২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হলো আর্জেন্টিনার। টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয়ের আশা পূরণ না হওয়ায় ম্যাচ শেষে আবেগ সামলাতে পারেননি অধিনায়ক লিওনেল মেসি। রানার্সআপের পদক গ্রহণের পর মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই তারকা।
নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে পুরো ১২০ মিনিটেও আর্জেন্টিনা গোলের দেখা পায়নি। স্পেন অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে শিরোপা নিশ্চিত করে। ম্যাচ শেষে শেষ বাঁশি বাজতেই মেসি মাঠে বসে পড়েন এবং দুই হাত দিয়ে মুখ ঢেকে নিজের আবেগ লুকানোর চেষ্টা করেন। সতীর্থ ও প্রতিপক্ষের সান্ত্বনাও যেন তার হৃদয়ভাঙার কষ্ট কমাতে পারেনি।
রানার্সআপের পদক গ্রহণের পরও নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি তিনি। আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দিকে এগিয়ে যেতেই চোখে জল চলে আসে মেসির। অনেকের মতে, এটিই ছিল জাতীয় দলের জার্সিতে তার শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ।
মেসি হয়তো ক্লাব ফুটবলে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলা চালিয়ে যাবেন। তবে পরবর্তী বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে তার ৪৩ বছর বয়সে, তাই জাতীয় দলের হয়ে আর বিশ্বকাপে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।
এটি ছিল মেসির তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল। ২০২২ সালে কাতারে তিনি বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পান, আর ২০১৪ ও ২০২৬ সালে রানার্সআপ হন।
এক নজরে মেসির বিশ্বকাপ ক্যারিয়ার
৬টি বিশ্বকাপ
৩৪টি ম্যাচ (বিশ্বকাপে সর্বাধিক)
২১টি গোল (ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ)
১২টি অ্যাসিস্ট (ইতিহাসে সর্বাধিক)
২৩টি জয়
৫টি ড্র
৬টি হার
১৬ বার ম্যাচসেরা
১টি বিশ্বকাপ শিরোপা (২০২২)
২ বার রানার্সআপ (২০১৪ ও ২০২৬)