প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, অতীতের নির্যাতন ও কষ্টকে সামনে রেখে প্রতিশোধের রাজনীতি নয়, বরং দেশের কল্যাণে কাজ করাই হওয়া উচিত সবার লক্ষ্য। মঙ্গলবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপি বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, অতীতে তিনি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং সেই নির্যাতনের কিছু প্রভাব এখনো বহন করছেন। তবে তিনি বলেন, “এ জন্য কাউকে দায়ী করে বেড়ালে আমার হাড্ডি জোড়া লাগবে না, ব্যথাও কমবে না।” তিনি নেতাকর্মীদের প্রতিহিংসার মানসিকতা পরিহার করে দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। সরকারের ভুলত্রুটি নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা ও আলোচনা হওয়া উচিত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তরুণ সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে লাখো শিক্ষার্থীকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনী মেলা, বিতর্ক ও সাংস্কৃতিক চর্চা সারা বছর চালু রাখার আহ্বান জানান তিনি।
দেশের উন্নয়ন ও সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।