মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আমাকে ভোট দিতে হবে এমন কথা নেই, যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেবেন : মেজর হাফিজ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতে একটা নির্বাচন হতে যাচ্ছে। আশা করি, এ নির্বাচনে বাংলাদেশের মাটিতে গণতন্ত্র দৃঢ়ভাবে গঠিত হবে। এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি চিরস্থায়ী থাকবে। নির্বাচনে আপনারা যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দেবেন, আমাকে ভোট দিতে হবে এমন কথা নেই, যোগ্য প্রার্থীকে ভোট […]

নিউজ ডেস্ক

২১ জানুয়ারী ২০২৬, ২০:২৭

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতে একটা নির্বাচন হতে যাচ্ছে। আশা করি, এ নির্বাচনে বাংলাদেশের মাটিতে গণতন্ত্র দৃঢ়ভাবে গঠিত হবে। এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি চিরস্থায়ী থাকবে। নির্বাচনে আপনারা যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দেবেন, আমাকে ভোট দিতে হবে এমন কথা নেই, যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেবেন।

আমার চেয়ে কোনো যোগ্য প্রার্থী থাকলে তাকে ভোট দেবেন, কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু সবাই ভোটকেন্দ্রে যাবেন।’

আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) ভোলার লালমোহন পৌর শহরের শ্রী শ্রী মদন মোহন জিউর মন্দির প্রাঙ্গণে উপজেলার হিন্দু সমাজের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মেজর হাফিজ বলেন, ‘প্রত্যেক নির্বাচনই আমরা আশা করি ভালো একটা সরকার হবে, সেই সরকার এসে দেশে সুন্দর একটা সমাজব্যবস্থা কায়েম করবে।

কিন্তু দেখা যায় নির্বাচনের আগে যত প্রতিশ্রুত রাজনৈতিক দলসমূহ দেয়, নির্বাচনের পর আর সেই সব মনে থাকে না।’

তিনি বলেন, ‘একটি দল স্বাধীনতাযুদ্ধে আমাদের বিরোধিতা করেছিল। তারা রাজাকার ও আলবদর করেছিল। বাঙালিদের হত্যা করেছিল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের হত্যা করেছিল।

তারাই এখন আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী। আমি বেশ কয়েকটি নির্বাচন করেছি, এটি আমার জন্য দশম নির্বাচন। প্রত্যেকটা নির্বাচনে আমার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল আওয়ামী লীগ। সেসব নির্বাচনে হয়তো ঘর থেকে বের হতে পারিনি, নিজের ভোট দিতে পারিনি, দিনের ভোট রাতে নিয়ে নিয়েছে। এবার সেই দুর্বৃত্ত ও সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগ নেই।

মঠে এসেছে ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে এ ধরনের একটা রাজনৈতিক দল। তাদের কেউ কেউ আমাদের গ্রামের সহজ-সরল নারীদের বোঝায়, অমুক মার্কায় ভোট দেবেন সরাসরি বেহেস্তে চলে যাবেন মৃত্যুর পর। সাধারণ মানুষ মনে করে নামের শেষে ইসলাম আছে তাই হইতেও পারে। কিন্তু এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশকে কেউ বিলুপ্ত করে দিতে পারবে না। না ভারত পারবে, না পকিস্তান পারবে, না আমেরিকা পারবে, না অন্য কোনো দেশ পারবে। কারণ আমাদের দেশের এমন একটা শক্তি আছে, যেটা অনেক উন্নত দেশেরও নেই। আমি ইউরোপ-আমেরিকারসহ অনেক উন্নত দেশে ঘুরেছি, তাদের ধন-সম্পদ আছে এবং তাদের মাথাপিছু আয় আমাদের চেয়ে অনেক বেশি।

কিন্তু আমাদের দেশের মানুষের গণতন্ত্রের জন্য লড়ে যাওয়ার যে শক্তি এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে বুক ফুলে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধ করার যে শক্তি আছে এটা ওই সব দেশের নাই। যার প্রমাণ হলো শেখ হাসিনা যে বিদায় হয়েছে সেই সময়ের আবু সাঈদ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের জন্য যেভাবে দুই হাত প্রসারতি করে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েছে। এ রকম আবু সাঈদ উন্নত দেশে নেই।

বিএনপির এই নেতা বলেন, তরুণদের কাছে আমার বিনীত আহ্বান হলো তারা যেনো দেশকে সবার ওপরে স্থান দেয়। দেশের জন্য সংগ্রাম করে এবং দেশের জন্য জীবন দিতে সব সময় যেন প্রস্তুত থাকে, সেটাই হলো আমাদের রক্ষা কবজ। আর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যেন কোনো দিন নষ্ট হতে না পারে।

লালমোহন শ্রী শ্রী মদন মোহন জিউর মন্দিরের সভাপতি নিরব কুমার দের সভাপতিত্বে এ সময় লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম বাবুল, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি মো. ছাদেক মিয়া জান্টু, সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারীসহ উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১