লেট মেরামতে প্লাস্টার, হোমোজিনিয়াস ফ্লোর টাইলস
স্থাপন, ওয়াল টাইলস, ভিতরে প্লাস্টিক পেইন্ট, বাহিরে ওয়েদারকোট, ১৩টি জানালায় নতুন থাই এ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম ও গ্লাস  স্থাপন, মেহগনি কাঠের নতুন ২টি দরজার চৌকাঠ ও পাল্লা, ৫টি বিব কর্ক, ২টি সাওয়ার হেড, ৮টি এক্সজস্ট ফ্যান, ৮টি টিউবলাইট। ডরমিটরি ভবনের ডাইনিং ও প্রার্থনা কক্ষে মিরর পলিশড ফ্লোর টাইলস স্থাপন, ভিতরে প্লাস্টিক পেইন্ট, বাহিরে ওয়েদারকোট, ১২টি জানালায় নতুন থাই এ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম ও গ্লাস
স্থাপন, ১০টি জানালায় নতুন গ্রীল, মেহগনি কাঠের নতুন ৩টি দরজার চৌকাঠ ও পাল্লা কাজ বাবদ ৪ লক্ষ ৯৬ হাজার ২৭৪ টাকা এবং ডরমিটরি ভবনের স্টোররুম ও রান্নাঘরে মিরর পলিশড ফ্লোর টাইলস, রান্নাঘরে হোমোজিনিয়াস ফ্লোর টাইলস, ওয়াল টাইলস স্থাপন, ওয়েদারকোট, ২টি জানালায় নতুন থাই এ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম ও গ্লাস স্থাপন, ১৫টি জানালায় নতুন গ্রীল, মেহগনি কাঠের নতুন ২টি দরজার চৌকাঠ ও পাল্লা, ১৮-মিমি পুরু বার্মাটিক বোর্ডের কেবিনেট, ১-অশ^শক্তি ক্ষমতা সম্পন্ন নতুন পাম্প মটর স্থাপন কাজ বাবদ ৪ লক্ষ ৯৯ হাজার ২১৩ টাকা বরাদ্দ ও মঞ্জুরী প্রদান করা হয়।
সরেজমিন দেখা গেছে, শিশু পরিবার (বালক) চার তলা বিশিষ্ট একটি ডরমেটরি ভবন। কার্যাদেশে  অনুযায়ী ডরমেটরি ভবনের জানালায় থাই গ্লাস স্থাপনসহ টয়লেট মেরামতের কথা উল্লেখ থাকলেও শুধুমাত্র ভবনের চারতলার টয়লেট মেরামত করা হয়েছে। টয়লেটের ভিতরে প্লাস্টিক পেইন্ট, বাহিরে ওয়েদারকোট দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয়েছে ডিসটেম্পার। ১৩টি জানালার কথা উল্লেখ থাকলেও জানালা পাওয়া যায়নি তবে বারান্দায় ৮টি থাই এ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম ও গ্লাস স্থাপন করা হয়েছে। মেহগনি কাঠের নতুন ২টি দরজার চৌকাঠ ও পাল্লা দেওয়ার কথা থাকলেও দরজার দেখা মেলেনি। ২টি সাওয়ারহেডের একটিও দেওয়া হয়নি। ৮টি এক্সজস্ট ফ্যান এবং ৮টি টিউবলাইটের মধ্যে দেওয়া হয়েছে ১টি ফ্যান ও ১টি লাইট।
ডরমিটরি ভবনের ডাইনিং ও প্রার্থনা কক্ষ মেরামতে মিরর পলিশড ফ্লোর টাইলস স্থাপনের জায়গায় অনিয়ম কওে দেওয়া হয়েছে হোমোজিনিয়াস। ফ্লোর না ভেঙ্গেই টাইলস বসানো হয়েছে। ভিতরে প্লাস্টিক পেইন্ট ও বাহিরে ওয়েদারকোট দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয়েছে ডিসটেম্পার। ১২টি জানালায় নতুন থাই এ্যালুমিনিয়াম ফ্রেম ও গ্লাস স্থাপন জায়গায় ৬টিতে ফ্রেম ও গøাস স্থাপন করা হয়েছে, ১০টি জানালায় নতুন গ্রীল লাগানোর কথা থাকলেও ৬টিতে নতুন গ্রীল লাগানো হয়েছে। মেহগনি কাঠের নতুন ৩টি দরজার চৌকাঠ ও পাল্লা লাগানো হলেও দরজা ও পাল্লা মেহগনি কাঠের না বলে একটি সূত্র থেকে জানা গেছে।
স্টোররুম ও রান্নাঘরের মেরামতে ওয়েদারকোট দেওয়ার কথা থাকলেও তা দেওয়া হয়নি। ১৫টি জানালায় নতুন গ্রীলের কথা উল্লেখ থাকলেও সেখানে জানালা আছে ৫টি। মেহগনি কাঠের নতুন ২টি দরজার চৌকাঠ ও পাল্লা দেওয়ার কথা থাকলেও ১টি দেওয়া হয়েছে, ১৮-মিমি পুরু বার্মাটিক বোর্ডের কেবিনেট জায়গায় দেওয়া হয়েছে নিন্মমানের পারটেক্স কেবিনেট।
এবিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক অঞ্চল ভট্টাচার্য জানান, আমার লাইসেন্সে কাজ করছে খোকন। কাজ যেহেতু খোকন করেছে তাই খোকন যাকে টাকা দিতে বলেছে আমি তার হাতে দিয়ে দিয়েছি। যেহেতু আমি কাজ করিও নি, তাই জানিও না। কাজে কোন অনিয়ম থাকলে যে কাজ করছে সেটা তাদের ব্যাপার।
এবিষয়ে আমিনুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এবিষয়ে সমাজসেবার সহকারি পরিচালক কাজী কাদের মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী বলেন, আমরা এই কাজের গুণগত মান ও এস্টিমেটে যা বলা আছে সে অনুযায়ী কাজ না হলে যে বিল বাকী আছে তা ছাড় করব না।
সমাজসেবার উপপরিচালক আশাদুল ইসলাম বলেন, যে কাজগুলোতে অনিয়মের কথা বলা হচ্ছে সেগুলো যৌক্তিক। আমি উপলব্ধি করতে পারছি এস্টিমেটে এদিক-সেদিক করা হয়েছে। যেহেতু আমি এখানে আসার পর কাজটি পেয়েছি সেহেতু যেখানে কাজের যে সমস্যা আছে তা ঠিক না করলে কোন ছাড় নেই। অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঠিকাদারের কাছে শতভাগ কাজ বুঝে নেওয়া হবে। আমার সুযোগ আছে কাজটি বুঝে নেওয়ার। না হলে ওই শিশুদের কাছে আমি দায়ী হয়ে থাকব।
উল্লেখ্য: বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের সাথে সখ্যতা গড়ে সমাজসেবার সহকারি পরিচালক করেছেন একক রাজত্ব। সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও তার অনুসারীদের নানা অনৈতিক সুবিধা দিয়ে দুর্নীতি আর অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করেছেন তিনি। এর আগেও এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্রিকায় নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের সংবাদ প্রকাশিত হয়। একের পর এক দুর্নীতি করলেও প্রভাব খাটিয়ে তিনি থাকছেন ধরা ছোয়ার বাইরে ও বহাল তবিয়তে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।