রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

আইন নিয়ে কেন পড়বেন?

দেশের প্রায় প্রতিটি পাবলিক কিংবা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়েই অন্যতম চাহিদাসম্পন্ন বিষয় আইন। বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কোর্স পড়ানো হয়। তবে সার্বিকভাবে আইন পড়তে হলে কিছু বিষয় একজনকে জানতেই হবে। এর মধ্যে অন্যতম ‘জুরিসপ্রুডেনস’, যা একাধারে আইনের বিজ্ঞান, দর্শন ও ব্যাকরণ। আইনের প্রাথমিক ধারণাগুলো এখানে আলোচনা করা হয়। তা ছাড়া পড়ানো হয় সাংবিধানিক আইন, যা ছাড়া আমরা এ […]

নিউজ ডেস্ক

১১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৫:০৯

দেশের প্রায় প্রতিটি পাবলিক কিংবা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়েই অন্যতম চাহিদাসম্পন্ন বিষয় আইন। বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কোর্স পড়ানো হয়। তবে সার্বিকভাবে আইন পড়তে হলে কিছু বিষয় একজনকে জানতেই হবে। এর মধ্যে অন্যতম ‘জুরিসপ্রুডেনস’, যা একাধারে আইনের বিজ্ঞান, দর্শন ও ব্যাকরণ।

আইনের প্রাথমিক ধারণাগুলো এখানে আলোচনা করা হয়। তা ছাড়া পড়ানো হয় সাংবিধানিক আইন, যা ছাড়া আমরা এ দেশের আইনগুলো বুঝতেই পারব না। বাংলাদেশে পারিবারিক আইনগুলোতে ধর্মীয় আইনের যে গভীর প্রভাব রয়েছে, তা আমরা বুঝি মুসলিম ও হিন্দু আইন পড়তে গেলে।

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশকে কী কী আইন মেনে চলতে হবে, তা পড়ানো হয় আন্তর্জাতিক আইনে।

তা ছাড়া স্নাতক পর্যায়ে ভূমি আইন, ক্রয়বিক্রয়–সংক্রান্ত আইন, পরিবেশ আইন, ক্রিমিনোলজি, সিপিসি, সিআরপিসি ইত্যাদি সবখানেই পড়ানো হয়। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে আরও কিছু বিশেষায়িত বিষয় পড়ানো হয়।

আইন খুবই বিস্তৃত বিষয়। তবে এ দেশে পেশাগত ক্ষেত্রে আইনের সঠিক বিকাশ হয়নি বলে মানুষ এখনো কয়েকটি প্রথাগত ক্ষেত্রেই ভবিষ্যৎ গড়ার কথা ভাবে—আদালতে ওকালতি, বিচারক কিংবা শিক্ষক। তবে এর বাইরে আরও অনেক অনেক কাজ সম্ভব। যেমন আইন পড়ে গবেষকও হওয়া যায়। গবেষণা যে শুধু আইনের ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকবে তা নয়। সমাজবিজ্ঞান, ধর্মতত্ত্ব, অর্থনীতি, মেডিকেল সায়েন্স সবকিছুর সঙ্গেই আইন নিয়ে গবেষণা সম্ভব। এ কারণে আইনকে আন্তগবেষণা ক্ষেত্রও বলা যায়।

প্রথমত, আইনজীবী হিসেবে সফল ক্যারিয়ার গড়ার সম্ভাবনা তো আছেই। কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীরা যেসব চাকরিতে আবেদনের যোগ্য, আইনের শিক্ষার্থীরাও সেই সব পদে অনায়াসে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। ‘জুডিশিয়াল সার্ভিস’ অর্থাৎ সহকারী জজ ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ‘সরকারি ফার্স্ট ক্লাস গেজেটেড অফিসার’ হওয়ার সুযোগ আছে, যা শুধু আইনের শিক্ষার্থীদের জন্যই। বিসিএসে পররাষ্ট্র, প্রশাসন, পুলিশ, কাস্টমস ইত্যাদি নন-টেকনিক্যাল ক্যাডারে যোগ দিতে পারবেন।

দেশের প্রায় প্রতিটি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনের শিক্ষকের চাহিদা আছে। কমিশনড অফিসার পদমর্যাদায় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীতে স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ‘জাজ অ্যাডভোকেট জেনারেল’ হিসেবে যোগ দেওয়া যায়। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘সহকারী আইনসচিব’ হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার কথাও ভাবতে পারেন।

এ ছাড়া বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি দূতাবাস, ব্যাংক ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে ‘ল অফিসার’ হিসেবে নিয়োগ পাওয়া যায়। আদালতে সরকারি আইন কর্মকর্তা বা পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োগ হয়। বিদেশে ইমিগ্রেশন কেস অফিসার বা ল অফিসার হিসেবে কাজ করেন অনেকে।

আইনের ডিগ্রিধারীদের জন্য রয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা—যেমন ইউএনএইচসিআর, ইউএনডিপি, ডব্লিউএইচও, ইউনিসেফ, আইওএম, আইএলও ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ। আইনি পরামর্শক বা উপদেষ্টা হিসেবেও ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। তা ছাড়া মানবাধিকার কিংবা নারী ও শিশু অধিকার নিয়ে যদি কেউ কাজ করতে চান, তবে তাঁর জন্য সেরা প্ল্যাটফর্ম আইনপাঠ।

কেউ যদি একটু ব্যতিক্রম কোনো ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হতে চান, চলচ্চিত্রশিল্পে আইন পরামর্শক বা কোর্টরুম–বিষয়ক চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যকারও হতে পারেন। আইনের বিষয়গুলো গল্পচ্ছলে লিখে হতে পারেন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক জন গ্রিশামের মতো লেখকও।

বিষয়টা যখন আইন তখন অন্তত এই প্রশ্ন করা উচিত নয় যে কারা পড়বে। আইনপাঠ সবার জন্য জরুরি। অতএব উত্তর একটাই—আইন সবাই পড়বে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে কারা পড়বেন? এ ক্ষেত্রে দুটো ভাগ করা যায়। প্রথমত, গবেষণার প্রবৃত্তি যাঁদের আছে।

আইনের শাসন আছে কি না, আইনগুলো সমাজের সঙ্গে খাপ খাচ্ছে কি না—এসব নিয়ে যাঁরা চিন্তাভাবনা করতে ভালোবাসেন, তাঁরাই আইন পড়বেন। আর দ্বিতীয়ত, যাঁরা পেশাগত
তবে একজন ছাত্রের কিছু বৈশিষ্ট্য থাকা দরকার যা আইন পড়তে সাহায্য করবে।

গভীরভাবে চিন্তা করতে পারা তার মধ্যে অন্যতম। আইন কখনোই মুখস্থের বিষয় নয়। অনেকের ভুল ধারণা যে আইনের ধারা জানা মানেই আইন জানা। যা মোটেও সত্য নয়। আইন পড়ার প্রথম ধাপ হচ্ছে একটা বিষয়কে বিশ্লেষণ করতে পারা। গভীর চিন্তাশক্তি এ ক্ষেত্রে খুব জরুরি।

জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আইনের অনেক বিষয় ব্যবসায় শিক্ষার বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত—চুক্তি আইন, ব্যবসায়িক আইন, প্রাতিষ্ঠানিক আইন যার মধ্যে অন্যতম। ঠিক তেমনি সম্পর্ক আছে বিজ্ঞানের বিষয়গুলোর সঙ্গে। এনার্জি ল কিংবা ফরেনসিক ল তো তাঁদেরই জন্য, যাঁরা একসময় পদার্থবিজ্ঞান কিংবা জীববিজ্ঞান পড়তে ভালোবাসতেন।

অন্যান্য খবর

জীবনের প্রথম সিনেমায় মাত্র ৫ হাজার টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন অভিনেত্রী রিনা খান

আনোয়ার আরমান : বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ও পরিচিত মুখ রিনা খান। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে খলচরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে পেয়েছেন ব্যাপক পরিচিতি। সম্প্রতি দৈনিক সকালের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনয়জীবনের নানা স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন রিনা খান। অভিনেত্রী রিনা খান […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:৪৫

আনোয়ার আরমান :

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ও পরিচিত মুখ রিনা খান। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে খলচরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে পেয়েছেন ব্যাপক পরিচিতি।

সম্প্রতি দৈনিক সকালের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনয়জীবনের নানা স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন রিনা খান।

অভিনেত্রী রিনা খান জানান, ১৯৮২ সালে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা সুভাষ দত্ত পরিচালিত ‘সোহাগ মিলন’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় তার যাত্রা শুরু হয়। জীবনের প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন মাত্র পাঁচ হাজার টাকা। সেই পাঁচ হাজার টাকা দিয়েই শুরু হয়েছিল তার দীর্ঘ অভিনয় জীবনের পথচলা।

রিনা খানের দাবি, এখন পর্যন্ত তিনি ৮০০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। দীর্ঘ এই পথচলায় নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করলেও খলচরিত্রেই দর্শকদের কাছে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি।

পর্দায় ভয়ংকর ও কঠোর চরিত্রে দেখা গেলেও বাস্তব জীবনে রিনা খান অত্যন্ত সহজ-সরল ও আন্তরিক স্বভাবের একজন মানুষ।

বর্তমানে সিনেমাতে কম কাজ থাকলেও থেমে নেই তার পথচলা। নিয়মিত নাটক ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই গুণী অভিনেত্রী।

অন্যান্য খবর

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়। ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর […]

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৫৭

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়।

ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে দলটির মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি আবু সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

এর মধ্য দিয়ে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের সম্ভাব্য প্রার্থী সামনে আনল জামায়াতে ইসলামী।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪৬২

নিউজ ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:২৭