শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কারে ইবি ছাত্রশিবিরের ১১০ দফা প্রস্তাব 

ইরফান উল্লাহ্, ইবি প্রতিনিধি: বেস্ট টিচার অ্যাওয়ার্ড চালু করা, গণরুম-গেস্টরুম কালচার বন্ধ, দ্রুত ছাত্র সংসদ প্রতিষ্ঠা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের সাথে জাড়িত শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ, আওয়ামী শাসনামলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দূর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ, শিক্ষকদের মূল্যায়নের ব্যবস্থা চালু, সেশনজট নিরসন, মাদকমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত ও ভর্তি পরীক্ষার সংষ্কারসহ ১১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ছাত্রশিবির। শনিবার […]

নিউজ ডেস্ক

০১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:২১

ইরফান উল্লাহ্, ইবি প্রতিনিধি:

বেস্ট টিচার অ্যাওয়ার্ড চালু করা, গণরুম-গেস্টরুম কালচার বন্ধ, দ্রুত ছাত্র সংসদ প্রতিষ্ঠা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের সাথে জাড়িত শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ, আওয়ামী শাসনামলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দূর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ, শিক্ষকদের মূল্যায়নের ব্যবস্থা চালু, সেশনজট নিরসন, মাদকমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত ও ভর্তি পরীক্ষার সংষ্কারসহ ১১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ছাত্রশিবির।

শনিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বরাবর এ সংক্রান্ত একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনটির নেতারা। পরে বিকেলে এ সংস্কার প্রস্তাব সংক্রান্ত বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিং করেন তারা। এসময় সংগঠনটির সভাপতি এইচ এম আবু মুসা, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান ও দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ আলী উপস্থিত ছিলেন।

প্রেস ব্রিফিং-এ প্রস্তাবনা পেশ করেন সভাপতি এইচ এম আবু মুসা। উল্লেখযোগ্য প্রস্তাবগুলো হলো- স্বৈরশাসনামলে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতনকারী ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিচার নিশ্চিত করা, ২০১২ সালে গুমের শিকার ইবির ২ শিক্ষার্থী ওয়ালিউল্লাহ ও মুকাদ্দাসের সন্ধানে পদক্ষেপ গ্রহণ, হিজাব-নিকাব নিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে আক্রমনাত্মক আচরণ ও ইসলাম বিদ্বেষী কার্যক্রমের সাথে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা, ফ্যাসিবাদের আইকনদের নামের স্থাপনার নাম পরিবর্তন, শিক্ষার্থীদের শতভাগ আবাসন নিশ্চিতকরন, ক্লাসরুম সংকট নিরসন, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিতকরণ, জব এইড কর্ণার চালু করা,  মাদকবিরোধী সেল গঠন করা ও কেন্দ্রীয় রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা।

প্রস্তাবনার মধ্যে আরো আছে- কুস্টিয়া ও ঝিনাইদহের সাথে রেল যোগাযোগ স্থাপন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গঠন, সুইমিং পুল ও স্টেডিয়াম তৈরি, শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা, ইবি থানা স্থানান্তর বাতিল করা, মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা, সপ্তাহে ৭ দিন কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার খোলা রাখা, সকল বিভাগে ছাত্রীদের জন্য নামাজের রুম ও কমনরুম তৈরি করা, চিকিৎসাকেন্দ্র আধুনিকায়ন করা, ডিজিটাল পরিচয়পত্র প্রদান, ক্যাফেটেরিয়া সংস্কার করা এবং জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি সংরক্ষণ করা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০১

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩