বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

প্রতিটি ছোট্ট সোনামণির মৃত্যুর দায় রাষ্ট্রকে নিতে হবে, এ দায় থেকে আমরা কেউ মুক্ত নই : ব্যারিস্টার ফুয়াদ

দেশে সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সর্বদলীয় বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে জরুরি টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। বুধবার (১৩ মে) রাজধানীতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, যাতে বুকের ধন হারানো পরিবারগুলো মনে করে তারা একা নয়, রাষ্ট্র […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৮:১৮

দেশে সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সর্বদলীয় বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে জরুরি টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

বুধবার (১৩ মে) রাজধানীতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, যাতে বুকের ধন হারানো পরিবারগুলো মনে করে তারা একা নয়, রাষ্ট্র পাশে রয়েছে। প্রতিটি ছোট্ট সোনামণির মৃত্যুর দায় রাষ্ট্রকে নিতে হবে; এ দায় থেকে আমরা কেউ মুক্ত নই।

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, হাম নিয়ে বিভিন্ন মহল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য, অপপ্রচার এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রাজনৈতিক বক্তব্য ছড়ানো হচ্ছে। এই সংকটকে রাজনৈতিক দোষারোপের হাতিয়ার না বানিয়ে বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ, জনস্বাস্থ্য বাস্তবতা এবং কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করা এখন সময়ের দাবি।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকি বহুদিন ধরেই ছিল এবং সাম্প্রতিক সময়ে শুধু বাংলাদেশ নয়, প্রতিবেশী ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যও সেই বাস্তবতাকেই নির্দেশ করে।

তিনি বলেন, করোনাকালে যেখানে শহরকেন্দ্রিক উচ্চবিত্ত ও বয়স্ক জনগোষ্ঠী বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, সেখানে বর্তমান হাম পরিস্থিতিতে মূলত দরিদ্র, নিম্নবিত্ত ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। অপুষ্টি, ভিটামিন ঘাটতি, দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা এবং স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

কেন শুধু দরিদ্র পরিবারের শিশুরাই হামে আক্রান্ত হচ্ছে? সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রশ্ন তোলা হয়। হামের এই অস্বাভাবিক বিস্তার শুধুই স্বাভাবিক সংক্রমণ নাকি এর পেছনে আরও গভীর কোনো কারণ রয়েছে? পরিকল্পিত ভাইরাস বিস্তার, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, কিংবা মাঠপর্যায়ের চিকিৎসা ও টিকাদান ব্যবস্থায় অদক্ষতা বা অনিচ্ছা, এসব বিষয় নিয়েও নিরপেক্ষ ও বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের দাবি জানানো হয়।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ২০২৫ সালে স্বাস্থ্য সহকারীদের দীর্ঘ আন্দোলন, তথ্য আপলোডে অনিয়ম এবং মাঠপর্যায়ে একাধিকবার টিকাদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার কারণে হামের টিকাদান কাভারেজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তবে এসব প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও সরকার ৯০ শতাংশের বেশি টিকাদান নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়, সরকারি প্রদর্শিত ‘ক্রুড কাভারেজ’ এবং পরবর্তীতে পরিচালিত কাভারেজ ইভ্যালুয়েশন সার্ভে-এর মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য ছিল। অতীতের অতিরঞ্জিত সরকারি তথ্যের কারণে বাস্তব পরিস্থিতি দীর্ঘদিন আড়ালে ছিল বলেও দাবি করা হয়।

হামের হার্ড ইমিউনিটি অর্জনের জন্য প্রয়োজন কমপক্ষে ৯৫ শতাংশ কার্যকর টিকাকভারেজ। কিন্তু বিভিন্ন জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত সেই পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। ফলে দেশে বড় ধরনের প্রাদুর্ভাবের ঝুঁকি সবসময়ই বিদ্যমান ছিল।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বর্তমানে আক্রান্ত শিশুদের প্রায় ৩৪ শতাংশের বয়স ৯ মাসের নিচে, অর্থাৎ তারা টিকা গ্রহণের উপযুক্ত হওয়ার আগেই আক্রান্ত হচ্ছে। এর পেছনে মায়েদের পর্যাপ্ত ইমিউনিটি না থাকা, অপুষ্টি এবং সমাজে হার্ড ইমিউনিটির ঘাটতিকে দায়ী করা হয়।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ জানান, সরকারের উদ্যোগে বর্তমানে দেশে প্রায় ২ কোটি ৯ লাখ ডোজ হামের টিকা মজুত রয়েছে এবং জরুরি ক্যাচ-আপ টিকাদান কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ২০ এপ্রিল থেকে জাতীয় পর্যায়ে হামের টিকাদান ক্যাম্পেইনও শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। টিকা ক্রয় বা সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা নেই। GAVI, UNICEF, WHO, বিশ্বব্যাংক ও ADB-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমেই ইপিআই কর্মসূচির টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে।

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, স্বাস্থ্যখাতকে রাজনৈতিক সংঘাতের বাইরে রেখে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করতে হবে। একই সাথে টিকাদান কর্মসূচি, পুষ্টি নিরাপত্তা, মাতৃস্বাস্থ্য এবং মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে বাধ্য করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে দেশবাসীকে অপপ্রচার থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, হাম প্রতিরোধে সচেতনতা, সময়মতো টিকাদান এবং জনস্বাস্থ্য নির্দেশনা মেনে চলাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

সংবাদ সম্মেলনে এবি পার্টির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম এফসিএ, শ্রমিক বিষয়ক সম্পাদক শাহ আব্দুর রহমান, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, যুব পার্টির সদস্য সচিব হাদীউজ্জামান খোকন, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক সফিউল বাশার, শ্রমিক পার্টির সমন্বয়ক শেখ জামাল হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব বারকাজ নাসির আহমদ ও সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৬৫

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮৬
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮৬

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮৬