সোমবার, ১১ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বাংলাদেশের জনগণ ভোটের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে : সালাহউদ্দিন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশের মানুষ এখন ভোটের অপেক্ষায় উন্মুখ হয়ে আছে, কিন্তু জাতীয় ঐকমত্যের নামে নতুন অনৈক্য তৈরির চেষ্টা হয়েছে।

নিউজ ডেস্ক

১৮ নভেম্বর ২০২৫, ১৫:২১

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশের মানুষ এখন ভোটের অপেক্ষায় উন্মুখ হয়ে আছে, কিন্তু জাতীয় ঐকমত্যের নামে নতুন অনৈক্য তৈরির চেষ্টা হয়েছে। তিনি বলেন, একটি আদেশ জারি করে জাতীয় সার্বভৌমত্বকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। কারণ দেশের সর্বোচ্চ সার্বভৌমত্ব হলো জাতীয় সংসদ, আর জনগণই ভোটের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে। জুলাই সনদ বিষয়ে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন তোলা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন,

দেশে আদেশ জারির কোনো ইতিহাস নেই এবং এ ধরনের আদেশের সাংবিধানিক ভিত্তিও নেই। তার মন্তব্য, সরকারের উদ্দেশ্য হলো একটি লিগ্যাল কেওয়াজ তৈরি করা, যার গণতান্ত্রিক বৈধতা নেই।

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত সবাইকে জনগণের কাছে যেতে হবে। ১৫–১৬ বছর ধরে বিএনপি একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করেছে। দেশের মানুষ এখন ভোট দিতে প্রস্তুত। এই নির্বাচনের মাধ্যমে এমন একটি রাষ্ট্র কাঠামো গঠন করতে হবে, যেখানে কোনো ফ্যাসিস্ট বা স্বৈরাচারী শক্তির উত্থান আর ঘটতে না পারে। তিনি বলেন, স্বাধীন নির্বাচন কমিশন ও স্বাধীন বিচার বিভাগ ছাড়া গণতন্ত্র টেকে না, আর স্বৈরাচারের দোসরদের বহাল রেখে স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের জাতি গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। বিএনপির ৩১ দফা রূপরেখা সে উদ্যোগেরই অংশ। তিনি অভিযোগ করেন, দেশের অর্থনীতি, সমাজনীতি ও শিক্ষা ব্যবস্থা পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।

শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, গণহারে জিপিএ ফাইভ দিয়ে আসলে শিক্ষা ব্যবস্থার ভিত্তি নষ্ট করা হয়েছে। দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে যে ধরনের আগ্রাসন চালানো হয়েছে, তাতে বুদ্ধিবৃত্তিক অঙ্গনকেও দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, রক্তে-মাংসে বাংলাদেশি হয়েও চিন্তায় যেন ভারতীয়তা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। অথচ শেখ হাসিনা যেভাবে গুম–খুনের রাজনীতি চালিয়েছেন, সে বিষয়ে সেই বুদ্ধিজীবীরা নীরব থেকেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান। সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের অধ্যাপক, উপাচার্য, প্রোভিসি, কোষাধ্যক্ষ, প্রক্টরিয়াল টিমসহ শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাগলে বাংলাদেশ জাগে—এ ইতিহাস নতুন নয়। আশির দশকে এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন দানা বেঁধেছিল। তিনি বলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে প্রয়োজনভিত্তিক সিলেবাস তৈরি করা জরুরি। সবাইকে অকারণে মাস্টার্স ডিগ্রি নেওয়া বাধ্যতামূলক হওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। দেশের মানসিক ও সামাজিক সংস্কার প্রয়োজন, না হলে সংবিধান বা আইনের সংস্কার করেও কোনো ফল মিলবে না। তিনি অভিযোগ করেন, বেসিক স্ট্রাকচারের নামে খায়রুল হকের রায়ের পর বহু তরুণের জীবননাশ হয়েছে, অসংখ্য মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। তাই প্রয়োজন সামগ্রিক সামাজিক সংস্কার।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৪

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৪

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮০

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৪