শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা দেশ ও জাতির মুক্তির প্রতীক : আসিফ মাহমুদ

১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা দেশ ও জাতির মুক্তির প্রতীক—এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ৩০০ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। এসব প্রার্থীকে দেশের ও জাতির মুক্তির প্রতীক হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কার প্রতীক কী—তা দেখার সময় এখন […]

১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা দেশ ও জাতির মুক্তির প্রতীক : আসিফ মাহমুদ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯:৪১

১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা দেশ ও জাতির মুক্তির প্রতীক—এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ৩০০ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। এসব প্রার্থীকে দেশের ও জাতির মুক্তির প্রতীক হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কার প্রতীক কী—তা দেখার সময় এখন নেই।

বরং কোন প্রার্থী ও কোন জোট এ দেশের জনগণকে প্রকৃত মুক্তি দিতে পারবে, সেটাই বিবেচ্য। তিনি বলেন, চোখ বন্ধ করে এসব প্রার্থীকেই ভোট দিতে হবে, কারণ ভোটের মাধ্যমেই বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাধীনতা ও মুক্তি নিশ্চিত হবে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা সদরে এনসিপির নির্বাচনী পদযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

বোয়ালখালী আসনে শাপলাকলি প্রতীকের প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, এনসিপি ও ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে আরিফকে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, বোয়ালখালী আসনে একটি মাত্র প্রতীকে ভোট পড়বে—যা হবে বাংলাদেশের জনগণের মুক্তির প্রতীক। একটি ভোটের মাধ্যমেই দেশ দীর্ঘস্থায়ী স্বাধীনতা, মুক্তি, সুশাসন ও সংস্কারের পথে এগিয়ে যাবে এবং বহুদিন পর আবার সার্বভৌমত্বের পথে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াবে।

তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দল গত ১৭ বছর ধরে সংস্কারের কথা বলে এসেছে। কিন্তু যখন প্রকৃত সংস্কারের সময় এসেছে, তখন তাদের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের নির্বাচিত করলে তারা পাঁচ বছর জনগণের সেবায় কাজ করার সুযোগ পাবে।

তবে শুধু সংসদ নির্বাচন নয়, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়যুক্ত হলে এর সুফল শুধু বর্তমান প্রজন্ম নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মও ভোগ করবে। এ কারণে ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তি এবং নতুন করে ফ্যাসিবাদ কায়েমের চেষ্টা করা গোষ্ঠীগুলো গণভোটে ‘না’ ভোটকে বিজয়ী করতে এক ধরনের ঐক্যে পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, যেভাবে ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদী শক্তিকে দেশ থেকে বিতাড়িত করা হয়েছিল, ঠিক সেভাবেই ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের এই অপচেষ্টা নস্যাৎ করা হবে। গণভোটে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম, এনসিপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজা উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক ও প্রার্থী মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ।

এর আগে সকালে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ইশমামুল হকের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে এনসিপির নির্বাচনী পদযাত্রা শুরু হয়।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০১

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০১