মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

অসহায় মনোয়ারা বেগমকে ঘর উপহার দিলেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : জীবনের অধিকাংশ সময়ই অভাব-অনটন, স্বামী ও সন্তান হারানো শোক বুকে নিয়েই কাটিয়েছেন মনোয়ারা বেগম। একমাত্র ছেলের মৃত্যু, অসুস্থ স্বামীকে সুস্থ করার লড়াই, দারিদ্র্যতা আর প্রাকৃতিক দুর্যোগ—সব মিলিয়ে যেন জীবনের প্রতিটি ধাপে তাকে লড়াইয়ের মধ্যেই থাকতে হয়েছে। তবুও দেখা দেয় নি সুখ নামের মরীচিকা।  সেই মনোয়ারা বেগম নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাপন গ্রামের মৃত আব্দুর […]

নিউজ ডেস্ক

২৬ মে ২০২৬, ২১:১৫

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

জীবনের অধিকাংশ সময়ই অভাব-অনটন, স্বামী ও সন্তান হারানো শোক বুকে নিয়েই কাটিয়েছেন মনোয়ারা বেগম। একমাত্র ছেলের মৃত্যু, অসুস্থ স্বামীকে সুস্থ করার লড়াই, দারিদ্র্যতা আর প্রাকৃতিক দুর্যোগ—সব মিলিয়ে যেন জীবনের প্রতিটি ধাপে তাকে লড়াইয়ের মধ্যেই থাকতে হয়েছে। তবুও দেখা দেয় নি সুখ নামের মরীচিকা। 

সেই মনোয়ারা বেগম নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাপন গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী। 

চলতি বছর মনোয়ারা বেগমের মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকুও যখন কালবৈশাখী ঝড়ে ভেঙে পড়ে, তখন মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। আজ মঙ্গলবার সকালে তার উপহারে নির্মিত নতুন টিনের ঘরে উঠেছেন আশ্রয়হীন এই নারী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মনোয়ারা বেগমের স্বামী আব্দুর রাজ্জাক দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। তাঁর চিকিৎসা করতে নিজেদের সামান্য জমিজমাও বিক্রি করে দেন তিনি। কিন্তু সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত স্বামীকে বাঁচাতে পারেননি।

এর কিছুদিন পর সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান তার একমাত্র ছেলে আলিফ মিয়া। স্বামী-সন্তান হারিয়ে তখন পুরোপুরি অসহায় হয়ে পড়েন মনোয়ারা। 

অভাবের তাড়নায় অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোনোভাবে জীবন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে থাকেন মনোয়ারা বেগম। দারিদ্রতার মধ্যেই প্রতিবেশীদের সহায়তায় তিন মেয়েকে বিয়ে দেন। তবে মেয়েদের সংসারও স্বচ্ছল নয়।

ফলে স্বামীর রেখে যাওয়া ছোট্ট একটি টিনের ঘরই ছিল তার একমাত্র আশ্রয়। সম্প্রতি কালবৈশাখী ঝড়ে সেই ঘরটিও বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে। খোলা আকাশের নিচে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাতে শুরু করেন তিনি।

এরমধ্যে স্থানীয় একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর মনোয়ারা বেগমের ঘরটি ঝড়ে ভেঙে যাওয়ার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তলে ধরেন। এটি দেখে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত তহবিলের টাকা দিয়ে ঘর নির্মাণ করে দেন। 

কনটেন্ট ক্রিয়েটর আব্দুর রশিদ বলেন, “মনোয়ারা বেগমের ঘরটি ঝড়ে ভেঙে যাওয়ার দৃশ্য দেখে খুব খারাপ লেগেছিল। এ নিয়ে একটি ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহযোগিতার আবেদন জানাই।

ভিডিওটি নজরে আসে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের। পরে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে বৃদ্ধাকে ঘর করে দেন। দীর্ঘদিন পর তিনি নিরাপদ একটি আশ্রয় পেলেন।

মনোয়ারা বেগম আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, জামাইরে (স্বামী) বাঁচাইতে ফসলী জমি বেইচ্চে (বিক্রি) দিছি। জামাই মরার শোক শেষ অইলনা এরমধ্যে ছেড়াডাও (ছেলে) মইরা গেছে। মাইনষের বাড়িত কাম কইরে দিন চলত।

তুফান (ঝড়) যহন আমার থাহার ঘরডাও ভাইঙা ফালছে, তহন মনে হইছিন খোদাও আমার থাইক্কা মুখ হিরায়া নিছে। খোলা আসমানের নিচে কষ্টে আছিলাম। আজ নতুন ঘরে উঠ্ঠে মনে অইছে আর কয়ডা দিন নয়া কইরা বাঁচাম।

ডেপুটি স্পিকার কায়সার সাব আমার মতো দুঃখী মানুষের কথা ভাইব্বে ঘর কইরা দিছে। আমি তার লাইগা দোয়া করি, আল্লাহ যাতে তারে ভালা (সুস্থ) রাহে।  

এ বিষয়ে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, আমাদের সমাজে এখনও অনেক মানুষ আছেন, যারা নীরবে কষ্ট সহ্য করে জীবনযাপন করেন। মনোয়ারা বেগমের বিষয়টি জানতে পেরে আমি খুবই মর্মাহত হয়েছি।

একজন মানুষ জীবনে এত প্রতিকূলতার মধ্যেও লড়াই করে টিকে আছেন।এটা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী। একজন স্বাবলম্বী মানুষ হিসেবে মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য। আমি বিশ্বাস করি, সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষ এগিয়ে এলে অনেক অসহায় মানুষ নতুন করে বাঁচার সুযোগ পাবে।

মনোয়ারা বেগমের জন্য একটি ঘরের ব্যবস্থা করতে পেরে আমি মানবিক তৃপ্তি অনুভব করছি। ভবিষ্যতেও এলাকার অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।