বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্টদের ফেরানোর চেষ্টা চলছে: সংসদে মোহাম্মদ তাহের

ব্যাংকটিতে আবারও এস আলম গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রভাব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে, যা আমানতকারী ও সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে নতুন করে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে।

নিউজ ডেস্ক

১০ জুন ২০২৬, ১৫:৫১

জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা ও মালিকানা কাঠামো নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি অভিযোগ করেছেন, ব্যাংকটিতে আবারও এস আলম গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রভাব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে, যা আমানতকারী ও সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে নতুন করে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৬৮ অনুযায়ী উত্থাপিত এক নোটিশের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব অভিযোগ করেন।

তাহের বলেন, গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ইসলামী ব্যাংক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে শুরু করেছিল। দীর্ঘ অস্থিরতার পর গ্রাহকদের আস্থা পুনর্গঠনের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছিল। তার দাবি, ওই সময় গ্রাহকরা নতুন করে প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা আমানত জমা রাখেন, যা ব্যাংকটির প্রতি জনগণের আস্থার প্রতিফলন।

তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা ছিল বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং ব্যাংকটিকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক কাঠামোর আওতায় আনা হবে। কিন্তু বাস্তবে ব্যাংকের অভ্যন্তরে আবারও বিতর্কিত ব্যক্তিদের দায়িত্বশীল পদে বসানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম জুবায়দুর রহমান এবং সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুকের প্রসঙ্গ তুলে বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেন, তাদের নেতৃত্বে ব্যাংকটি ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতার পথে এগোচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে চেয়ারম্যান পরিবর্তন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালককে পদত্যাগে বাধ্য করার ঘটনা নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, চেয়ারম্যান পরিবর্তনের কারণ এবং এমডির পদত্যাগের পেছনের বাস্তবতা জনগণের সামনে স্পষ্ট করা উচিত। একই সঙ্গে পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনা কাঠামো পুনর্বহাল এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বে ফিরিয়ে আনার বিষয়ও বিবেচনা করা প্রয়োজন।

ব্যাংকের মালিকানা কাঠামো নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাহের। তার অভিযোগ, বর্তমানে এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংকের প্রায় ৮২ শতাংশ শেয়ারের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। এতে অন্যান্য শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ব্যাংকের করপোরেট সুশাসন দুর্বল হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, প্রকৃত শেয়ারধারীদের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং মালিকানা কাঠামোর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে অতীতে মালিকানা পরিবর্তনের ঘটনাগুলোও পুনঃপর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের বিষয়েও আপত্তি তুলে তিনি বলেন, যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, তাকে ইসলামী ব্যাংকের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান করা হয়েছে। এতে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক।

তাহেরের ভাষ্য, ইসলামী ব্যাংকের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল জনগণের আস্থা, সততা এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা। সেই ঐতিহ্য ও মানদণ্ড বজায় রাখা না গেলে ব্যাংকটির ভবিষ্যৎ আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি ব্যাংক পরিচালনায় পুনরায় এস আলম-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রভাব প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে আমানতকারীদের মধ্যে নতুন করে অনাস্থা তৈরি হতে পারে। এর ফলে ব্যাংক খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেন, আমানতকারীদের অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং সৎ, দক্ষ ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক পরিচালনা করতে হবে। একই সঙ্গে অতীতের বিতর্কিত মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা পরিবর্তনের ঘটনাগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।

সংসদে বক্তব্যের এক পর্যায়ে তাহের বলেন, গ্রাহকদের উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দূর করা না গেলে পরিস্থিতি ভবিষ্যতে আন্দোলনের দিকে গড়াতে পারে। তাই দ্রুত স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩২৬

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩২৬
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩২৬

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪১১