বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ক্রিকেট

বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে দূরে রাখায় বড় ভুল করেছে অন্তর্বর্তী সরকার : সাকিব আল হাসান

আইপিএলের নিলামে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকে দল পেয়েছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। ভারতীয় মুদ্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় কলকাতা নাইট রাইডার্স-এর হয়ে চুক্তিবদ্ধ হলেও শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টে খেলতে পারেননি এই বাঁহাতি পেসার। ভারতে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের চাপের মুখে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) তাকে আইপিএল থেকে সরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনাকে […]

বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে দূরে রাখায় বড় ভুল করেছে অন্তর্বর্তী সরকার : সাকিব আল হাসান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২১:৪০

আইপিএলের নিলামে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকে দল পেয়েছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। ভারতীয় মুদ্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় কলকাতা নাইট রাইডার্স-এর হয়ে চুক্তিবদ্ধ হলেও শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্টে খেলতে পারেননি এই বাঁহাতি পেসার।

ভারতে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের চাপের মুখে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) তাকে আইপিএল থেকে সরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে।

নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে পরবর্তীতে তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার লিটন দাস ও তাসকিন আহমেদদের ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যেতে দেয়নি। বিষয়টি নিয়ে দেশে সরকার ও ক্রিকেট বোর্ডের সমালোচনা শুরু হয়, যার প্রভাব এখনো রয়েছে।

ভারতের মুম্বাইয়ে এক অনুষ্ঠানে—ইইউ টি-টোয়েন্টি বেলজিয়াম-২০২৬-এর জার্সি উন্মোচনে—এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সাকিব আল হাসান বলেন, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে অংশ নিতে না দেওয়াটা অন্তর্বর্তী সরকারের বড় ভুল ছিল।

ভারতীয় ক্রীড়াভিত্তিক ওয়েবসাইট RevSportz-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য বড় ক্ষতি। তার ভাষায়, একটি দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে নিজেদের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ দেখতে চাওয়া স্বাভাবিক, আর বাংলাদেশের মতো দলের অনুপস্থিতি ছিল বড় ধরনের মিস।

তিনি আরও বলেন, “এটি সরকারের পক্ষ থেকে একটি বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল যে তারা সেই বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।”

নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে সাবেক অধিনায়ক জানান, সময়ের সঙ্গে সবকিছু স্বাভাবিক হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। দেশের মাটিতে ক্যারিয়ার শেষ করার ইচ্ছাও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

খেলা

ডিবি পরিচয়ে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর ও হেনস্তা

ঢাকা থেকে প্রিমিয়ার লিগ খেলে চট্টগ্রাম ফিরেই ডিবি পরিচয়ে নির্মম মারধর ও চরম হেনস্তার শিকার হয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসান। শুক্রবার (১২ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর লালখানবাজার ফ্লাইওভারের মুখে এই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে। আহত এই ক্রিকেটার চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে নিজ বাসায় অবস্থান করছেন। নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও […]

ডিবি পরিচয়ে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর ও হেনস্তা

ডিবি পরিচয়ে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর ও হেনস্তা

নিউজ ডেস্ক

১৩ জুন ২০২৬, ১০:০০

ঢাকা থেকে প্রিমিয়ার লিগ খেলে চট্টগ্রাম ফিরেই ডিবি পরিচয়ে নির্মম মারধর ও চরম হেনস্তার শিকার হয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসান। শুক্রবার (১২ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর লালখানবাজার ফ্লাইওভারের মুখে এই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে।

আহত এই ক্রিকেটার চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে নিজ বাসায় অবস্থান করছেন। নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও রেহাই পাননি বলে অভিযোগ করেছেন ২৬ বছর বয়সী এই স্পিনার।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে নাঈম হাসান বলেন, ‘ফ্লাইট বিলম্ব হওয়ায় এয়ারপোর্ট থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বাসায় ফিরছিলাম। লালখানবাজার ফ্লাইওভারের নিচে পুলিশ আমার সিএনজি থামিয়ে চালকের কাগজপত্র নেয়। আমি নিজে থেকেই পুলিশকে ব্যাগ চেক করতে বলি। কিন্তু আচমকা একজন আমার গলা চিপে ধরে গাড়িতে উঠতে বলে। আমি প্রতিবাদ করে ধাক্কা দিয়ে বের হয়ে আসতেই তারা আমাকে পাইপ ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে।’

নাঈম আরও জানান, হামলাকারীদের মধ্যে দুজন পুলিশ সদস্য ও একজন পাঞ্জাবি পরিহিত ব্যক্তি ছিলেন, যিনি নিজেকে ডিবির সোর্স বা কর্মকর্তা পরিচয় দেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত শত শত মানুষ নাঈমের ক্রিকেটার পরিচয় নিশ্চিত করার পরও মারধর থামেনি। উল্টো ‘তুই আসামি, কথা বলবি না’ বলে তাকে ধমকাতে থাকে। পরবর্তীতে তাকে খুলশি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। থানায় নেওয়ার পর মোবাইল হাতে পেয়ে নাঈম দ্রুত বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তামিম ইকবাল তাৎক্ষণিক খুলশি থানার ওসি এবং নাঈমের বাবার সঙ্গে কথা বলে সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেন।

এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুলিশ প্রশাসনে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘নাঈম হাসান অবশ্যই ন্যায়বিচার পাবেন। পুলিশ সদস্য যেই হোক না কেন, এ বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করব। কারণ এর সঙ্গে পুলিশের ভাবমূর্তি জড়িত। নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নে আমরা কাজ করছি, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো অন্যায় বরদাশত করা হবে না।’

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, কোনো একটি চোরাচালানের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে অভিযানে গিয়েছিল। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি যথাযথ আইনি নিয়মে হয়েছে কি না এবং মারধরের ঘটনাটি খতিয়ে দেখে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।