মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আমি হাতজোড় করে অনুরোধ করছি সকাল সকাল কেন্দ্রে চলে যাবেন, আপনারা ভোটটা রক্ষা করবেন : রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুটি ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন দিন আপনাদের আমি হাতজোড় করে অনুরোধ করছি সকাল সকাল কেন্দ্রে চলে যাবেন। পাশের বাড়ি, প্রতিবেশী মা-বোনেদের নিয়ে ভোট কেন্দ্রে চলে যাবেন। আপনারা ভোটটা রক্ষা করবেন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে সরাইলের চুন্টা ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামবাসী আয়োজিত উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন […]

নিউজ ডেস্ক

২০ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৪১

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুটি ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন দিন আপনাদের আমি হাতজোড় করে অনুরোধ করছি সকাল সকাল কেন্দ্রে চলে যাবেন। পাশের বাড়ি, প্রতিবেশী মা-বোনেদের নিয়ে ভোট কেন্দ্রে চলে যাবেন। আপনারা ভোটটা রক্ষা করবেন।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে সরাইলের চুন্টা ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামবাসী আয়োজিত উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

এলাকাবাসীর কাছে ৩০টা ঘণ্টা চেয়ে নিয়ে আলোচিত এই নারী নেত্রী বলেন, আগামী ১১ তারিখ সন্ধ্যা ৬টা থেকে থেকে ১২ তারিখ রাত ১২টা পর্যন্ত আপনারা ভোটকেন্দ্রের আশপাশে থাকবেন। কোনও জাল ভোট, কোনও নির্বাচনী কারচুপি, কোনও ধরনের কারসাজি কেউ যেন না করতে পারে আপনারা পাহারায় থাকবেন।

ভোট আপনাদের সিদ্ধান্তও আপনাদের জানিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, আপনারা যেভাবে বলবেন এমপি সেভাবেই কাজ করতে বাধ্য। আমি কোনও দলের এমপি হব না, আমি কোন বিশেষ গোষ্ঠীর এমপি হব না, আমি সরাইল-আশুগঞ্জের ৫ লাখ ভোটারের এমপি। সুতরাং আপনারা আমার নিয়োগদাতা, আপনারাই আমাকে বরখাস্ত করতে পারবেন।

আমি যদি কাজ করি আপনারা আজ যেমন ভালোবেসে এনেছেন, আবারও আনবেন। আর যদি কাজ না করি তাহলে আমাকে ছুঁড়ে ফেলে দেবেন। আর আপনাদের দরজায় ভোট চাইতে আসতে পারব না। কিন্তু আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হাতজোড় করে বলি ভোটটা আপনারা রক্ষা করবেন।

‘সরাইল-আশুগঞ্জের মানুষ আমার প্রতি যেই ভালোবাসা, আস্থা, বিশ্বাস রেখেছেন, আমি আল্লাহর কাছে শুধু একটা দোয়া করি আল্লাহ তুমি এ বিশ্বাসের মর্যাদা দেয়ার ক্ষমতা আমাকে দিও। এই অবহেলিত মানুষদের উন্নয়ন যেন আল্লাহ তুমি আমাকে উছিলা করে দাও, এই এলাকার মানুষের উন্নয়ন যেনো আমি করতে পারি’, বলেন রুমিন ফারহানা।

দেশে যতগুলো উপজেলা আছে, তার মধ্যে সরাইল ও আশুগঞ্জের মতো এত অবহেলিত আর কোনো উপজেলা নেই দাবি করে তিনি বলেন, ইনশাল্লাহ আমরা যদি এমপি নির্বাচিত হতে পারি এই দুটো উপজেলায় যে ১৭টা ইউনিয়ন আছে তার সঙ্গে বিজয়নগর উপজেলার দুটো ইউনিয়ন এখন আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এই ১৯টি ইউনিয়নের রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ, কালভাট আমি এমনভাবে তৈরি করব, ইনশাল্লাহ আমি মডেল উপজেলা তৈরি করে ছাড়ব।

তিনি আরও বলেন, সরকারি স্কুল কলেজ, মাদ্রাসা বলেন কোথাও কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া নেই, আমাদের রাস্তাঘাটের যেমন বেহাল দশা তেমননি সরকারি স্বাস্থ্যসেবারও বেহাল দশা। আমি যদি শক্ত হাতে এই এলাকাকে একটা মডেল এলাকা করতে না পারি, তাহলে আমি আর কোনোদিন আপনাদের কাছে ভোট চাইতে আসব না।

রুমিন ফারহানা বলেন, অতীতে আমরা দেখেছি একজন মানুষই ৪০ বছর এমপি হণ। আমি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলি, আমি যদি কাজ করতে না পারি পাঁচ বছরের বেশি সময় আপনারা আমাকে দিয়েন না। আমি যদি কাজ করি পাঁচ বছর পর আমাকে আবারও নির্বাচিত করবেন, আর যদি কাজ করতে না পারি তাহলে নির্বাচিত করার দরকার নেই। আপনারা জানেন ১৭টা বছর সংসদে আমি কীভাবে লড়াই করেছি, আপনারা জানেন হঠাৎ করে এখানে জোটপ্রার্থী কীভাবে এসেছেন।

আমাকে সব বড় বড় দল, সেই সঙ্গে প্রশাসনের সঙ্গে একা লড়াই করতে হয়েছে কিন্তু আমি একা না; আমার সঙ্গে এত এত ভাই-বোনেরা রয়েছেন, আপনারা আমার শক্তি, আপনারা আমার সব কাজের উৎসাহ। আপনারা যদি আমার পাশে থাকেন, আমি যেকোনো অসম্ভবকেই ইনশাল্লাহ করে দেখাতে পারব।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭