শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আমার স্পষ্ট বার্তা গণভোটে ‘না’ ভোটে সিল মারুন: জিএম কাদের

বিভ্রান্তিকর চারটি বিবৃতির আড়ালে ৩৮টি পরিবর্তন লুকিয়ে রাখা হয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে দেশে সংঘাত, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি তৈরি হবে। এ কারণে তিনি স্পষ্টভাবে গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:২৩

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের গণভোটে ‘না’ ব্যালটে সিল মারতে দলের নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার মধ্যরাতে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, দেশ এক চরম সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং সংবিধান নিয়ে সুপরিকল্পিত প্রতারণার আড়ালে বড় ধরনের পরিবর্তন চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী,

বিভ্রান্তিকর চারটি বিবৃতির আড়ালে ৩৮টি পরিবর্তন লুকিয়ে রাখা হয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে দেশে সংঘাত, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি তৈরি হবে। এ কারণে তিনি স্পষ্টভাবে গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

জিএম কাদের বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে ছিলেন এবং দলগতভাবেও জাতীয় পার্টি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে। রংপুরে দলের দুই কর্মী শহীদ হয়েছেন, চারজন কারাবরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, শহীদ ও নির্যাতিতদের যথাযথ মূল্যায়ন এবং তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতীয় পার্টি অঙ্গীকারাবদ্ধ।

রাষ্ট্র ও সংবিধানের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকার করলেও জিএম কাদের বলেন, এসব সংস্কার অবশ্যই সংবিধানসম্মত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হতে হবে। নির্বাচিত সংসদ, সরকার ও জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর অস্বচ্ছ ও বেআইনি প্রক্রিয়ায় চাপিয়ে দেওয়া সংস্কার গ্রহণযোগ্য নয়। তার মতে, বর্তমান হ্যাঁ-না ভোটের আয়োজনের মধ্যেই সেই অগ্রহণযোগ্য উদ্যোগের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

ভিডিও বার্তায় তিনি অভিযোগ করেন, দেশে বিদ্বেষ ও বিভাজন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ১৮ কোটি মানুষ একে অপরের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে গেছে। ইনসাফ ও সাম্যের কথা বলে চরম বৈষম্য ও দখলদারিত্বের এক অমানবিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর ও দোকানে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েও এসব ঘটনা ঘটছে, অথচ রাষ্ট্র নির্বিকার। দিনেদুপুরে হত্যাকাণ্ড ও মৃতদেহ পোড়ানোর অভিযোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, এটি একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রের পূর্বলক্ষণ।

অর্থনীতির প্রসঙ্গ টেনে জিএম কাদের বলেন, গত কয়েক মাসে শত শত কলকারখানা বন্ধ হয়েছে, বেকারত্ব বেড়েছে এবং ব্যাংক রিজার্ভের প্রকৃত অবস্থা জনগণের অজানা। সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ হারানোর অভিযোগের পাশাপাশি নারীদের নিরাপত্তাহীনতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শিল্প-সংস্কৃতি দমিয়ে রাখা হচ্ছে, নারীর শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে চলাচলও ঝুঁকির মুখে।

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের আহ্বান জানিয়ে জিএম কাদের বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজের ছিন্ন হওয়া বন্ধনগুলো আবার জোড়া লাগাতে হবে। তিনি এমন বাংলাদেশের কথা বলেন, যেখানে নারীকে পোশাকের জন্য হেনস্তা হতে হবে না, শিক্ষক লাঞ্ছিত হবেন না, শিল্পী ও ভিন্নমতের মানুষের কণ্ঠরোধ হবে না এবং প্রত্যেক নাগরিক সমান অধিকার ও মর্যাদা পাবে।

শেষাংশে তিনি বলেন, এই নির্বাচনে দুটি পক্ষ রয়েছে, একটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ১৯৭১-এর পক্ষে, অন্যটি সেই আদর্শবিরোধী শক্তি। লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দেওয়ার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি। বিভাজনের রাজনীতি পরিহার করে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান, নারী-পুরুষ ও সব জনগোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দিয়ে জিএম কাদের বলেন, অরাজকতা ও বিচারহীনতা বন্ধ করতে এবং গণতন্ত্র রক্ষায় লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দিতে হবে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৭৪

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৪৯

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৭৪

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৭৪