রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ সিদ্ধান্তকে রাষ্ট্র সংস্কার ও পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংস্কার কার্যক্রম এবং বিরোধী রাজনীতি নিয়েও মন্তব্য করেন।
পোস্টে রাশেদ খান লেখেন, সরকারি ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। একইভাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছবিও সরকারি দপ্তরে ব্যবহার করা হচ্ছে না। তার ভাষ্য, এ ধরনের উদ্যোগই প্রকৃত সংস্কার, রাষ্ট্রের পুনর্গঠন এবং পরিবর্তনের প্রতিফলন।
তিনি দাবি করেন, জনগণ যে ধরনের পরিবর্তন প্রত্যাশা করছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছেন। তবে এর জন্য ধৈর্য ও সময় প্রয়োজন। তার মতে, সাড়ে চার মাসের সরকার কথার সঙ্গে কাজের মিল রাখছে এবং স্বাক্ষরিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর বাস্তবায়নও করবে।
চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, পারস্পরিক দ্বন্দ্বে রাষ্ট্রের কোনো উপকার হবে না। বিরোধী দলগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি মন্তব্য করেন, বিএনপি ব্যর্থ হলে তারা সরকার পরিচালনার সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে কি না, সেটিও বিবেচনা করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, বিরোধী দলগুলোর উচিত নিজেদের আরও সংগঠিত ও সক্ষম করে তোলা। তার দাবি, অকাল ক্ষমতার প্রতিযোগিতা বা রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হলে এর সুযোগ আওয়ামী লীগ নিতে পারে।
ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খান আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরলে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য নেতিবাচক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, জামায়াত-শিবিরের রাজনৈতিক টিকে থাকার স্বার্থেও বিএনপির ক্ষমতায় থাকা প্রয়োজন।