শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

লীগ সেদিনই ব্যাক করেছে, যেদিন মবস্টারদের এদেশে হিরো বানানো হয়েছিল

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম মনে করেন, আওয়ামী লীগ আসলে অনেক আগেই ‘ব্যাক’ করেছে এবং এর পেছনে রয়েছে একের পর এক রাজনৈতিক ভুল সিদ্ধান্ত, মবতন্ত্রের উত্থান, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে আঘাত এবং জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে আমলাতান্ত্রিক স্বার্থের কাছে বিসর্জন দেওয়া। মঙ্গলবার (১৯ মে) ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এই পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। মাহফুজ আলম লিখেছেন, […]

নিউজ ডেস্ক

২০ মে ২০২৬, ০০:৪৪

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম মনে করেন, আওয়ামী লীগ আসলে অনেক আগেই ‘ব্যাক’ করেছে এবং এর পেছনে রয়েছে একের পর এক রাজনৈতিক ভুল সিদ্ধান্ত, মবতন্ত্রের উত্থান, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে আঘাত এবং জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে আমলাতান্ত্রিক স্বার্থের কাছে বিসর্জন দেওয়া। মঙ্গলবার (১৯ মে) ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এই পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।

মাহফুজ আলম লিখেছেন, আওয়ামী লীগ নিছক একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি ধর্মতত্ত্ব আর সেই ধর্মতত্ত্বে ‘ঈমান’ ফিরে এসেছে। কীভাবে এই প্রত্যাবর্তন ঘটল, তার ব্যাখ্যায় তিনি একাধিক ঘটনাকে চিহ্নিত করেন।

তার ভাষ্যে, লীগ সেদিনই ব্যাক করেছে যেদিন ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থানকে ‘৭১-এর বিরুদ্ধে দাঁড় করানো হয়েছিল। যেদিন আইনের শাসনের বদলে মবের শাসনে তথাকথিত ‘মজলুমগণ’ আনন্দ পেয়েছিল। যেদিন মাজারে হামলা হয়েছে, মসজিদ থেকে ভিন্নমতাবলম্বীদের বের করে দেওয়া হয়েছে, হিন্দুদের ওপর নিপীড়নে একই ‘মজলুমগণ’ চুপ ছিল।

ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধে বিশ্বাসী মানুষদের মধ্যে ভয় তৈরির প্রসঙ্গ তুলে তিনি লেখেন, সরকার প্রযোজিত ডানপন্থার উত্থানে যখন সেক্যুলার মানুষজন আতঙ্কিত হয়েছিল এবং মবস্টারদের হিরো বানানো হয়েছিল সেদিনই লীগ ব্যাক করেছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমের তীব্র সমালোচনা করে মাহফুজ আলম লেখেন, সরকার যখন রাজনৈতিক চরিত্র হারিয়ে আমলাতান্ত্রিক হয়ে পড়েছিল এবং আমলানির্ভর কিচেন ক্যাবিনেট থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া শুরু হয়েছিল সেদিনই লীগ ব্যাক করেছে।

তার অভিযোগ, সেই কিচেন ক্যাবিনেটের অধিকাংশ সদস্যই ছিলেন জামায়াত-বিএনপি বা আওয়ামী লীগের ‘ছুপা দালাল’, যাদের কাছে জুলাই মানে ছিল কেবল নিজেদের পরিবার, প্রজন্ম ও প্রতিষ্ঠানের স্বার্থরক্ষা।

জুলাই ঘোষণাপত্র ও সনদের প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, যেদিন এই প্রক্রিয়া আমলাতন্ত্র ও ভেস্টেড ইন্টারেস্ট গ্রুপের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল, যেদিন নির্বাচনী বাটোয়ারার মাধ্যমে সংস্কার ও বিচারকে আপোষ করা হয়েছিল এবং বিএনপি-জামাতের দরকষাকষির হাতিয়ারে পরিণত করা হয়েছিল সেদিনই লীগ ব্যাক করেছে।

শিক্ষার্থীদের ভূমিকার বিষয়ে হতাশা প্রকাশ করে সাবেক এই উপদেষ্টা লেখেন, ছাত্ররা যখন বিপ্লবী সংগঠনে রূপ না নিয়ে লুম্পেন চরিত্রের ক্লাব আর মবে রূপ নিয়েছিল এবং ক্যাম্পাসে গণতন্ত্রের বদলে সংঘতন্ত্র জয়ী হয়েছিল সেদিনই লীগ ব্যাক করেছে।

সংস্কৃতি ও মিডিয়া প্রসঙ্গেও তিনি সমান সরব। তার মতে, মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে ‘প্রযোজিত’ হামলা, নতুন মিডিয়া অনুমোদনে কিচেন ক্যাবিনেটের বাধা এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদকে মোকাবেলার নামে রিগ্রেসিভ সাংস্কৃতিক ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীলতা এ সবকিছুই লীগের প্রত্যাবর্তনের পথ তৈরি করে দিয়েছে।

কমিশন, ট্রাইব্যুনাল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে একটি বিশেষ আদর্শের ক্ষমতারোহণের হাতিয়ার বানানো এবং জুলাই অভ্যুত্থানে সক্রিয় সাংস্কৃতিক ও মেধাবী মানুষদের বাদ দিয়ে ‘জিরো কন্ট্রিবিউশন গুপ্তদের’ ক্ষমতায়িত করার বিষয়টিও তিনি লীগের প্রত্যাবর্তনের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন।

পোস্টের শেষে রসাত্মক ভঙ্গিতে মাহফুজ আলম লেখেন, মূল কথাই বলা হয়নি লীগ ফেরত আসবে, কারণ সব দোষ মাহফুজ আলমের।

সোশ্যাল মিডিয়া

পাটওয়ারী-সারজিসের গাড়ি বহরে লীগের জয় বাংলা হয়েছে,আরও বেশি বেশি আ.লীগের পাশে থাকুন, দোচন খান: ইলিয়াস

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। পোস্টে আরও বলা হয়, এ ঘটনাকে আওয়ামী লীগের প্রতি জনসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ওই পোস্টে […]

পাটওয়ারী-সারজিসের গাড়ি বহরে লীগের জয় বাংলা হয়েছে,আরও বেশি বেশি আ.লীগের পাশে থাকুন, দোচন খান: ইলিয়াস

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুলাই ২০২৬, ২২:৪১

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। পোস্টে আরও বলা হয়, এ ঘটনাকে আওয়ামী লীগের প্রতি জনসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ওই পোস্টে লেখক আওয়ামী লীগের সমর্থকদের উদ্দেশে দলটির পাশে থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় দেড় বছর আগেই এমন পরিস্থিতির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন বলে তার দাবি।

সোশ্যাল মিডিয়া

‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা’: নুরের পোস্টে আমিরের ‘সহমত’

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করেছেন মুফতি আমির হামজা। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নুরুল হক নুরের ওই পোস্টটি শেয়ার করেন তিনি। শেয়ার করা পোস্টে নুর লিখেছেন, ‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা! যারা পতিতার মতো টাকা/সুযোগ-সুবিধায় বিক্রি হয়, এদের থেকে ভালো কিছু পাওয়ার আছে?’ শেয়ার […]

‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা’: নুরের পোস্টে আমিরের ‘সহমত’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪১

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করেছেন মুফতি আমির হামজা।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নুরুল হক নুরের ওই পোস্টটি শেয়ার করেন তিনি।

শেয়ার করা পোস্টে নুর লিখেছেন, ‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা! যারা পতিতার মতো টাকা/সুযোগ-সুবিধায় বিক্রি হয়, এদের থেকে ভালো কিছু পাওয়ার আছে?’

শেয়ার করা পোস্টটি দেখা যায়, নুরুল হক নুরের ওই পোস্টটি ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই প্রকাশ করা হয়েছিল। পরে মুফতি আমির হামজা সেটি নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে শেয়ার করেন।

নুরুল হক নুরের পোস্ট শেয়ার আমির হামজা লেখেন ‘সহমত’।

সোশ্যাল মিডিয়া

হুজুররা হাসনাতের বেলায় চেতছে, বিএনপির বেলায় চুপ, ‘ওপেন শত্রুতা সহ্য হয়, মোনাফেকি না!: মাদানী

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যে বিএনপির নেতাদের বক্তব্যের সঙ্গে আলেমদের প্রতিক্রিয়ার তুলনা টেনেছেন শিশুবক্তা হিসেবে পরিচিত রফিকুল ইসলাম মাদানী। তিনি দাবি করেছেন, হাসনাতের সঙ্গে সম্পর্ক ও জুলাইয়ের আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার কারণেই তার বক্তব্যে কষ্ট পেয়েছেন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও আলেমরা। রোববার (৩০ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে […]

হুজুররা হাসনাতের বেলায় চেতছে, বিএনপির বেলায় চুপ, ‘ওপেন শত্রুতা সহ্য হয়, মোনাফেকি না!: মাদানী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫২

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যে বিএনপির নেতাদের বক্তব্যের সঙ্গে আলেমদের প্রতিক্রিয়ার তুলনা টেনেছেন শিশুবক্তা হিসেবে পরিচিত রফিকুল ইসলাম মাদানী।

তিনি দাবি করেছেন, হাসনাতের সঙ্গে সম্পর্ক ও জুলাইয়ের আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার কারণেই তার বক্তব্যে কষ্ট পেয়েছেন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও আলেমরা।

রোববার (৩০ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন রফিকুল ইসলাম মাদানী।

পোস্টে তিনি লেখেন, যারা বলার চেষ্টা করছেন—এই হুজুররা হাসানাতের বেলায় এত চেতছে, অথচ ফজলুর রহমান, রুমিন ফারহানা বা অন্য কেউ বললে তো এত চেতে না। এর মাধ্যমে তারা ‘ফান্ডিং আন্দোলন’ করেন—এমন ধারণা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এর জবাবে মাদানী প্রশ্ন তোলেন, বাই রাজুতে আসেন বলার পর রুমিন ফারহানা বা ফজলুর রহমানের ডাকে কোন মাদ্রাসা ছাত্ররা গিয়েছিল শাহবাগে? কিংবা আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার আন্দোলনে কার ডাকে স্কুলের পাশাপাশি মাদ্রাসা ছাত্ররা গিয়েছিল?

হাসনাত আবদুল্লাহর সঙ্গে নিজের যোগাযোগের প্রসঙ্গ তুলে মাদানী বলেন, একদিন হাসনাত তাকে ফোন করে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় আসতে বলেছিলেন। এতে তিনি অবাক হয়েছিলেন, কারণ তার নম্বর হাসনাত কোথা থেকে পেয়েছিলেন, তা তার জানা ছিল না।

মাদানী বলেন, পরে তিনি সঙ্গে থাকা লোকজনকে নিয়ে ঢাকায় যান এবং শাহবাগে অনেক মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকেও উপস্থিত দেখতে পান। দেশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর হাসনাতের আমন্ত্রণে তার বাড়িতে আয়োজিত মাহফিলেও গিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে রুমিন ফারহানা ও ফজলুর রহমানকে নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেন মাদানী। তাদের ‘বাইরের এজেন্ট’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, রুমিন ফারহানা বা ফজলুর রহমান—এ ধরনের লোক পায়ে ধরে সারাদিন পড়ে থাকলেও আমরা কোথাও যাব না। এদের আমরা বাইরের এজেন্ট মনে করি। এদের বক্তব্যের মাঝেমধ্যে প্রতিবাদ করি, আবার করিও না!

হাসনাত আবদুল্লাহ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও নাহিদ ইসলাম মাদ্রাসা বা মসজিদে গেলে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজেদের মানুষ মনে করে সম্মান ও ভালোবাসা দেখান বলেও দাবি করেন মাদানী।

তিনি লেখেন, ‘এখন সেই মানুষগুলো যখন সংসদের মতো জায়গায় এভাবে না জেনে, না শুনে বক্তব্য দিলে কষ্ট তো লাগবেই!’

মাদানীর ভাষ্য, আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতে থাকা ‘শাহবাগী মার্কা কথা বলা’ ব্যক্তিদের বক্তব্যে আলেমদের তেমন প্রতিক্রিয়া হয় না, কারণ তাদের তিনি ‘চিহ্নিত’ বলে মনে করেন। কিন্তু যাদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন এবং যাদের প্রতি ভালোবাসা ও সম্পর্ক রয়েছে, তারা এমন কিছু করলে সেটিকে তিনি ‘বেঈমানী’ হিসেবে দেখেন।