বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

চাঁদা না দেওয়ায় ময়মনসিংহে ব্যাংক কর্মকর্তাসহ চারজনকে মারধর

ময়মনসিংহে চাঁদা না দেওয়া এবং নির্মাণাধীন ভবনের নির্মাণসামগ্রী স্থানীয়দের কাছ থেকে না কেনায় এক ব্যাংক কর্মকর্তা, তার স্ত্রীসহ চারজনকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, শেরপুরের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম ময়মনসিংহ নগরের জনতা ব্যাংকের চরপাড়া […]

চাঁদা না দেওয়ায় ময়মনসিংহে ব্যাংক কর্মকর্তাসহ চারজনকে মারধর

চাঁদা না দেওয়ায় ময়মনসিংহে ব্যাংক কর্মকর্তাসহ চারজনকে মারধর

নিউজ ডেস্ক

১৬ জুন ২০২৬, ১০:৩৬

ময়মনসিংহে চাঁদা না দেওয়া এবং নির্মাণাধীন ভবনের নির্মাণসামগ্রী স্থানীয়দের কাছ থেকে না কেনায় এক ব্যাংক কর্মকর্তা, তার স্ত্রীসহ চারজনকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, শেরপুরের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম ময়মনসিংহ নগরের জনতা ব্যাংকের চরপাড়া শাখায় কর্মরত। ২০২৩ সালে তিনি নগরের ময়নার মোড় এলাকায় চার শতক জমি কিনে প্রায় ছয় থেকে সাত মাস আগে পাঁচতলা ভবনের ভিত্তিসহ একটি বাড়ির নির্মাণকাজ শুরু করেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, নির্মাণকাজ শুরুর পর স্থানীয় সাইফুল ইসলাম (৪০) ও তার সহযোগীরা নজরুল ইসলামের কাছে চাঁদা দাবি করেন। পাশাপাশি নির্মাণসামগ্রী তাদের কাছ থেকে কেনার জন্য চাপ দেওয়া হয়। তবে নজরুল ইসলাম নিজস্ব পছন্দ অনুযায়ী মালামাল কিনে নির্মাণকাজ চালিয়ে গেলে অভিযুক্তরা ক্ষুব্ধ হন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, সাইফুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা একাধিকবার হুমকি দিয়ে বলেন, তাদের কাছ থেকে মালামাল না কিনলে নির্মাণকাজ করতে দেওয়া হবে না। সর্বশেষ রোববার বিকেলে তারা আবারও বাড়িতে গিয়ে নির্মাণসামগ্রী কেনার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। এতে রাজি না হওয়ায় একই দিন সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলায় নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাসুমা হায়াত, তার ভাই আজিজুল ইসলাম এবং প্রতিবেশী ব্যাংক কর্মকর্তা সাকিম আহম্মেদ আহত হন। অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা চাকু দিয়ে সাকিম আহম্মেদের মাথায় আঘাত করেন এবং অন্যদেরও মারধর করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, প্রথমে কয়েকজন ব্যক্তি দাঁড়িয়ে থাকা তিনজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। পরে আরও কয়েকজন যোগ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র হাতে আরও কয়েকজন হামলায় অংশ নেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে নজরুল ইসলামের স্ত্রীও হামলার শিকার হন।

নজরুল ইসলামের স্ত্রী মাসুমা হায়াত বলেন, আমি বাসায় একাই থাকি। কয়েকদিন পরপর কিছু লোক এসে হুমকি দিত। রোববার ময়নার মোড়ের দিক থেকে কয়েকজন এসে হঠাৎ আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমি বাধা দিতে গেলে আমাকেও মারধর করা হয়। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

নজরুল ইসলাম বলেন, ব্যাংক ঋণ নিয়ে বাড়ি নির্মাণ করছি। তারা চাঁদা দাবি করে এবং তাদের কাছ থেকেই মালামাল কিনতে বলে। আমি ভেবেছিলাম বিষয়টি হুমকির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। কিন্তু এভাবে হামলার শিকার হব, তা কল্পনাও করিনি। আমি জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

আহত সাকিম আহম্মেদ বলেন, আমরা তিনজন দাঁড়িয়ে কথা বলছিলাম। হঠাৎ ৫ থেকে ৭ জন দৌড়ে এসে হামলা চালায়। একপর্যায়ে একজন আমার মাথায় চাকু দিয়ে আঘাত করে।

এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি নগরের বলাশপুর কলমিস্ত্রি মোড় এলাকার বাসিন্দা।

সোমবার দুপুরে নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে সাইফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে চাঁদা না দেওয়ায় হামলার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ময়মনসসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, বাড়ি নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।