শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন জমা দিলেন দুঃসময়ের ছাত্রদল নেত্রী শিরিন !

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সংরক্ষিত নারী আসন বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেত্রী রেহানা আক্তার শিরিন। রোববার (১২ এপ্রিল) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর হাতে মনোনয়ন জমা দেন তিনি। দলীয় সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন রাজপথের রাজনীতিতে সক্রিয়, ত্যাগী ও নির্যাতিত নেত্রীদের এ ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এ দৌড়ে সাংগঠনিক দক্ষতা […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৩

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সংরক্ষিত নারী আসন বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেত্রী রেহানা আক্তার শিরিন।

রোববার (১২ এপ্রিল) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর হাতে মনোনয়ন জমা দেন তিনি।

দলীয় সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন রাজপথের রাজনীতিতে সক্রিয়, ত্যাগী ও নির্যাতিত নেত্রীদের এ ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এ দৌড়ে সাংগঠনিক দক্ষতা ও রাজপথের সক্রিয়তার কারণে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেত্রী রেহানা আক্তার শিরিনের নাম।

রেহানা আক্তার শিরিন বর্তমানে ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক এবং ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলায় রাজনৈতিকভাবে পরিচিত একটি পরিবারে তার জন্ম। তার বাবা মরহুম হাজী বোরহান উদ্দীন আড়াইহাজার থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।

পারিবারিকভাবে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে ছোটবেলা থেকেই রাজনীতির প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন রেহানা আক্তার শিরিন। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি একমাত্র বোন। তার পরিবারের অন্য সদস্যরাও বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের রাজনীতিতে সক্রিয়।

বড় ভাই শেখ ফরিদ বিশনন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি। মেজ ভাই খাজা মঈনুদ্দীন আড়াইহাজার থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিশনন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তিনি ২০১৬ সালে ধানের শীষ প্রতীকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনও করেছিলেন।

সেজ ভাই শাহজালাল বিশনন্দী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি এবং ছোট ভাই শাহপরান আড়াইহাজার থানা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

২০০৭-’০৮ সালে ইডেন মহিলা কলেজে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই রেহানা আক্তার শিরিন ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম ও কর্মসূচিতে তিনি রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।

দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামের কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে তিনি একাধিকবার হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হন। এমনকি তাকে কারাবরণও করতে হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের দিন ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন তিনি। ২০২১ সালের ১ মার্চ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে পুলিশের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন।

২০২২ সালের ২৪ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খালেদা জিয়াকে কটূক্তির প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে ছাত্রলীগের হামলার শিকার হন শিরিন। ওই ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হন।

এ ছাড়া ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবরের পর দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামের কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন তিনি। ২০২৪ সালের গণআন্দোলনেও শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন রেহানা আক্তার শিরিন।

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছাত্রদল নেত্রী শিরিন বাংলাদেশ টাইমসকে বলেন, বিএনপির রাজনীতি করার কারণে বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের নানা জুলুম-অত্যাচারের শিকার হয়েছেন। দলের নীতি নির্ধারকরা যদি ত্যাগিদের মূল্যায়ন করেন, তবে তাকেই মনোনয়ন দিবেন বলে বিশ্বাস করেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৫

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৫

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৫

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৭