রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করতে ২৬ ঘণ্টার আলটিমেটাম

কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেফতারের জন্য সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছে জুলাই রেভ্যুলেশনারি অ্যালায়েন্স (জেআরএ)। সংগঠনটির ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, আফ্রিদি শুধু বর্তমান সরকারের সময়কালের নয়, ১৫ আগস্টের আওয়ামী লীগ ক্যাম্পেইনের সময়ও অর্থ সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রোববার জেআরএ-এর ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, ‌‘স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মহোদয় এবং ডিএমপি কমিশনার মহোদয়, জুলাই রেভ্যুলেশনারি অ্যালায়েন্স, প্রাইভেট […]

নিউজ ডেস্ক

১৭ আগস্ট ২০২৫, ২২:১৮

কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেফতারের জন্য সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছে জুলাই রেভ্যুলেশনারি অ্যালায়েন্স (জেআরএ)। সংগঠনটির ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, আফ্রিদি শুধু বর্তমান সরকারের সময়কালের নয়, ১৫ আগস্টের আওয়ামী লীগ ক্যাম্পেইনের সময়ও অর্থ সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

রোববার জেআরএ-এর ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, ‌‘স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মহোদয় এবং ডিএমপি কমিশনার মহোদয়, জুলাই রেভ্যুলেশনারি অ্যালায়েন্স, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (পুনাব) এবং জুলাই ঐক্যসহ অন্যান্য জুলাইর সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে আফ্রিদিকে গ্রেফতারের জন্য আর মাত্র ২৬ ঘণ্টা বাকি। আফ্রিদি বাংলাদেশেই আছে। এই ছবিটি গতকালের। কোনো নাটক চলবে না, সোজাসাপ্টা গ্রেফতার করতে হবে।’

গ্রেফতারের এই আলটিমেটাম নিয়ে সরকার বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

এদিকে আজ তৌহিদ আফ্রিদির বাবা মাইটিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সাথীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় নাসির উদ্দীনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানায় মাইটিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সাথী ও তার ছেলে কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি এবং শেখ হাসিনাসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়। মামলাটি করেন মো. জয়নাল আবেদীন নামে এক ব্যক্তি।

এ মামলায় প্রধান আসামি করা হয় স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাকে। আসামির তালিকায় ২ নম্বরে রয়েছেন সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং ৩ নম্বরে সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুন।

মামলায় ১১ নম্বর আসামি তৌহিদ আফ্রিদি এবং ২২ নম্বর আসামি তার বাবা নাসির উদ্দিন সাথী। এ হত্যা মামলায় মোট ২৫ জনকে আসামি করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাত আরও ১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়া

পাটওয়ারী-সারজিসের গাড়ি বহরে লীগের জয় বাংলা হয়েছে,আরও বেশি বেশি আ.লীগের পাশে থাকুন, দোচন খান: ইলিয়াস

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। পোস্টে আরও বলা হয়, এ ঘটনাকে আওয়ামী লীগের প্রতি জনসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ওই পোস্টে […]

পাটওয়ারী-সারজিসের গাড়ি বহরে লীগের জয় বাংলা হয়েছে,আরও বেশি বেশি আ.লীগের পাশে থাকুন, দোচন খান: ইলিয়াস

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুলাই ২০২৬, ২২:৪১

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। পোস্টে আরও বলা হয়, এ ঘটনাকে আওয়ামী লীগের প্রতি জনসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ওই পোস্টে লেখক আওয়ামী লীগের সমর্থকদের উদ্দেশে দলটির পাশে থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় দেড় বছর আগেই এমন পরিস্থিতির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন বলে তার দাবি।

সোশ্যাল মিডিয়া

‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা’: নুরের পোস্টে আমিরের ‘সহমত’

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করেছেন মুফতি আমির হামজা। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নুরুল হক নুরের ওই পোস্টটি শেয়ার করেন তিনি। শেয়ার করা পোস্টে নুর লিখেছেন, ‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা! যারা পতিতার মতো টাকা/সুযোগ-সুবিধায় বিক্রি হয়, এদের থেকে ভালো কিছু পাওয়ার আছে?’ শেয়ার […]

‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা’: নুরের পোস্টে আমিরের ‘সহমত’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪১

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করেছেন মুফতি আমির হামজা।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নুরুল হক নুরের ওই পোস্টটি শেয়ার করেন তিনি।

শেয়ার করা পোস্টে নুর লিখেছেন, ‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা! যারা পতিতার মতো টাকা/সুযোগ-সুবিধায় বিক্রি হয়, এদের থেকে ভালো কিছু পাওয়ার আছে?’

শেয়ার করা পোস্টটি দেখা যায়, নুরুল হক নুরের ওই পোস্টটি ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই প্রকাশ করা হয়েছিল। পরে মুফতি আমির হামজা সেটি নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে শেয়ার করেন।

নুরুল হক নুরের পোস্ট শেয়ার আমির হামজা লেখেন ‘সহমত’।

সোশ্যাল মিডিয়া

হুজুররা হাসনাতের বেলায় চেতছে, বিএনপির বেলায় চুপ, ‘ওপেন শত্রুতা সহ্য হয়, মোনাফেকি না!: মাদানী

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যে বিএনপির নেতাদের বক্তব্যের সঙ্গে আলেমদের প্রতিক্রিয়ার তুলনা টেনেছেন শিশুবক্তা হিসেবে পরিচিত রফিকুল ইসলাম মাদানী। তিনি দাবি করেছেন, হাসনাতের সঙ্গে সম্পর্ক ও জুলাইয়ের আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার কারণেই তার বক্তব্যে কষ্ট পেয়েছেন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও আলেমরা। রোববার (৩০ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে […]

হুজুররা হাসনাতের বেলায় চেতছে, বিএনপির বেলায় চুপ, ‘ওপেন শত্রুতা সহ্য হয়, মোনাফেকি না!: মাদানী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫২

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যে বিএনপির নেতাদের বক্তব্যের সঙ্গে আলেমদের প্রতিক্রিয়ার তুলনা টেনেছেন শিশুবক্তা হিসেবে পরিচিত রফিকুল ইসলাম মাদানী।

তিনি দাবি করেছেন, হাসনাতের সঙ্গে সম্পর্ক ও জুলাইয়ের আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার কারণেই তার বক্তব্যে কষ্ট পেয়েছেন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও আলেমরা।

রোববার (৩০ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন রফিকুল ইসলাম মাদানী।

পোস্টে তিনি লেখেন, যারা বলার চেষ্টা করছেন—এই হুজুররা হাসানাতের বেলায় এত চেতছে, অথচ ফজলুর রহমান, রুমিন ফারহানা বা অন্য কেউ বললে তো এত চেতে না। এর মাধ্যমে তারা ‘ফান্ডিং আন্দোলন’ করেন—এমন ধারণা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এর জবাবে মাদানী প্রশ্ন তোলেন, বাই রাজুতে আসেন বলার পর রুমিন ফারহানা বা ফজলুর রহমানের ডাকে কোন মাদ্রাসা ছাত্ররা গিয়েছিল শাহবাগে? কিংবা আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার আন্দোলনে কার ডাকে স্কুলের পাশাপাশি মাদ্রাসা ছাত্ররা গিয়েছিল?

হাসনাত আবদুল্লাহর সঙ্গে নিজের যোগাযোগের প্রসঙ্গ তুলে মাদানী বলেন, একদিন হাসনাত তাকে ফোন করে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় আসতে বলেছিলেন। এতে তিনি অবাক হয়েছিলেন, কারণ তার নম্বর হাসনাত কোথা থেকে পেয়েছিলেন, তা তার জানা ছিল না।

মাদানী বলেন, পরে তিনি সঙ্গে থাকা লোকজনকে নিয়ে ঢাকায় যান এবং শাহবাগে অনেক মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকেও উপস্থিত দেখতে পান। দেশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর হাসনাতের আমন্ত্রণে তার বাড়িতে আয়োজিত মাহফিলেও গিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে রুমিন ফারহানা ও ফজলুর রহমানকে নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেন মাদানী। তাদের ‘বাইরের এজেন্ট’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, রুমিন ফারহানা বা ফজলুর রহমান—এ ধরনের লোক পায়ে ধরে সারাদিন পড়ে থাকলেও আমরা কোথাও যাব না। এদের আমরা বাইরের এজেন্ট মনে করি। এদের বক্তব্যের মাঝেমধ্যে প্রতিবাদ করি, আবার করিও না!

হাসনাত আবদুল্লাহ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও নাহিদ ইসলাম মাদ্রাসা বা মসজিদে গেলে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজেদের মানুষ মনে করে সম্মান ও ভালোবাসা দেখান বলেও দাবি করেন মাদানী।

তিনি লেখেন, ‘এখন সেই মানুষগুলো যখন সংসদের মতো জায়গায় এভাবে না জেনে, না শুনে বক্তব্য দিলে কষ্ট তো লাগবেই!’

মাদানীর ভাষ্য, আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতে থাকা ‘শাহবাগী মার্কা কথা বলা’ ব্যক্তিদের বক্তব্যে আলেমদের তেমন প্রতিক্রিয়া হয় না, কারণ তাদের তিনি ‘চিহ্নিত’ বলে মনে করেন। কিন্তু যাদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন এবং যাদের প্রতি ভালোবাসা ও সম্পর্ক রয়েছে, তারা এমন কিছু করলে সেটিকে তিনি ‘বেঈমানী’ হিসেবে দেখেন।