শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আলু চাষে আগ্রহ ধরে রাখাই চ্যালেঞ্জ

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি দেশের অন্যতম আলু উৎপাদনকারী জেলা মুন্সীগঞ্জে নতুন মৌসুমে আলু চাষের প্রস্তুতি শুরু হলেও কৃষকদের মধ্যে আগের মতো আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে জেলার প্রান্তিক কৃষকদের প্রধান অর্থকরী ফসল হিসেবে পরিচিত আলু চাষ এখন অনেকটা অভ্যাস ও নেশায় পরিণত হয়েছে। তবে উৎপাদন খরচ, সংরক্ষণ সমস্যা এবং বাজারে চাহিদার সীমাবদ্ধতার কারণে এবার বিকল্প ফসলের […]

আলু চাষে আগ্রহ ধরে রাখাই চ্যালেঞ্জ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১:১৬

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

দেশের অন্যতম আলু উৎপাদনকারী জেলা মুন্সীগঞ্জে নতুন মৌসুমে আলু চাষের প্রস্তুতি শুরু হলেও কৃষকদের মধ্যে আগের মতো আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে জেলার প্রান্তিক কৃষকদের প্রধান অর্থকরী ফসল হিসেবে পরিচিত আলু চাষ এখন অনেকটা অভ্যাস ও নেশায় পরিণত হয়েছে। তবে উৎপাদন খরচ, সংরক্ষণ সমস্যা এবং বাজারে চাহিদার সীমাবদ্ধতার কারণে এবার বিকল্প ফসলের দিকে ঝুঁকছেন অনেক কৃষক।

চলতি মৌসুমে জেলায় ৩৪ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। গত মৌসুমের সমান লক্ষ্যমাত্রা রাখা হলেও আলুবীজ ও সার সরবরাহ এবং বিক্রির ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জেলা প্রশাসন। সরকার নির্ধারিত দামের বাইরে এসব কৃষি উপকরণ বিক্রি এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলার ছয়টি উপজেলায় আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে মুন্সীগঞ্জ সদরে ৯ হাজার ৫৮১ হেক্টর, টঙ্গিবাড়ীতে ৯ হাজার ৭০ হেক্টর, সিরাজদিখানে ৮ হাজার ৯৫৮ হেক্টর, লৌহজংয়ে ৩ হাজার ১০৯ হেক্টর, গজারিয়ায় ১ হাজার ৯৯৮ হেক্টর এবং শ্রীনগরে ১ হাজার ৯৪৪ হেক্টর জমিতে আলু চাষের পরিকল্পনা রয়েছে।

জেলার অধিকাংশ কৃষক ভালো ফলনের আশায় ডায়মন্ড জাতের আলু চাষ করে থাকেন। কিন্তু এ জাতের আলুর বড় সীমাবদ্ধতা হলো, খাবার হিসেবে ব্যবহার ছাড়া অন্যান্য খাদ্যপণ্য তৈরিতে এর ব্যবহার নেই বললেই চলে। ফলে বাজারে চাহিদা তুলনামূলক কম থাকে। পাশাপাশি প্রাকৃতিকভাবে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায় না এ আলু। বাড়িতে রেখে দিলে পচে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এতে উৎপাদনের পর কাঙ্ক্ষিত দাম না পেলে কৃষককে লোকসানের মুখে পড়তে হয়।

এমন পরিস্থিতিতে গত কয়েক বছরে সরিষা, কালিজিরা, গাজর ও ধনিয়া চাষ করে লাভবান হওয়ায় এবার এসব ফসলের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। বিশেষ করে উঁচু জমিতে আলুর পরিবর্তে বিকল্প ফসল চাষের পরিকল্পনা করছেন অনেকে।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নের কৃষক আজমির হোসেন বলেন, আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে আলু আবাদের জন্য জমি প্রস্তুতের কাজ শুরু হবে। প্রতিবছর প্রায় পাঁচ একর জমিতে আলু চাষ করেন তিনি। তবে চলতি মৌসুমে উঁচু জমিতে আলুর পরিবর্তে শিম, টমেটো ও সরিষা চাষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

মুন্সীগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, জেলার কৃষকেরা মূলত ডায়মন্ড জাতের আলু চাষ করেন। এ জাতের ফলন ভালো হলেও সংরক্ষণক্ষমতা ও স্থায়িত্ব তুলনামূলক কম। এর বিকল্প হিসেবে বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে সানসাইন ও শান্তানা জাতের আলুবীজ রয়েছে। দামেও এসব বীজ সাশ্রয়ী এবং মানের দিক থেকেও উন্নত। এসব জাতের আলু খাবার হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি চিপসসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য তৈরিতেও ব্যবহার করা যায়।

এদিকে আলুর মৌসুম সামনে রেখে বীজ ও সারের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছে জেলা প্রশাসন। সম্প্রতি মুন্সীগঞ্জ জেলার আলুবীজ ও সার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার ও আলুবীজ বিক্রি কিংবা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হলে সংশ্লিষ্ট ডিলারের ডিলারশিপ বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সভায় প্রতি বস্তা আলুবীজের সর্বোচ্চ বিক্রয়মূল্য ১৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

সব মিলিয়ে আলু উৎপাদনে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ধরে রাখার পাশাপাশি কৃষকদের লাভজনক চাষাবাদ নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। উন্নত জাতের আলুবীজের ব্যবহার, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং সংরক্ষণব্যবস্থার উন্নয়ন না হলে মুন্সীগঞ্জের কৃষকদের মধ্যে আলু চাষের আগ্রহ আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

সারাদেশ

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান। কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক […]

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান।

কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক পুঁজি তিনি আনারস ও কলাবাগানে ব্যয় করেছেন। আকস্মিক এই ঝড়ে তার সব আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে।

কৃষকদের কাছে কলাগাছের মাজা ভেঙে যাওয়া শুধু একটি গাছের ক্ষতি নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তাদের পরিবারের স্বপ্ন ও জীবিকার হিসাব। আকস্মিক এই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এখন ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষা।