মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আ. লীগের সঙ্গে বিএনপির অলিখিত চুক্তির কারণে দাগি আসামিরা জামিন পাচ্ছে : সারজিস

আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির অলিখিত চুক্তির কারণে দাগি আসামিরা জামিন পাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম। রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে মত বিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সারজিস বলেন, ‌‌‘দুঃখজনক […]

নিউজ ডেস্ক

১২ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:০৫

আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির অলিখিত চুক্তির কারণে দাগি আসামিরা জামিন পাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে মত বিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সারজিস বলেন, ‌‌‘দুঃখজনক হলেও এটাই সত্য যে, বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে আওয়ামী লীগের ভোটের মাধ্যমে। তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের একটা অলিখিত চুক্তি ছিল। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা, এমনকি শেখ হাসিনা পর্যন্ত দেশের বাইরে বসে এখন এই কথাগুলো বলেন।’

‘নতুন সরকার গঠন করার পরে আমরা দেখতে পেলাম, সেই অলিখিত ‍চুক্তির কারণে অভ্যুত্থানের সময় যারা জুলাই যোদ্ধাদের ওপর আক্রমণ করেছিল, যারা আমাদের শহীদ ভাইদের হত্যার জন্য দায়ী, তাদের অনেক দাগি আসামি এখন জামিন পেয়ে যাচ্ছে,’ বলেন সারজিস।

সংসদে বাতিল হয়ে যাওয়া ২০টি অধ্যাদেশ কণ্ঠভোটে পাস হওয়া ১১৩টি অধ্যাদেশের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করে সারজিস বলেন, ‘অভ্যুত্থানের আগে ও পরে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান কিংবা তাদের নির্যাতিত নেতাকর্মীরা বাংলাদেশের যে সংস্কারগুলো চাইতো,

যে প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্বারা তারা জুলুমের শিকার হয়েছিল, যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে তারা স্বাধীন-সার্বভৌমভাবে চলার আকাঙ্ক্ষা ঘোষণ করেছিল; তারা ক্ষমতায় আসতে না আসতে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে আবার তাদের মতো করে চালাতে চায়।’

‘ওই প্রতিষ্ঠানে আবার সরকারি দলের ছড়ি ঘুরাতে চায়, এ কারণেই তারা গুম অধ্যাদেশ বাতিল করেছে, দুর্নীতি দমন কমিশন অধ্যাদেশ বাতিল করেছে, মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিল করেছে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার অধ্যাদেশ বাতিল করেছে,’ অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আহত যোদ্ধাদের ওপরে ঢাকা শহর থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় যারা হুমকি দিয়েছিল, আক্রমণ করেছিল, লাঠি দিয়ে পিটিয়েছিল, তারা এখন আবার ওই একই জায়গায় বুক ফুলিয়ে বেড়াচ্ছে এবং আমার আহত যোদ্ধা আর শহীদ পরিবারদেরকে বলছে যে,

“তোদের সময় শেষ হয়ে এসেছে। আমরা ফিরে এসেছি দেখব তোরা কী করতে পারিস!”—এ রকম হুমকির মধ্য দিয়ে আমার শহীদ পরিবাররা যাচ্ছে, আমার জুলাই যোদ্ধারা যাচ্ছে।’

বিএনপির উদ্দেশে ১১ দলীয় ঐক্যের এই নেতা বলেন, ‘আপনারা যদি মনে করেন যে বিরোধী দলের কবর খুঁড়বেন, আবার নিজেরা সংসদীয় স্বৈরতন্ত্রের পথে হাঁটবেন, তাহলে মনে রাখবেন, ওই কবরে আপনাদের জায়গাটা হবে সবার আগে।’

সরকারি দল শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের বিভিন্ন আশা দেখাচ্ছে, লোভ দেখাচ্ছে দাবি করে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘দয়া করে এগুলোর বিনিময়ে বিভাজিত হয়ে সামগ্রিকভাবে আপনাদের আকাঙ্ক্ষাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন না।

কারণ এই আকাঙ্ক্ষা যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আর বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে আপনিও বাংলাদেশের অংশ, আপনিও এটা (ক্ষতিগ্রস্ত) হবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আপনাদের কোনো দলের ব্যানারে দেখতে চাই না। আমরা চাই, যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আপনাদের পরিবারের মানুষগুলো জীবন দিয়েছে, আপনারা ওই আকাঙ্ক্ষার পক্ষে থাকুন।

যদি আমরা এর পক্ষে কথা বলি, তাহলে আমাদের পক্ষে কথা বলতে পারেন। যদি আমরা বিপক্ষে কথা বলি, তাহলে প্রয়োজনে আমাদের বিপক্ষে কথা বলবেন।’

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫