জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিনের পদত্যাগে দল কোনো সংকটে পড়বে না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। তার দাবি, পদত্যাগের আগে দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয় ছিলেন সামান্তা। ফলে তার পদত্যাগ সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠানোর পর বিষয়টি প্রকাশ করেন সামান্তা শারমিন। জামায়াতের সঙ্গে জোট, নারী অধিকার ও দলীয় গণতন্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্যকে পদত্যাগের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
এ বিষয়ে সারোয়ার তুষার বলেন, নির্বাচনের সময় জোট গঠনের সিদ্ধান্তে সামান্তার দ্বিমত ছিল। তবে মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও তিনি দলে ছিলেন। পরবর্তী সময়ে দীর্ঘদিন তাকে দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় দেখা যায়নি।
তিনি আরও দাবি করেন, দল পুনর্গঠনের পর সামান্তা কোনো সভায় অংশ নেননি বা বক্তব্য দেননি। এমনকি দলীয় সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করার চেষ্টা করলেও তাতে প্রত্যাশিত সমর্থন পাননি।
সারোয়ার তুষার বলেন, নতুন কমিটি গঠনের সময় সামান্তাকে দলে থাকতে চান কি না, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। তখন তিনি আপত্তি জানাননি। এখন পদত্যাগ করেছেন, এটি তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। এ সিদ্ধান্ত ঠেকানোর কিছু নেই।
উল্লেখ্য, এনসিপির প্রথম কেন্দ্রীয় কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন সামান্তা শারমিন। গত ২৩ অক্টোবর কমিটি পুনর্গঠনের পর তাকে যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়।