মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নিরাপদ বাংলাদেশ ও ‘এক স্বপ্নিল পরিকল্পনা’র বার্তা নিয়ে ফিরলেন তারেক রহমান

তারেক রহমান এলেন, দেখলেন। তবে জয় কতটুকু করলেন, এটি আপাতত তোলা থাক। রাজধানীর ৩০০ ফিটের মঞ্চে তার দেয়া ভাষণে উঠে এসেছে জাতীয়তাবাদ, পাহাড়-সমতলের মেলবন্ধন, ধর্মীয় সম্প্রীতি, দেশ গড়তে সবাইকে নিয়ে সাম্যের প্ল্যাটফর্ম তৈরির বার্তা। দেশের ইতিহাসকে না ভুলে আগামীর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের যে ইচ্ছে, সেটিও প্রতিফলিত হয়েছে তার কথায়। মহান মুক্তিযুদ্ধ, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান, দেশের অর্থনৈতিক […]

নিরাপদ বাংলাদেশ ও ‘এক স্বপ্নিল পরিকল্পনা’র বার্তা নিয়ে ফিরলেন তারেক রহমান

নিরাপদ বাংলাদেশ ও 'এক স্বপ্নিল পরিকল্পনা'র বার্তা নিয়ে ফিরলেন তারেক রহমান

নিউজ ডেস্ক

২৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:২১

তারেক রহমান এলেন, দেখলেন। তবে জয় কতটুকু করলেন, এটি আপাতত তোলা থাক। রাজধানীর ৩০০ ফিটের মঞ্চে তার দেয়া ভাষণে উঠে এসেছে জাতীয়তাবাদ, পাহাড়-সমতলের মেলবন্ধন, ধর্মীয় সম্প্রীতি, দেশ গড়তে সবাইকে নিয়ে সাম্যের প্ল্যাটফর্ম তৈরির বার্তা। দেশের ইতিহাসকে না ভুলে আগামীর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের যে ইচ্ছে, সেটিও প্রতিফলিত হয়েছে তার কথায়। মহান মুক্তিযুদ্ধ, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান, দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তির নেপথ্যে প্রাণ হারানো সেই দেশপ্রেমিকদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের এক দীপ্তিময় ইচ্ছেশক্তিও জ্বলজ্বল করতে দেখা গেছে তার চোখে।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) তাকে বহনকারী বিমানটি সিলেটে অল্প সময় যাত্রাবিরতি দিয়ে রাজধানীর পথে ফের উড্ডয়ন করে। ঢাকায় বিমানটি অবতরণ করে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে। সেখানে তার জন্য আগে থেকেই আয়োজিত ছিল গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠান।

মূলত, সময়ের হিসাবে ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর দেশের মাটিতে ওঠা সূর্যের আলোয় অবগাহন করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। ঘরে ফেরা, জনসাধারণের উদ্দেশে দেশ গড়ার বার্তা, মা কে দেখতে হাসপাতালে যাওয়া— সবকিছুই ছিল আজ ‘টক অব দ্য টাউন’।

বিমানবন্দর থেকে প্রয়োজনীয় কাজ সেরে তারেক রহমান বাইরে আসেন। রাস্তার পাশে সারি সারি গাঁদা ফুলে সজ্জিত ছোট্ট বাগান দেখে মন হয়তো আঁকুপাঁকু করছিল। পাদুকা খুলে পা রাখেন মাটিতে। কিছুক্ষণ খালি পায়ে হাঁটেন শিশিরভেজা ঘাসে। হাতে তুলে নেন এক মুঠো মাটি। তার চোখে মুখে তখন দেখা যাচ্ছিল আনন্দের ঝর্ণাধারা।

এরপর প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে ধন্যবাদ জানান তারেক রহমান। বলেন, নিরাপত্তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন রকম পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বিশেষ করে আমার নিরাপত্তার জন্য। এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষায় রয়েছি।

তিনি রওনা দেন অপেক্ষায় থাকা নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশে। মঞ্চে বলেন, এখন সময় এসেছে সবাই মিলে দেশ গড়ার। আমরা সবাই মিলে এমন একটা বাংলাদেশ গড়ব যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেন একজন মা। আমরা দেশের শান্তি চাই।

মার্টিন লুথার কিংয়ের বিখ্যাত উক্তি ‘আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম’ এর অনুকরণে দেশ ও জাতিকে নিয়ে পরিকল্পনার কথা জানান তারেক। বলেন, দেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে আপনাদের সবার সামনে আমি বলতে চাই, ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান, ফর দ্য পিপল অব মাই কান্ট্রি, ফর মাই কান্ট্রি (দেশের মানুষের জন্য, দেশের জন্য আমার একটি পরিকল্পনা রয়েছে)। এই পরিকল্পনা দেশের মানুষের স্বার্থে, দেশের উন্নয়নের জন্য, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য।

তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, গত ১৫ বছর মা, বোন, তরুণ প্রজন্ম কীভাবে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছে। জুলাই যোদ্ধা, সময়ের সাহসী সন্তানকে হত্যা করেছে। ওসমান হাদিসহ যারা শহীদ হয়েছে যদি তাদের প্রত্যাশিত দেশ গড়তে পারি তাহলে দেশ গড়া সম্ভব। ধৈর্য ধরতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে এসে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

এদিন বক্তব্যের শুরুতেই তিনি বলেন, ‘প্রথমেই আমি রাব্বুল আলামীনের দরবারে হাজারো লক্ষ-কোটি শুকরিয়া আদায় করছি, অশেষ রহমতে প্রিয় মাতৃভূতিমেক ফিরে আসতে পেরেছি আপনাদের মাঝে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘৭১ এ দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল ২০২৪ সালে তেমন সর্বস্তরের মানুষ, সবাই মিলে এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল। বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়। তারা তাদের গণতন্ত্রের অধিকার ফিরে পেতে চায়।’

তিনি বলেন, ‘এ দেশে পাহাড়ের, সমতলের, মুসলমান, হিন্দু বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই আছে। আমরা নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। যে বাংলাদেশে একজন নারী, পুরুষ, শিশু যেই হোক না কেন নিরাপদে ঘর থেকে বের হলে, যেন নিরাপদে ফিরতে পারে।’

শহীদ ওসমান হাদীকে নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘ওসমান হাদি চেয়েছিলেন এদেশের মানুষ অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক। ৭১ এ যারা শহীদ হয়েছে, ২৪ এ যারা শহীদ হয়েছে তাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মই আগামীতে দেশ গড়ে তুলবে। গণতান্ত্রিক, শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দেশকে গড়ে তুলতে হবে। আমরা দেশের শান্তি চাই।’

এরপর তার গাড়িবহর এগোতে থাকে এভারকেয়ার হাসপাতালের দিকে। মা তথা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে রওনা দেন তিনি। তবে নেতাকর্মীদের ভিড়ের কারণে তাকে বহনকারী গাড়ি হাসপাতালে পৌঁছতে দেরি হয়। পথে সড়কের দুই পাশে ছিল হাজারো নেতাকর্মী। প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার জন্য সড়কে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করছিলেন তারা। তারেক রহমানও নেতাকর্মীদের প্রতি হাত নেড়ে এই ভালোবাসার জবাব দেন।

সন্ধ্যা ৫টা ৫৩ মিনিটে তারেক রহমান এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছান।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৩৫

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৫
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৩৫

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৩৫