শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

মৌলিক সংস্কার শেষে ডিসেম্বরে নির্বাচনে আপত্তি নেই এনসিপির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রশ্নে অনেকটা একই কাতারে এসেছে দেশের বড় দুটি রাজনৈতিক দল বিএনপি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বিএনপি ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের কথা বলেছে। আর জামায়াত কোনো মাস উল্লেখ না করে আগামী রমজানের আগে নির্বাচন করার ওপর জোর দিয়েছে। সেক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্ন প্রস্তাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের উদ্যোগে গঠিত […]

মৌলিক সংস্কার শেষে ডিসেম্বরে নির্বাচনে আপত্তি নেই এনসিপির

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ এপ্রিল ২০২৫, ১৩:০২

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রশ্নে অনেকটা একই কাতারে এসেছে দেশের বড় দুটি রাজনৈতিক দল বিএনপি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বিএনপি ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের কথা বলেছে। আর জামায়াত কোনো মাস উল্লেখ না করে আগামী রমজানের আগে নির্বাচন করার ওপর জোর দিয়েছে।

সেক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্ন প্রস্তাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের উদ্যোগে গঠিত নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

মৌলিক সংস্কার না হলে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ারও ইঙ্গিত দিয়েছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে এনসিপির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, মৌলিক সংস্কার সম্পন্ন হলে ডিসেম্বর কিংবা জানুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদের আপত্তি নেই। এ মুহূর্তে এনসিপি সংস্কার এবং বিগত সরকারের সময় গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা ও গণপরিষদ নির্বাচনের ওপর জোর দিচ্ছে।

‘আমরা ন্যূনতম সংস্কার নয় বরং মৌলিক সংস্কার ও রাষ্ট্রের গুণগত পরিবর্তনের জন্যই কাজ করছি। মৌলিক সংস্কার ছাড়া নির্বাচনের দিকে গেলে সেই নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। সেই নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি অংশগ্রহণ করবে কি না সেটাও বিবেচনাধীন থাকবে।

গতকাল বুধবার রাজধানীর গুলশানে মার্কিন ডেপুটি অব মিশনের বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ডেপুটি অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি নিকোল চুলিকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘মূলত বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংস্কার কার্যক্রম ও নির্বাচন বিষয়ে নিকোল চুলিকের প্রধান ফোকাস ছিল। এ ছাড়া দেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তাসহ বাংলাদেশের সামনের রাজনীতি কোনদিকে যাবে এবং আমাদের রাজনৈতিক দলের গঠনপ্রক্রিয়া, সাংগঠনিক কার্যক্রম ও আদর্শিকতার বিষয়ে তাঁদের আগ্রহ ছিল।

আমরা আমাদের জায়গা থেকে ব্যাখ্যা করেছি। আমাদের রাজনৈতিক দল কোন প্রেক্ষিতে কেন এবং কোন লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তা জানিয়েছি।

সংস্কার বিষয়ে আমরা যে প্রস্তাবনা সংস্কার কমিশনে দিয়েছি সেটি আমরা বলেছি। আমাদের যে তিনটি দাবি বিচার, সংস্কার ও গণপরিষদ নির্বাচন—সেটি আমরা সুস্পষ্টভাবে বলেছি। আমরা বলেছি, আমরা আমাদের তিনটি এজেন্ডা নিয়েই সারা দেশে কাজ করছি।’

বর্তমান সময় নিরপেক্ষ আচরণ করছে না অভিযোগ করে তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান সময় মাঠ পর্যায়ে যে প্রশাসন রয়েছে সেই প্রশাসন আমাদের কাছে মনে হয়েছে নিরপেক্ষ আচরণ করছে না।

বিভিন্ন জায়গায় জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চলছে। সেই জায়গায় প্রশাসনকে আমরা নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করতে দেখছি। সে জায়গাগুলো আমরা বলেছি।’

নিরপেক্ষ না বলতে বা প্রশাসন কার পক্ষে ভূমিকা পালন করছে বলতে আপনারা কী মনে করছেন জানতে চাইলে এনসিপির এই আহ্বায়ক বলেন, ‘প্রশাসন আমরা দেখছি অনেক জায়গায় প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির পক্ষ অবলম্বন করছে।

মাঠ পর্যায়ে যে ধরনের চাঁদাবাজি চলছে সে জায়গায়ও প্রশাসন আসলে নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করছে।

আমরা বলেছি, এ ধরনের একটি প্রশাসন যদি থাকে তাহলে এর অধীনে নির্বাচন করাটাও আসলে সম্ভব নয়। ফলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের জন্য একটি নিরপেক্ষ প্রশাসন, আমলাতন্ত্র ও পুলিশ আসলে আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।’

নির্বাচনের টাইমফ্রেমের বিষয়ে জানতে চাইলে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘টাইমফ্রেমের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার ডিসেম্বর থেকে জুনকে আমরা প্রাথমিকভাবে সমর্থন করছি। কিন্তু দৃশ্যমান বিচার, বিচারের রোডম্যাপ দেওয়া ও সংস্কার অর্থাৎ জুলাই সনদ কার্যকর করা ইত্যাদি ছাড়া আসলে নির্বাচনের সময় নিয়ে কথা বলে কোনো লাভ নেই।’

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৫

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৭

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৫

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৫