শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

কলকাতায় গোপন ‘পার্টি অফিস’ খুলেছে আওয়ামী লীগ, কিভাবে চলছে কার্যক্রম?

এ যেন এক ছদ্মবেশে চলমান ‘ছায়া অপারেশন’। চেয়ার-টেবিল সবই আগের কোনো কোম্পানির ফেলে যাওয়া। যেন চোখের আড়ালে, শত্রুর দৃষ্টির বাইরে থেকেই চলতে পারে নতুন করে পায়ের নিচে মাটি খোঁজার কাজ

নিউজ ডেস্ক

০৮ আগস্ট ২০২৫, ১১:৩৭

কলকাতার বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সে গড়ে উঠেছে একটি নতুন ষড়যন্ত্রের ঘাঁটি—যা বাইরে থেকে দেখলে হয়তো নিছকই এক অফিস স্পেস, কিন্তু ভেতরে চলছে শেখ হাসিনার পতনের পর পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগের নেতাদের গোপন কার্যকলাপ। ভারতের মাটিতে বসে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফের হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে তারা।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ত্যাগ করার পর থেকেই কলকাতায় বসবাস শুরু করে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা। তাদের অনেকেই এখনো ভারতে অবস্থান করছেন। তারা ভাড়া বাসা কিংবা গেস্ট হাউজে থেকে দলীয় বৈঠক ও পরবর্তী পদক্ষেপের পরিকল্পনা করছেন। তবে যেহেতু নিয়মিত বৈঠক ও সাংগঠনিক যোগাযোগের জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গার প্রয়োজন ছিল, তাই কলকাতার ব্যস্ত বানিজ্যিক এলাকার একটি অফিস স্পেসকে রূপান্তর করা হয়েছে ‘ছদ্মবেশী’ পার্টি অফিসে।

এই অফিসে নেই কোনো ব্যানার, ছবি, লোগো কিংবা রাজনৈতিক চিহ্ন। বাইরে থেকে কেউ কল্পনাও করতে পারবে না এটি আওয়ামী লীগের গোপন ঘাঁটি। আগে যে কোম্পানি এই স্পেস ব্যবহার করতো, তাদের ফেলে যাওয়া চেয়ার-টেবিলেই এখন বসে আলোচনা চালায় ‘পতিত আওয়ামী লীগের’ বেঁচে থাকা রক্তহীন নেতারা। ৩০-৩৫ জনের জন্য ছোট এই ঘরেই বসে প্রাথমিক বৈঠক হয়, বড় বৈঠক হলে ভাড়া করা হয় রেস্তরাঁ বা ব্যাংকোয়েট হল।

এই গোপন কেন্দ্র থেকে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন দেশের দূতাবাস, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং ভারতের কিছু প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে বলেও একাধিক সূত্রে জানা গেছে। সবকিছু ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর জ্ঞাতসারে এবং ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনেই হচ্ছে, যা পুরো বিষয়টিকে এক ভয়ংকর আন্তর্জাতিক চক্রান্তের দিকে ইঙ্গিত করে।

পালিয়ে যাওয়া এই নেতারা শুধু নিজেরাই নয়, সঙ্গে এনেছেন প্রশাসনের একাংশ—প্রাক্তন আমলা, অবসরপ্রাপ্ত সেনা-পুলিশ কর্মকর্তা এবং কিছু সুবিধাভোগী পেশাজীবী যারা এক সময় আওয়ামী লীগের ছায়ায় ফুলেফেঁপে উঠেছিলেন। বর্তমানে কলকাতা ও আশপাশে অন্তত ২০০ জন প্রাক্তন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান, ছাত্রলীগ-যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা আশ্রয় নিয়ে আছেন বলে সূত্র জানিয়েছে।

এদের কেউ কলকাতাতেই স্থায়ী হতে চাইছেন, আবার কেউ কেউ এই অবস্থানকে ব্যবহার করছেন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা বা ইউরোপ পালানোর ট্রানজিট হিসেবে। অথচ বাংলাদেশে যখন অন্তর্বর্তী সরকার দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে, তখন এই আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগ নেতারা বিদেশ থেকে আবারো ষড়যন্ত্রের জাল বুনছেন।

এখন প্রশ্ন—ভারতের মাটিতে বসে এই ধরনের রাজনৈতিক কার্যকলাপ চালানো কি ভারতের সার্বভৌম অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে না? কেন ভারতের সরকার এই কার্যক্রম চালাতে দিচ্ছে? বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর এমন রাজনৈতিক আশ্রয় কি আগামীতে ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না?

যে যাই বলুক, এই ‘কলকাতা কমপ্লেক্স কনস্পিরেসি’ বাংলাদেশের জনগণের প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ। আত্মগোপনে থাকা নেতারা যতই পার্টি অফিস গড়ে তুলুক, বাংলাদেশের জনগণ ভুলে যাবে না তাদের দুঃশাসন, দুর্নীতি, হত্যাকাণ্ড, গুম ও লুটপাটের ইতিহাস। এবার পালানোর জায়গাও টিকবে না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৬২

রাজনীতি

এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের জরুরি বৈঠক, বিকেলে সংবাদ সম্মেলন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদের জরুরি বৈঠক আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে। দলের মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য জানানো হয়। সোমবার সকাল ১০টায় বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ রাজনৈতিক পর্ষদের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন। […]

এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের জরুরি বৈঠক, বিকেলে সংবাদ সম্মেলন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৭

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদের জরুরি বৈঠক আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে।

দলের মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

সোমবার সকাল ১০টায় বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ রাজনৈতিক পর্ষদের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন।

বৈঠক শেষে বিকেল সাড়ে ৩টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করবে দলটি। এতে সংবিধান সংশোধনী কমিটি, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক জাতিসংঘ সফর, বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ বিভিন্ন বিষয়ে দলের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছে এনসিপি।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৬২

রাজনীতি

‘সরকার স্টেপ নেওয়া শুরু করেছে,এটা গুড সাইন, পত্রিকায় নাম আসা হামলাকারীদেরও শাস্তির আওতায় আনতে হবে’: আসিফ মাহমুদ

রাড্ডা ক্লিনিকের ঘটনায় সরকার পদক্ষেপকে ‘গুড সাইন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। এর কিছুক্ষণ আগেই গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে রাড্ডা ক্লিনিকের ঘটনায় বিএনপির দলের সংরক্ষিত আসনের এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। এরপরই প্রতিক্রিয়া […]

‘সরকার স্টেপ নেওয়া শুরু করেছে,এটা গুড সাইন, পত্রিকায় নাম আসা হামলাকারীদেরও শাস্তির আওতায় আনতে হবে’: আসিফ মাহমুদ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪৭

রাড্ডা ক্লিনিকের ঘটনায় সরকার পদক্ষেপকে ‘গুড সাইন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।

এর কিছুক্ষণ আগেই গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে রাড্ডা ক্লিনিকের ঘটনায় বিএনপির দলের সংরক্ষিত আসনের এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। এরপরই প্রতিক্রিয়া জানান আসিফ মাহমুদ।

স্ট্যাটাসে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘রাড্ডা ক্লিনিকের ঘটনায় সরকার স্টেপ নেওয়া শুরু করেছে, এটা গুড সাইন। তবে যেহেতু এটা একটা ফৌজদারি অপরাধ সেহেতু আইনের শাসন নিশ্চিতের লক্ষ্যে জড়িত সবাই শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

তিনি আরও লেখেন, ‘হামলায় সরাসরি জড়িত এমন যাদের নাম পত্রিকায় এসেছে তাদের অনেককেই আমরা অন্য আরেকজন সংরক্ষিত এমপির সাথে পরবর্তীতেও ঘটনাস্থলে প্রেসের সামনে আসতে দেখেছি। তাদেরকেও যথাযথ শাস্তির আওতায় আনতে হবে।’a

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৬২

রাজনীতি

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য […]

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৮

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে জানিয়ে সারজিস বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইভাবে হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও ফিরিয়ে দিতে হবে।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং প্রধানের আকস্মিক সফর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এখনই ভারতে যেতে হবে পরে গেলে ক্ষতি হবে-এ ধরনের বক্তব্য কোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রকাশ নয়।

এটা ভারতের ‘আধিপত্যবাদের স্টেটমেন্ট’ বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি যে দুটি শক্ত অবস্থানসম্পন্ন বিবৃতি দিয়েছে, তা সাধুবাদ জানাই। তবে, এসব অবস্থান শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

এসময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সুজা উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা রিফাত রশিদ, আবু বাকের মজুমদারসহ এনসিপির কক্সবাজারের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪২৭