বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

দিল্লির কথায় বিভক্তি সৃষ্টি না করে দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করুন: মিয়া গোলাম পরওয়ার

বিএনপি সরকার গঠন করেই দেশে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, জুলাই শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে বর্তমান সংসদ গঠিত হয়েছে। আপনারা সরকার গঠন করেছেন এবার জুলাই সনদের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনায় জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলুন। দিল্লির কথায় দেশের ভিতরে বিভেদ সৃষ্টি করবেন না। সোমবার […]

দিল্লির কথায় বিভক্তি সৃষ্টি না করে দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করুন: মিয়া গোলাম পরওয়ার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১১

বিএনপি সরকার গঠন করেই দেশে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, জুলাই শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে বর্তমান সংসদ গঠিত হয়েছে। আপনারা সরকার গঠন করেছেন এবার জুলাই সনদের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনায় জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলুন। দিল্লির কথায় দেশের ভিতরে বিভেদ সৃষ্টি করবেন না।

সোমবার বিকেলে বগুড়া সদরের বাঘোপাড়া শহীদ দানেশ উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে উপনির্বাচন উপলক্ষে পৃথক দুটি গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে জামায়াতসহ ১১ দল মনোনীত প্রার্থী ও বগুড়া শহর জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান সোহেলের সভাপতিত্বে গণসমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বগুড়া অঞ্চলের সহকারী পরিচালক অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহসভাপতি গোলাম রব্বানী, এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, জাতীয় নারী শক্তির সদস্যসচিব ও এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) ডা. মাহমুদা আলম মিতু ও বগুড়া জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ আব্দুল হক সরকার।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জুলাই আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন এবং যারা আহত হয়ে হাসপাতালে শুয়ে আছেন এই মানুষগুলো একটি বৈষম্যহীন, মানবিক বাংলাদেশ চেয়েছিলেন। শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী কাঠামো ভেঙ্গে নতুন একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চেয়েছিলেন তারা। প্রধানমন্ত্রী নিজে গণভোটে হ্যাঁ’তে ভোট দিতে বলেছিলেন। জনগণ ভোট দিয়ে হ্যাঁ বিজয়ী করার পর এখন তিনি তা অস্বীকার করছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের গণভোট আদেশ বাতিল করে প্রধানমন্ত্রী জনগণের সাথে প্রতারণা করছেন। যেই ৫ কোটি ভোটার হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন তাদের সাথে প্রতারণা জাতি ভুলবে না, সতর্ক করেন তিনি।

সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, দেশের মানুষের সাথে প্রতারণা করে অতীতে কেউ সুবিধা করতে পারেনি। শেখ হাসিনা যেমন মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়ে জোর করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়েছিলেন, সেভাবে বিএনপিও সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিজেদের খবরদারি প্রতিষ্ঠার জন্য গণভোট, গুম কমিশন সংস্কারসহ জুলাই সনদের গুরুত্বপূর্ণ আদেশগুলো বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে। জামায়াতে ইসলামী বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় সংসদে সরকারের এসকল গণবিরোধী উদ্যোগের প্রতিবাদ করছে, একই সাথে রাজপথে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, দেশের ৫ কোটি মানুষ গণভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কারের যেই ম্যান্ডেট দিয়েছে কোনো অপশক্তি যেন সেই ম্যান্ডেট নস্যাৎ করতে না পারে, সেজন্য জামায়াতের নেতৃত্বে বিরোধী জোট সবসময় সজাগ রয়েছে। সংসদের আলোচনায় কাজ না হলে রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে বাধ্য করা হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি আসন্ন উপনির্বাচনে বগুড়া-৬ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান সোহেলকে বিজয়ী করার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সারজিস আলম বলেন, বিএনপি গণভোটের রায় অস্বীকার করে শুধু ভোটারদের অসম্মান করছেন- তা নয়। তারা নিজেদের ৩১ দফার সাথেও প্রতারণা করছে। ৩১ দফার প্রথম দফায় সংবিধান সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে এখন তারা নিজেদের প্রতিশ্রুতিও মানতে চান না। তারা মুখে এক কথা আর কাজে আরেকটা করে নিজেদের কী প্রমাণ করছেন, সেটা জাতি ভালো করেই বুঝে গেছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার সব বিশ্ববিদ্যালয়ে দলীয় চাটুকারদের ভিসি নিয়োগ করে শিক্ষা ব্যবস্থাকে দলীয়করণ করছে। ঋণ খেলাপিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করছে। তিনি প্রশ্ন রাখেন- একজন ঋণ খেলাপি কিভাবে দেশের অর্থনীতি ঠিক করবে? তিনি আসন্ন উপনির্বাচনে প্রশাসনকে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানিয়ে ভোটারদের দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। পরে শহরের শহীদ খোকন পার্কে আরেকটি নির্বাচনী গণসমাবেশে বক্তব্য দেন নেতারা।

অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন বলেন, আমরা বেগম জিয়ার প্রতি সম্মান জানিয়ে অতীতে বগুড়ায় বিএনপিকে ছাড় দিয়েছি। আর কোনো ছাড় নয়, উপনির্বাচনে দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করতে হবে। বগুড়া সদরের ভোটাররা ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভালোবেসে তারেক রহমানকে ভোট দিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি আপনাদের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে পারেননি। বগুড়ার আসন ছেড়ে দিয়েছেন বলেই আঙ্গুলের কালির দাগ মুছে যাওয়ার আগেই আবারও ভোট দিতে হচ্ছে। জামায়াতে ইসলামী বিজয়ী হলে জনগণের অধিকার শতভাগ নিশ্চিত করা হবে। বিগত নির্বাচনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মাধ্যমে হারিয়ে দেয়া হয়েছে। তিনি দলমত ভুলে সবাইকে ৯ এপ্রিল কেন্দ্রে গিয়ে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

গোলাম রব্বানী বলেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর গণভোটের রায়কে অস্বীকারের মাধ্যমে জাতির সাথে বেঈমানি করেছে। আমরা এই বিএনপির প্রতি আর আস্থা রাখতে পারি না। জনগণ আর কোনো ভুল করবে না।

পরে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ শহরের শহীদ খোকন পার্কে আরেকটি গণসমাবেশে বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে অন্যান্যের মাঝে আরও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. সৈয়দ আব্দুল আজিজ, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক আ.স.ম আব্দুল মালেক, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আব্দুল হাকিম সরকার, এনসিপির জেলা সভাপতি এস এ মাহমুদ, জামায়াত নেতা রফিকুল আলম, আল-আমিন, আব্দুস ছালাম তুহিন, আব্দুল হামিদ বেগ, ইকবাল হোসেন, হেদাইতুল ইসলাম প্রমুখ।

সন্ধ্যায় শহরের সাতমাথা, জলেশ্বরীতলাসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এনসিপি নেতা সার্জিস আলম ও ডা. মাহমুদা আলম মিতুর নেতৃত্বে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গণসংযোগ করেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৫৬

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫১
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫১

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫১