বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

রাষ্ট্রপতি পদে নতুন আলোচনায় বিএনপির ৪ জ্যেষ্ঠ নেতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি পদ নিয়ে দেশে তীব্র রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকারি দলের মধ্যে এবং বিরোধী দল বিএনপি ও জনমতেও এ বিষয়ে নানা মত তৈরি হচ্ছে। বর্তমানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদে থাকলেও প্রশ্ন উঠেছে, তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন কি না, নাকি তাকে ইমপিচমেন্ট বা অভিশংসনের মাধ্যমে সরানো হবে। আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞরা […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ মার্চ ২০২৬, ১৩:০৭

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি পদ নিয়ে দেশে তীব্র রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকারি দলের মধ্যে এবং বিরোধী দল বিএনপি ও জনমতেও এ বিষয়ে নানা মত তৈরি হচ্ছে। বর্তমানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদে থাকলেও প্রশ্ন উঠেছে, তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন কি না, নাকি তাকে ইমপিচমেন্ট বা অভিশংসনের মাধ্যমে সরানো হবে।

আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করলে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করতে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট প্রয়োজন। ইতিহাসে উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ২০০১ সালে অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে ইমপিচমেন্টের চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিএনপি এমন ঝুঁকি নিতে চাইছে না।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, রাষ্ট্রপতি পদে বসানোর জন্য বিএনপি প্রবীণ ও অভিজ্ঞ নেতাদের দিকে নজর দিচ্ছে। আলোচনায় থাকা প্রধান চারজন নেতা হলেন— স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন কুমিল্লা-১ ও ২ আসন থেকে মোট পাঁচবার সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং বয়স ও স্বাস্থ্যগত কারণে কিছুটা অসুস্থ। তবে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিকভাবে তিনি অভিজ্ঞ এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও তাকে শ্রদ্ধার দৃষ্টিতে দেখেন।

ড. আবদুল মঈন খান নরসিংদী-২ আসন থেকে চারবার নির্বাচিত হয়েছেন, এবং গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঢাকা-৩ আসন থেকে নির্বাচিত স্থায়ী কমিটির নেতা।

রাষ্ট্রপতি নিয়োগে এখন কৌশলী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সরকারি দল চাইলে রাষ্ট্রপতি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করতে পারেন। তবে বিএনপি এখনই কোনো বিব্রতকর পরিস্থিতি নিতে চাইছে না। সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি রাষ্ট্রপতিকে সরানোর চেষ্টা করলেও বিএনপি কৌশলী অবস্থান অবলম্বন করছে।

যদি নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করা হয়, তাহলে তার মেয়াদ বর্তমান সরকারের মেয়াদের সঙ্গে মিলিয়ে পূর্ণ হবে, যা পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ও প্রভাব ফেলবে।

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন যদি রাষ্ট্রপতির পদে বসতে না পারেন, তবে তাকে মন্ত্রী পদমর্যাদায় সম্মানিত করা হতে পারে। একইভাবে ড. আবদুল মঈন খানকেও সমমর্যাদার পদ দেওয়া হতে পারে। ইতোমধ্যেই জাতীয় সংসদে প্রথম অধিবেশনে স্পিকার পদে মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমদ এবং ডেপুটি স্পিকার পদে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নির্বাচিত হয়েছেন।

বেশিরভাগ সিনিয়র নেতা ইতোমধ্যেই মন্ত্রিসভায় রয়েছেন, কিন্তু ড. খন্দকার মোশাররফ, ড. আবদুল মঈন খান ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সরকারের বাইরে আছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচনের পর পদত্যাগ করতে আগ্রহী, কারণ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তিনি ‘অপমানিত বোধ করেছেন’।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেছিলেন, আমি সরে যেতে চাই, আমি সরে যেতে আগ্রহী। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদে থাকায় আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।