শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

৫ আগস্টের পর ধৈর্য্য ধরেছি, নির্বাচনের পর আর কোনো ছাড় দেওয়া হবে না : আসিফ মাহমুদ

এনসিপির নির্বাচন পরিচলানা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ৫ আগস্টের পরে আমরা যথেষ্ট ধৈর্য ধরেছি, পূববর্তীতে আপনাদের অবস্থানের কারণে আমরা যথেষ্ট ছাড় দিয়েছি। কিন্তু এবারের নির্বাচনের পরে কিন্তু সেই ছাড় দেওয়া হবে না। এবারের নির্বাচনে যারা এই বায়াসড অবস্থান গ্রহণ করছেন, যারা আমাদের সাংবাদিক ভাইদের মাঠ পর্যায়ে থেকে সংগৃহীত নিউজের ক্ষেত্রে বায়াসনেস দেখাচ্ছেন, […]

৫ আগস্টের পর ধৈর্য্য ধরেছি, নির্বাচনের পর আর কোনো ছাড় দেওয়া হবে না : আসিফ মাহমুদ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২:৩৪

এনসিপির নির্বাচন পরিচলানা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ৫ আগস্টের পরে আমরা যথেষ্ট ধৈর্য ধরেছি, পূববর্তীতে আপনাদের অবস্থানের কারণে আমরা যথেষ্ট ছাড় দিয়েছি।

কিন্তু এবারের নির্বাচনের পরে কিন্তু সেই ছাড় দেওয়া হবে না। এবারের নির্বাচনে যারা এই বায়াসড অবস্থান গ্রহণ করছেন, যারা আমাদের সাংবাদিক ভাইদের মাঠ পর্যায়ে থেকে সংগৃহীত নিউজের ক্ষেত্রে বায়াসনেস দেখাচ্ছেন, যে কোনটা প্রচার করা যাবে, কোনটা প্রচার করা যাবে না।

এক পার্টির বা এক পক্ষের, এক জোটের নিউজ ব্লক করে দিচ্ছেন। আরেক পার্টির বা আরেক জোটের নিউজটা ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করছেন বা ফ্রেমিং করছেন, প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছেন। তাদের প্রতি আমাদের সতর্কতা আমরা জানাতে চাই যে, আমরা কিন্তু আমরা এগুলো নোট রাখছি যে কারা এই ধরনের এজেন্সির পক্ষপাত্বিত করেন।

এটার জবাব আপনাদেরকে দিতে হবে। আজ বুধবার (১১ পেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

আরপিও অপব্যাখ্যা করে ১১ দলের নেতাকর্মীদের ফ্রেমিংয়ের চেষ্টা হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, আরপিও বা নির্বাচনের যে নীতিমালা আছে সেগুলো অপপ্রয়োগ এবং অপব্যাখ্যার মাধ্যমে ফ্রেমিং করে নির্দিষ্ট ভাবে ১১ দলের নেতাকর্মী এবং প্রার্থীদেরকে ফ্রেমিং করার এক ধরনের চেষ্টা হচ্ছে।

এই মিস ইনফরমেশনগুলো ছড়িয়ে, এই বিষয়গুলোকে বাড়িয়ে নিউজ করার মাধ্যমে এক ধরনের ন্যারেটিভ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।

বাংলাদেশের মিডিয়া ৫ আগস্ট পূর্ববর্তী বায়াসড অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, তারা আগে যেভাবে একটি নির্দিষ্ট দলকে সহযোগিতা করত সে ধরনের কার্যক্রম চালাচ্ছে। তাদের বিভিন্ন মিস ইনফরমেশন প্রোপাগান্ডা ছাড়তে সহযোগিতা করছে।

আমরা ৫ আগস্টের আগে দেখেছি যে মিডিয়া হাউজগুলো এক ধরনের দখল এবং শেখ হাসিনার লেসনী কার্যক্রমে নিয়োজিত ছিল। আমরা দেখেছি যে গোয়েন্দা সংস্থা যে হেডলাইন, যে শিরোনাম দিতো সেটাই দেখানো হতো। কিন্তু পাঁচে আগস্টের পর আমরা দেখেছি যে এই মিডিয়ার উপর সম্পূর্ণ দখল দিয়েও কিন্তু বাঁচা যায়নি।

মানুষের জন্য কুদরতের কাছে কোন মেকানিজম কিন্তু কাজ করেনি, মানুষ রাজপথে নেমে এসেছে এবং তারা সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্য দিয়ে সত্য প্রচার করেছে।

সুতরাং এখন মানুষের কাছে যে এক্সপার্টেজ আছে সোশ্যাল মিডিয়াসহ, তার মধ্য দিয়ে কিন্তু এই ডিজ ইনফরমেশনের জবাব দেয়া হচ্ছে। তবে আমরা বাংলাদেশের মিডিয়ায় যারা দায়িত্বে আছেন, গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছেন তাদেরকে সতর্ক করে দিতে চাই, আপনারা সঠিক তথ্য উপস্থাপন করুন, আপনারা এই বায়াসনেসটা দেখাবেন না।

তিনি আরও বলেন, সারাদেশে এক ধরনের মিসইনফরমেশন ওয়ার্ল্ড দেখতে পাচ্ছি সোশ্যাল মিডিয়া মিডিয়ার মাধ্যমে। যাদের নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করার কথা ছিল, ইলেকশন কমিশন থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ে যারা রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, প্রিজাইডিং অফিসার এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাইরেও কিছু ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে দেখা যায়নি।

মিডিয়ার মধ্যেও এক ধরনের একপাক্ষিক হয়ে, এগ্রেসিভ মোডে থাকার প্রবণতা আমরা দেখতে পাচ্ছি। বিভিন্ন আসনে আমাদের যারা প্রার্থী আছেন তাদের নেতাকর্মীদের উপর হামলা, তাদের পোলিং এজেন্টদেরকে ভয় প্রদর্শন, কেন্দ্রে আসার ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া, কেন্দ্রে আসতে নিষেধ করা হচ্ছে। আমরা আশা করব স্থানীয় পর্যায়ে নির্বাচনের দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলো দায়িত্বশীল ভূমিকায় থাকবেন এবং আগামীকাল শেষ পর্যন্ত বজায় রাখবেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন জায়গায় টাকা উদ্ধারের নামে, অভিযানের নামে অনেকের ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। মাত্র ২০ হাজার টাকা বহন করার কারণে আমাদের একজন নেতাকে ধরে হেনস্তা করা হয়েছে।

আমার বাসায় তো ল্যাপটপ আছে এখন ল্যাপটপ ল্যাপটপ বাসায় রাখাটাও কি অপরাধ? এগুলোকে সেখানে স্থানীয় প্রশাসন এবং বায়াসড লোকাল মিডিয়া যারা দায়িত্বশীল আছেন তাদের মাধ্যমে এক ধরনের নাটক মঞ্চায়ন করা হচ্ছে।

এই আরপিও কিংবা নির্বাচনের যে নীতিমালা আছে সেগুলো অপপ্রয়োগ এবং অপব্যাখ্যার মাধ্যমে ফ্রেমিং করে নির্দিষ্ট ভাবেই ১১ দলের নেতাকর্মী এবং প্রার্থীদেরকে ফ্রেমিং করার এক ধরনের চেষ্টা হচ্ছে। এই মিস ইনফরমেশনগুলো ছড়িয়ে, এই বিষয়গুলোকে বাড়িয়ে নিউজ করার মাধ্যমে এক ধরনের ন্যারেটিভ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।

দেশাবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা আগামীকাল বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবেন। সুতরাং অবশ্যই আপনাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। শুধুমাত্র নিজের ভোটার দিলে হবে না নিশ্চিত করতে হবে আপনার পরিবারের বাকি সদস্য আপনার প্রতিবেশীরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। ভোটাররা ভোট দিয়ে কেন্দ্র থেকে ফিরে যেতে পারেন সেটা নিশ্চিত করাটা দলমত নির্বিশেষে আমাদের সকলের দায়িত্ব। আমাদের প্রত্যাশা থাকবে আপনারা সে দায়িত্ব পালন করবেন।

১১ দলীয় জোটকে জয়ী করার আহ্বান জানিয়ে সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, আমাদের আহ্বান থাকবে সুপ্রশাসন, সার্বভৌমত্ব এবং সংস্কার প্রতিষ্ঠার লক্ষে এবং নতুন বাংলাদেশের অঙ্গীকার নিয়ে যে ১১ দলীয় জোট সেই জোটকে আপনারা জয়ী করবেন।

আমাদের শাপলা কলির যে আসনগুলোতে প্রার্থী আছে তাদেরকে ভোট দিবেন। আমরা আপনাদেরকে প্রতিজ্ঞা করতে চাই, আমাদের শাপলা কলির প্রার্থীরা যদি আপনাদের সমর্থন নিয়ে সংসদে যেতে পারে তাহলে আপনাদের জন্য আগামী পাঁচটি বছর কাজ করে যাবে।

নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের কাছে নির্বাচন আমানত উল্ল্যেখ করে এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন বলেন, আমাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের বাড়িতে হামলা হয়েছে।

বিশেষ করে নোয়াখালী-৬ আসনের প্রার্থী আব্দুল হান্নান মাসুদ ও সারজিস আলমের গাড়িতে হামলা হয়েছে। এ হামলাগুলো রাজনৈতিক সহিংসতার বার্তা দেয়। আমরা চাইনা, এই দেশে কোন সহিংসতার রাজনীতি থাকুক।

তিনি বলেন, নির্বাচনে হারজিত থাকবেই। জনগণকে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ করে দিতে হবে। এর জন্য নির্বানের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকে এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা আমাদের উপর হামলা করছে।

জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী ও দলটির ‍প্রধান ডা. শফিকুর রহমানের ১৩ নির্বাচনী বুথে ভাঙচুর করা হয়েছে। নির্বাচনের একদিন আগে প্রতিপক্ষের এসব সহিংসতা ভোটারদের মধ্যে ভীতির তৈরী করা হচ্ছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬৮

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬৮
বিষয়ঃ

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৮৬

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬৮