ময়মনসিংহ নগরীতে নির্বাচনি বিরোধকে কেন্দ্র করে বিএনপির এক কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক জামায়াত নেতার ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেল ৫টার দিকে নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া মধ্যপাড়া গ্রামের গাঙ্গের বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম।
নিহত রানা মিয়া (২৮) একই এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন। স্বজনদের দাবি, তিনি বিএনপির সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন আশাদ, মোফাজ্জল, শাহান, মুনসুর আলী, শাকিল ও দিনি মিয়া। তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির পক্ষে কাজ করাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে তাদের সঙ্গে মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মফিদুল ইসলাম মাস্টার-এর পরিবারের বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন বিকেলে মফিদুল ইসলামের ছেলে মাহিনের নেতৃত্বে একদল লোক হামলা চালায়। এ সময় মাহিন ছুরি দিয়ে রানা মিয়ার বুকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় রানাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হামলায় আরও কয়েকজন আহত হন।
নিহতের ভাই তোফাজ্জল হোসেন হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জামায়াত নেতা মফিদুল ইসলাম মাস্টার। তিনি বলেন, ঘটনার সময় তিনি বা তার ছেলে কেউই সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। তাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।