শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

এমন প্রশ্ন করবেন না, বিদ্যুৎমন্ত্রী কেন নাটোরে বিয়ে করেননি: স্পিকার

জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ ধারায় নোটিশ উত্থাপন এবং মন্ত্রীর জবাবের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম হাস্যরসের ছলে সরকার দলীয় হুইপ এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুকে বলেন, আপনি মন্ত্রীকে একটা সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন করতে পারেন। এমন প্রশ্ন করবেন না যে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিদ্যুৎ মন্ত্রী কেন নাটোরে বিয়ে করে নাই? বুধবার (১০ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় […]

এমন প্রশ্ন করবেন না, বিদ্যুৎমন্ত্রী কেন নাটোরে বিয়ে করেননি: স্পিকার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ জুন ২০২৬, ০০:৪৪

জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ ধারায় নোটিশ উত্থাপন এবং মন্ত্রীর জবাবের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম হাস্যরসের ছলে সরকার দলীয় হুইপ এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুকে বলেন, আপনি মন্ত্রীকে একটা সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন করতে পারেন। এমন প্রশ্ন করবেন না যে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিদ্যুৎ মন্ত্রী কেন নাটোরে বিয়ে করে নাই?

বুধবার (১০ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের চতুর্থ দিন কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধি অনুসারে জরুরি জনগুরুত্বপুর্ণ নোটিশ উত্থাপন এবং মন্ত্রীর জবাবে পর স্পিকার এ কথা বলেন সরকার দলীয় হুইপ এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুকে। এ সময় সংসদ সদস্যদের মধ্যে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।

নোটিশের জবাবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা দিয়া ২০০৫ সালে নাটোরে গ্যাস দেওয়ার জন্য ওখানে উত্তরাঞ্চল গ্যাস সঞ্চালন কোম্পানি গঠন করেছিলেন এবং সেই কাজও শুরু হয়ে গিয়েছিল।

কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারে এসে সেই কাজটা বন্ধ করে দিয়েছে এবং সেই সময় এই কাজটা করতে মাত্র ৮১ হাজার কোটি টাকা লাগতো কিন্তু তারা ২০১২ সালে এই প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়। এখন আমাদের দেশে গ্যাসের সঞ্চালন কমেই কমে যাচ্ছে। তার কারণ হচ্ছে এই ফ্যাসিস্ট সরকার গত ১৭/১৮ বছর একটা কূপও খনন করে নাই।

এই ১৭/১৮ বছরে যদি বছরে যদি চারটি করে কূপ খনন করত আমি মনে করি আমাদের দেশে গ্যাস আছে এবং গ্যাসের উত্তোলন হতো। শুধু তাই না উনারা সমুদ্র বিজয় করছিলেন। সমুদ্র বিজয় করে কত রকমের আতশবাসী জ্বালিয়েছিল কিন্তু সমুদ্রের নিচে যে গ্যাস আছে, তেল আছে, সেটা আহরণ করেন নাই।

মন্ত্রী বলেন, আমরা দায়িত্বভার গ্রহণ করার পরে আমাদের নির্বাচনী ওয়াদা এবং আমাদের ১৮০ দিনের যে পরিকল্পনা অনুসারে আমরা আমাদের বাংলাদেশের অপশোর এবং অনশোর গ্যাস উত্তোলন করার জন্য অলরেডি আমরা পেপারে বলছি পেপারে আমরা আমন্ত্রণ জানিয়েছি দেশি বিদেশি কোম্পানিকে।

এই গ্যাস উত্তোলন করার জন্য এগিয়ে আসার জন্য এবং আমাদের সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অতি দ্রুত আমাদের পাপেক্সের যে কয়টা কূপ আছে আরও পাঁচটা কূপ সংযুক্ত করে আমরা আমাদের কূপ খনন করে দ্রুত বাংলাদেশের গ্যাসের যে পরিস্থিতি উত্তরণ করার জন্য।

মন্ত্রী আরও বলেন, এখন নাটর বাংলা ভাষায় আমার শ্বশুরবাড়ি এখানে তো গ্যাস দিতেই হবে কিন্তু যখন গ্যাস পাব এই যে আমরা গ্যাস উত্তোলনের চেষ্টা করছি যখন গ্যাস পাব দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যে কাজ শুরু করে দিয়ে গিয়েছিলেন আমরা ইনশাল্লাহ সেটাকে শেষ করব।

আলোচনায় অংশ নিয়ে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে হুইপ এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলূ বলেন, আসলে উনি নিজেই স্বীকার করেছেন বা আপনি (স্পিকার) নিজেও জানেন যে আমি এর আগেও বলেছি উত্তরে। সেটা হচ্ছে নাটোর অ্যাকচুয়ালি ঐতিহ্যবাহী বনলতা সেন। আপনি জানেন রানী ভবানীর নাটর একসময় এই রানী ভবানী সৈন্য দিয়ে নোয়াসিরা দলকে সাহায্য করেছিল। তো এটা একটা ঐতিহ্যবাহী শহর।

এই শহরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্যার সাড়ে তিন বছরের শাসন আমলে ১৩বার রাত্রি যাপন করেছেন উত্তরা গণভবনে। উনি এতই গুরুত্ব দিয়েছেন তার শাসন আমলে এবং বেগম খালেদা জিয়াও নাটোরে তিনদিন রাত্রি যাপন করেছেন। আমি মনে করি নাটর একটা গুরুত্বপূর্ণ এবং আমার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেব উনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে অসংখ্যবার নাটরে গিয়েছেন উনিও রাত্রি যাপন করেছেন।

আমি এই সমস্ত দিক বিবেচনা করি যেহেতু উনি আমার দুলাভাই, উনি নাটরে বিয়ে করেছেন এবং নাটোরে জনগণের প্রত্যাশা উনি ওই পলিটিক্যাল কথা বললেন। উনাকেই বলতে হবে যেহেতু নাটোর দিয়ে রাজশাহীতে গ্যাস গিয়েছে নাটোরের উপর দিয়ে। যেহেতু ফ্যাসিস্ট সরকার শাসন আমলে আপনারা জানেন জবাবদিহিতা ছিল না।

আর নাটোরে যারা রাজনীতিবিদ ছিল সন্ত্রাসী এদের ভোটে কখনও এমপি হয় নাই। যার জন্য প্রয়োজন বোধ করে নাই। কিন্তু এখন যেহেতু পলিটিক্যাল গভর্নমেন্ট এসেছে আর আমাদের নেতা তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী উনিও একজন রাজনীতি পরিবার থেকে এসেছেন, আমাদের প্রত্যাশা নাটোরের মানুষের, উনি কবে নাগাদ… যেহেতু নাটোরে গ্যাস গিয়েছে। কবে নাগাত গ্যাসের সংযোগ দিবেন? এটাই তার কাছে আমি প্রশ্ন করছি।

স্পিকার বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে বলেন, মন্ত্রী কবে নাগাদ গ্যাস দেবেন।

এ সময় দাঁড়িয়ে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, আমাদের সাহেব যেভাবে বললেন এত মানে শ্বশুরবাড়ির আবদার হয়ে গেল। আমি তো বলেছি আমি তো বলেছি যে আমরা কেবল কূপ খনন করা শুরু করেছি, আমরা টেন্ডার আহ্বান করেছি যাতে বাংলাদেশে ইন্টেনসিভ এক্সপ্লোরেশন করা হয় এবং গ্যাস আবিষ্কার করা হয়। গ্যাস আবিষ্কার হওয়ায় এই কোটি টাকার যে প্রকল্পটা বন্ধ হয়ে গেছে। আমি আশা করি আমাদের নেতা আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই নাটোরে গ্যাস যাবে এবং উদ্বোধন করা হবে।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।