বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

একই সাথে ৩ পদে বহাল কাজীপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে উপজেলা প্রশাসন

মেহেরপুর প্রতিনিধিঃ ০৫/০৭/২৬ ইং একই ব্যক্তি একই সাথে একটি এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং আবার একই ইউনিয়নের সরকারি কাজী (বিবাহ রেজিস্ট্রার)! সরকারের একাধিক প্রতিষ্ঠান বা কোষাগার থেকে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার আইনি নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মু. আলম হুসাইনের বিরুদ্ধে এমন নজিরবিহীন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।তিনি […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ জুলাই ২০২৬, ১৬:৫১

মেহেরপুর প্রতিনিধিঃ ০৫/০৭/২৬ ইং

একই ব্যক্তি একই সাথে একটি এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং আবার একই ইউনিয়নের সরকারি কাজী (বিবাহ রেজিস্ট্রার)! সরকারের একাধিক প্রতিষ্ঠান বা কোষাগার থেকে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার আইনি নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মু. আলম হুসাইনের বিরুদ্ধে এমন নজিরবিহীন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।তিনি তিনটি পদ থেকেই নিয়মিত সরকারি বেতন-ভাতা ও আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করছেন।

সম্প্রতি চেয়ারম্যান আলম হুসাইনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হলে মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের একটি চিঠির প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গাংনী উপজেলা প্রশাসন ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনোয়ার হোসেন।

তদন্ত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মু. আলম হুসাইন ২০১৮ সালে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী করমদি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তবে তার যোগদানের পর থেকেই ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত, প্রায় ৫৫৩ জন শিক্ষার্থী ও ৩০ জন শিক্ষক-কর্মচারী সম্বলিত বিদ্যালয়টিতে প্রশাসনিক স্থবিরতা ও শিক্ষার মান ধসে পড়ার অভিযোগ উঠেছে।

বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায় যে, প্রধান শিক্ষক নিয়মিত স্কুলে আসেন না। ফলে অন্য শিক্ষকেরাও নিজেদের ইচ্ছামতো চলেন এবং সুন্দর খেলার মাঠ থাকা সত্ত্বেও কোনো খেলাধুলার আয়োজন করা হয় না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষকরাও ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, একজন মানুষের পক্ষে একই সাথে একটি পুরো ইউনিয়ন পরিষদ ও বিদ্যালয় পরিচালনা করা অসম্ভব। বিদ্যালয়টি বর্তমানে অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে, ২০২২ সালে দ্বিতীয়বারের মতো কাজিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া আলম হুসাইন সপ্তাহে মাত্র এক থেকে দুই দিন পরিষদে আসেন। ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মতিয়ার রহমান জানান, জরুরি কাজের জন্য নাগরিকদের চেয়ারম্যানের ‘হাড়াভাঙ্গা’ এলাকার নিজস্ব অফিসে গিয়ে স্বাক্ষর করিয়ে আনতে হয়, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম হয়রানি ও ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।তিনি জামায়াত ইসলামীর নেতা হওয়ায় সরকারী বরাদ্দের হিস্যা নেয়ার জন্য ও এমুিপ আস্থা অর্জ

নে বিদ্যালয় ও ইউনিয়ন পরিষদের কাজ প্রায় ত্যাজ্য করেছেন। কাজীর কাজটিও করেন তার সহকারী।

মেহেরপুর জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে কাজিপুর ইউনিয়নের কাজী (বিবাহ রেজিস্ট্রার) হিসেবে নিয়োগ পান আলম হুসাইন। মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা অনুযায়ী, কাজী নিয়োগ কমিটির অন্যতম সদস্য হলেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

আলম হুসাইন তৎকালীন সময়ে চেয়ারম্যান পদে থেকে নিজেই নিজের নিয়োগ কমিটিতে ছিলেন, যা চরম স্বার্থের সংঘাত (ঈড়হভষরপঃ ড়ভ ওহঃবৎবংঃ) এবং নীতিবহির্ভূত।

সরকারি চাকুরিজীবী আইন ও এমপিও নীতিমালা মোতাবেক এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পূর্ণকালীন পদে কর্মরত থেকে অন্য কোনো লাভজনক পদে নিয়োজিত থাকা চাকুরির শর্তাবলির স্পষ্ট লঙ্ঘন। মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ মোতাবেক একজন কাজী সংশ্লিষ্ট এলাকা ব্যতীত অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে সবেতনে (মাসিক বেতন বা আর্থিক সুবিধায়) চাকরি করতে পারবেন না।

স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ মোতাবেক কোনো জনপ্রতিনিধি একই সাথে সরকারের অন্য কোনো লাভজনক পদে বা সবেতন চাকুরিতে অধিষ্ঠিত থাকতে বা একাধিক উৎস থেকে আর্থিক সুবিধা নিতে পারেন না।

 সম্প্রতি মাউশি’র জারি করা এক আদেশে বলা হয়েছে, এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষক বা কর্মচারীর একই সময়ে দুটি লাভজনক পদ থেকে আর্থিক সুবিধা গ্রহণের সুযোগ নেই। ফলে তাঁকে এমপিও বেতন-ভাতা অথবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কিংবা সদস্য হিসেবে প্রাপ্য সম্মানী যে কোনো একটি বেছে নিতে হবে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।