বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

চট্টগ্রামে চার বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত আসামির দায় স্বীকার

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় চার বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া আসামি মনির হোসেন (৩০) আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের একটি আদালত আসামির এই জবানবন্দি গ্রহণ করেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনা করে চার্জশিট দ্রুত জমা দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন আদালত। এর আগে, […]

চট্টগ্রামে চার বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত আসামির দায় স্বীকার

চট্টগ্রামে চার বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত আসামির দায় স্বীকার

নিউজ ডেস্ক

২৩ মে ২০২৬, ১০:১৭

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় চার বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া আসামি মনির হোসেন (৩০) আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের একটি আদালত আসামির এই জবানবন্দি গ্রহণ করেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

একইসঙ্গে মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনা করে চার্জশিট দ্রুত জমা দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে, বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার দিকে ধর্ষণের খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো বাকলিয়া এলাকায় তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়। উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত মনিরকে আটকে রাখা ভবনটি ঘেরাও করে ফেলে। পুলিশ আসামিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যেতে চাইলে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বাধা দেয় এবং পুলিশের হাত থেকে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়।

একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পুলিশ ও উত্তেজিত জনতার মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ করে, পুলিশের গাড়িতে আগুন দেয় এবং বেশ কিছু যানবাহন ও দোকানপাট ভাঙচুর করে।

বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার আসামি মনিরকে শুক্রবার বিকেলে আদালতে হাজির করা হলে তিনি দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

বৃহস্পতিবারের ঘটনায় ৩০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন জানিয়ে ওসি আরও বলেন, তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। পুলিশের গাড়ি থেকে ব্যাটারি চুরি ও হামলার অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার চার বছর বয়সী শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত মনির হোসেনকে বিকেল চারটার দিকে আটক করে পুলিশ। তাকে থানায় নেওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ লোকজন অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানান। একপর্যায়ে শত শত মানুষ পুলিশের গাড়ি ঘিরে ফেলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যরা পিছু হটে অবস্থান নেন। এ সময় বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এদিন রাত আটটার দিকে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ সময় বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয়। পরে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়ে লোকজনকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে।

পরে রাত সোয়া ১০টার দিকে এলাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে পুলিশ কৌশলে অভিযুক্তকে একটি ভবন থেকে বের করে নিজেদের হেফাজতে নেয়। এরপরও উত্তেজিত লোকজন সড়কে অবস্থান নিয়ে পুলিশের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ করেন। মধ্যরাতের পরও পুলিশ ও বিক্ষুব্ধ লোকজনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলতে থাকে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে ধর্ষণের শিকার শিশুটি মারা গেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। রাতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলেন কয়েকজন নারী ও পুরুষ। তারা জানান, শিশুটির মৃত্যুর খবর শুনেই তারা রাস্তায় নেমেছেন।

মামলার বাদী শিশুটির বাবা বলেন, ‘বিচার দীর্ঘসূত্রতায় মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। আমি চাই, আমার মেয়ের মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি করে আসামিকে শাস্তির আওতায় আনা হোক।’

ভুক্তভোগী শিশুটি বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন রয়েছে।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন জানান, শিশুটি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত ও সুস্থ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ বলে মনে হলেও, চূড়ান্ত নিশ্চিত হওয়ার জন্য শিশুটির শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ডিএনএ টেস্টের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ডিএনএ রিপোর্ট পেলেই প্রকৃত বিষয়টি শতভাগ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।