বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

৯ জেলায় বিএনপির নতুন কমিটি ঘোষণা

দেশের ৯ জেলায় নতুন কমিটি ঘোষণা করেছে বিএনপি। এর মধ্যে চট্টগ্রাম, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, বান্দরবান, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ জেলায় আংশিক আহ্বায়ক কমিটি এবং মেহেরপুর জেলায় পুর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে দলটি। রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব জানানো হয়। জাভেদ মাসুদ মিল্টনকে আহ্বায়ক ও অ্যাড. কামরুল […]

নিউজ ডেস্ক

০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৬:৩৩

দেশের ৯ জেলায় নতুন কমিটি ঘোষণা করেছে বিএনপি। এর মধ্যে চট্টগ্রাম, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, বান্দরবান, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ জেলায় আংশিক আহ্বায়ক কমিটি এবং মেহেরপুর জেলায় পুর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে দলটি।

রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব জানানো হয়।

জাভেদ মাসুদ মিল্টনকে আহ্বায়ক ও অ্যাড. কামরুল হাসানকে সদস্য সচিব করে মেহেরপুর জেলা শাখার ৩১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির অন্যরা হলেন- যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আমিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর বিশ্বাস, অধ্যাপক ফয়েজ মোহাম্মদ, সদস্য মাসুদ অরুন, আমজাদ হোসেন, মো. ইলিয়াছ হোসেন, মো. আলমগীর খান ছাতু, মো. আনছারুল হক, মো. আব্দুল্লাহ, মো. হাফিজুর রহমান, মো. রেজাউল হক, মারুফ আহম্মদ বিজন, মো. জাকির হোসেন, মো. আব্দুল

হামিদ, মো. খাইরুল বাশার, মো. ওমর ফারুক লিটন, মীর ফারুক হোসেন, মো. আব্দুল আওয়াল, মো. ইনছারুল হক, মো. আলফাজ উদ্দিন কালু, রোমানা আহম্মদ, মো. আব্দুর রশিদ, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. আসাদুজ্জামান বাবলু, মো. মকবুল হোসেন মেঘলা, মো. আখেরুজ্জামান, আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিম, মো. মশিউর রহমান এবং মো. গনিউল আজম।

রহিম নেওয়াজকে আহ্বায়ক ও আসাদুজ্জামাান আসাদকে সদস্য সচিব করে নাটোর জেলা বিএনপির ১৫ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদিত হয়েছে। কমিটির অন্যরা হলেন- যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ, জিল্লুর রহমান চৌধুরী বাবুল, মিজানুর রহমান ডিউক, মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন,

সাইফুল ইসলাম আফতাব, দাউদার মাহমুদ, সদস্য শহিদুল ইসলাম রাজু, সাবিনা ইয়াসমিন, আবুল কাশেম, তারিকুল টিটু, ব্যারিস্টার আবু হেনা মোস্তফা, সুফিয়া হক এবং রঞ্জিত কুমার সরকার।

সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে আমিরুল ইসলাম খান আলীমকে। ১৮ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অন্যরা হলেন- সদস্য আব্দুল মান্নান তালুকদার, আকবর আলী, অ্যাড. সিমকী ইমাম, মজিবর রহমান লেবু, মোগবুল হোসেন চৌধুরী, আজিজুর রহমান দুলাল, নাজমুল

হাসান তালুকদার রানা, অমর কৃষ্ণ দাস, আব্দুল আজিজ সরকার, ভিপি শামীম, আবু সাঈদ সুইট, নুর কায়েম সবুজ, ডা. এম এ মুহিত, গোলাম সারোয়ার, রকিবুল করিম পাপ্পু, অধ্যাপক আবু শামীম এবং কনক চাঁপা।

স্বাচিন প্রু জেরীকে আহ্বায়ক ও জাবেদ রেজাকে সদস্য সচিব করে বান্দরবান জেলার ৫ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে বিএনপি। কমিটির বাকি ৩ জন হলেন- সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক উসমান গণি, যুগ্ম আহ্বায়ক মজিবুর রশিদ এবং সদস্য মামাচিং।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির ৫ সদস্য আংশিক কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে ইদ্রিস মিয়াকে ও সদস্য সচিব করা হয়েছে লায়ন হেলাল উদ্দিনকে। অন্যরা হলেন- সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাস, যুগ্ম আহ্বায়ক লিয়াকত হোসেন, মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা।

আফরোজা খান রিতাকে আহ্বায়ক করে মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদিত হয়েছে। কমিটির বাকিরা হলেন- সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির, অ্যাড. আজাদ হোসেন খান, আতাউর রহমান আতা, অ্যাড. আফম নুরতাজ আলম বাহার, সত্যেন কান্ত পন্ডিত ভজন এবং গোলাম আবেদিন কায়সার।

মিজানুর রহমান সিনহাকে আহ্বায়ক ও মহিউদ্দিন আহমেদকে সদস্য সচিব করে মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য ৫ জন সদস্য হলেন- মো. আব্দুল্লাহ, শহীদুল ইসলাম মৃধা, আব্দুল বাতেন শামীম, সৈয়দ সিদ্দিক উল্লাহ ফরিদ, আমিরুল হোসেন দোলন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির ৫ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে মো. মামুন মাহমুদকে। বাকি ৪ জন হলেন- যুগ্ম আহ্বায়ক মুস্তাফিজুর রহমান দীপু ভূঁইয়া, মাশেকুল ইসলাম রাজীব, শরীফ আহম্মেদ টুটুল এবং সদস্য মো. গিয়াস উদ্দিন।

ফজলুল হক মিলনকে আহ্বায়ক করে গাজীপুর জেলা শাখার ৩ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে। বাকি ২জন যুগ্ম আহ্বায়ক হলেন- শাহ রিয়াজুল হান্নান, চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩