আজ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন-র প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবরে একটি স্বারকলিপি প্রদান করেছে। চলমান যুগপৎ আন্দোলনের ৫ম ধাপ হিসেবে দলটি এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে।
স্বারকলিপিতে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন এবং জাতীয় সংসদের কার্যকারিতা বাড়াতে নিরলসভাবে কাজ করেছে—যার প্রশংসা করা হয়েছে। তবে দল মনে করে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে গঠিত জাতীয় সনদ আইনগত ও টেকসই ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হবে না জনমতের সম্মতিতে অনুষ্ঠিত গণভোট ছাড়া। সেই কারণেই উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী নভেম্বরে গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়া জরুরি।
দলটি নির্বাচনপ্রক্রিয়ায় ‘পিছনের’ বিষয়গুলো তুলে ধরেছে—যেমন কালো টাকার ব্যবহার, ভোটকেন্দ্র দখল, পেশিশক্তি প্রদর্শন ও ভোটের বিভিন্ন অপতৎপরতা। এছাড়া নির্বাচন কার্যকর করার জন্য অনিবার্য হিসেবে দাবি করা হয়েছে প্রাতিনিধিত্বমূলক (PR) পদ্ধতির প্রয়োগ। সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-র উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদনের বিপরীতে রাজনৈতিক দলগুলোর বিভিন্ন দাবিকে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য বলে মনে করছে না দলটি।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নির্ধারণ করেছে:
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন
নভেম্বরে গণভোট আয়োজন
২০২৬ ফেব্রুয়ারিতে সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন
এ অবস্থায় তারা নির্বাচনী পরিচালনাকর্তা নির্বাচন কমিশনকে আহ্বান জানিয়েছে—দলীয় ও নাগরিকদের যুগান্তকারী দাবি দ্রুত গ্রহণ করতে এবং গণমানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারে অংশ নিতে।
স্বারকলিপি প্রদানের আগে ঢাকার মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ কমিটি যৌথভাবে উদীয়মান কর্মসূচি আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা ইমতেয়াজ আলম, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা উত্তরের সভাপতি মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ। অতিথি হিসেবে ছিলেন মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন প্রমুখ।