রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

খালেদা জিয়া নোবেল পাওয়ার যোগ্য: বরকত উল্লাহ বুলু

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নোবেল প্রাইজ পাওয়ার যোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু। রোববার (২৪ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, গ্রাম-বাংলার মা-বোনদের বিবর্তন ও সাংস্কৃতিক বিবর্তনে বেগম খালেদা জিয়ার ব্যাপক ভূমিকা। বেগম খালেদা জিয়া […]

খালেদা জিয়া নোবেল পাওয়ার যোগ্য: বরকত উল্লাহ বুলু

খালেদা জিয়া নোবেল পাওয়ার যোগ্য: বরকত উল্লাহ বুলু

নিউজ ডেস্ক

২৫ আগস্ট ২০২৫, ১১:০৩

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নোবেল প্রাইজ পাওয়ার যোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু।

রোববার (২৪ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, গ্রাম-বাংলার মা-বোনদের বিবর্তন ও সাংস্কৃতিক বিবর্তনে বেগম খালেদা জিয়ার ব্যাপক ভূমিকা। বেগম খালেদা জিয়া নোবেল প্রাইজ পাওয়ার যোগ্য। গ্রাম বাংলার মা-বোনদের যে বিবর্তন, সংস্কৃতির যে বিবর্তন তার একমাত্র কারণ খালেদা জিয়া। ১৯৯১ সালে তিনি ক্ষমতায় এসে মেয়েদের বিনা বেতনে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করেছেন। উপবৃত্তির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তখন অনেকে আমাকে বলেছিলেন মেয়েদের ফ্রি লেখাপড়া হচ্ছে ছেলেদের কি হবে? তখন আমি খালেদা জিয়াকে বিষয়টি বললাম। এর উত্তরে তিনি বললেন- ‘আজকে যেসব মেয়েরা লেখাপড়া করছে তারাই একদিন মা হবেন। যে পরিবারে মা শিক্ষিত সেই পরিবারের সন্তান শিক্ষিত হয়।’ তার এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত মা-বোনদের বিবর্তন ও সাংস্কৃতিক বিবর্তনে অন্যতম অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ৯০ এর গণঅভ্যুত্থান খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্বের কারণেই সম্ভব হয়েছে। সেই অভ্যুত্থানের পর চাইলে সেনাবাহিনী ক্ষমতা নিয়ে যেতে পারত। কিন্তু তারা ক্ষমতা নেয়নি। কারণ আমাদের সেনাবাহিনী দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী, মুক্তিযুদ্ধের সেনাবাহিনী। তারপর ৯১ সালে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে। যে নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

আওয়ামী লীগের রাজনীতির সুযোগ জিয়াউর রহমানের অনুদান উল্লেখ করে বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, শেখ মুজিব বাকশাল গঠন করে সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে বাকশাল বহাল না রেখে কেউ কোনো নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করতে চাইলে রাষ্ট্রপতি বরাবর আবেদন করার কথা বলেন। এরপরেই আব্দুল মালেক উকিল প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কাছে আওয়ামী লীগকে পুনরায় গঠন করার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি চান। আওয়ামী লীগ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অনুদানের প্রাপ্ত আওয়ামী লীগ। সেদিন যদি মালিক উকিলের আবেদনে জিয়াউর রহমান সাড়া না দিতেন তাহলে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের অস্তিত্ব থাকত না।

বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, দেশি-বিদেশি অনেক শক্তিই বিএনপির বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে। ভূ-রাজনৈতিক কারণে সারা বিশ্বের অনেক ঈগল পাখির চোখ বাংলাদেশে। সেই চোখ উপেক্ষা করে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে হবে। এর জন্য বিএনপির বিকল্প নেই। আমরা উগ্র রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। যারা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকার করে না, যারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণাকে বিশ্বাস করে না, বাংলাদেশে তাদের ভোট চাওয়ার অধিকার নাই, রাজনীতি করার অধিকার নাই।

এ সময় বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুস্তাক মিয়া, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের সুমন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অন্যান্য খবর

জীবনের প্রথম সিনেমায় মাত্র ৫ হাজার টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন অভিনেত্রী রিনা খান

আনোয়ার আরমান : বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ও পরিচিত মুখ রিনা খান। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে খলচরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে পেয়েছেন ব্যাপক পরিচিতি। সম্প্রতি দৈনিক সকালের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনয়জীবনের নানা স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন রিনা খান। অভিনেত্রী রিনা খান […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:৪৫

আনোয়ার আরমান :

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ও পরিচিত মুখ রিনা খান। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে খলচরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে পেয়েছেন ব্যাপক পরিচিতি।

সম্প্রতি দৈনিক সকালের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনয়জীবনের নানা স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন রিনা খান।

অভিনেত্রী রিনা খান জানান, ১৯৮২ সালে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা সুভাষ দত্ত পরিচালিত ‘সোহাগ মিলন’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় তার যাত্রা শুরু হয়। জীবনের প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন মাত্র পাঁচ হাজার টাকা। সেই পাঁচ হাজার টাকা দিয়েই শুরু হয়েছিল তার দীর্ঘ অভিনয় জীবনের পথচলা।

রিনা খানের দাবি, এখন পর্যন্ত তিনি ৮০০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। দীর্ঘ এই পথচলায় নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করলেও খলচরিত্রেই দর্শকদের কাছে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি।

পর্দায় ভয়ংকর ও কঠোর চরিত্রে দেখা গেলেও বাস্তব জীবনে রিনা খান অত্যন্ত সহজ-সরল ও আন্তরিক স্বভাবের একজন মানুষ।

বর্তমানে সিনেমাতে কম কাজ থাকলেও থেমে নেই তার পথচলা। নিয়মিত নাটক ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই গুণী অভিনেত্রী।

অন্যান্য খবর

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়। ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর […]

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৫৭

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়।

ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে দলটির মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি আবু সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

এর মধ্য দিয়ে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের সম্ভাব্য প্রার্থী সামনে আনল জামায়াতে ইসলামী।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪৬২

নিউজ ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:২৭