বিএনপি মনোনীত নারী সংসদ সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপন বলেছেন, জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে লাশের সারি এবং রক্তাক্ত নিথর মানুষের দেহ দেখার অভিজ্ঞতা তার জীবনের সবচেয়ে মর্মান্তিক মুহূর্ত। সম্প্রতি এশিয়া পোস্টের ‘আলাপন’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব স্মৃতিচারণ করেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলন ছিল দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্ষোভ ও জনগণের বঞ্চনার বহিঃপ্রকাশ। তিনি জানান, আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে জীবনঝুঁকি নিয়েও রাজপথে সক্রিয় ছিলেন।
১৭ জুলাই বদরুন্নেসা কলেজের শিক্ষার্থীদের তালাবদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত করা এবং ১৯ জুলাই কাকরাইল এলাকায় সংঘর্ষের মধ্যেও আহত মানুষকে হাসপাতালে পৌঁছে দিতে কাজ করেছেন। রাবার বুলেটে আহত হলেও আন্দোলনের মাঠ ছাড়েননি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
নাদিয়া পাঠান পাপন আরও বলেন, আন্দোলনের সময় সাধারণ মানুষের সহযোগিতা ছিল অনুপ্রেরণাদায়ক। অনেকেই খাবার, পানি এবং টিয়ার গ্যাসের প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করেছেন।
তবে ঢাকা মেডিকেলে নিহতদের সারিবদ্ধ মরদেহের দৃশ্য তাকে গভীরভাবে নাড়া দেয় এবং তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তার মতে, ওই সময়ের সহিংসতা ও মানবিক বিপর্যয় এখনো তাকে তাড়িয়ে বেড়ায়। পাশাপাশি তৃণমূলের নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।